• ই-পেপার

নৌকায় এসে এক রাতে ১৯ স্বর্ণের দোকান লুট!

ফ্যাসিস্ট ও অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলায় হামে শিশুরা মারা গেছে : নাসিক প্রশাসক

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
ফ্যাসিস্ট ও অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলায় হামে শিশুরা মারা গেছে : নাসিক প্রশাসক
সংগৃহীত ছবি

ফ্যাসিস্ট ও অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলার কারণে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে এবং শিশুরা মারা গেছে বলে অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

রবিবার (২৮ জুন) সকালে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং হামের জটিলতা কমাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এদিকে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ডে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, অতীতে সরকারি উদ্যোগে নিয়মিত হামের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হলেও পরবর্তী সময়ে তা ব্যাহত হয়। ফলে দেশে হামের সংক্রমণ বেড়েছে এবং অবহেলার কারণে শিশুমৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হামের জটিলতা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

প্রশাসক জানান, এবার সিটি করপোরেশন এলাকার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সিটির ২৭টি ওয়ার্ডের ১৪৪টি স্থায়ী ও অস্থায়ী ইপিআই কেন্দ্রসহ মোট ৩৪০টি কেন্দ্রে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ কাজে প্রায় ৮০০ স্বাস্থ্যকর্মী দায়িত্ব পালন করছেন।

সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে, ডায়রিয়া ও রক্তশূন্যতার ঝুঁকি কমায় এবং তাদের স্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে। যারা নির্ধারিত দিনে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ করতে পারবে না, তারা পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে এ সেবা নিতে পারবে।

পটিয়ার ৬৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
পটিয়ার ৬৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি
ছবি: কালের কণ্ঠ

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণের সচেতনতা গড়ে তুলতে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ৪৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২০টি মাদ্রাসায় সোমবার (২৯ জুন) একযোগে পালিত হবে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি।

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্প এ কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি সরকারি ও এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জলবায়ু অনুদান হিসেবে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে একটি ফলদ, একটি বনজ ও একটি ঔষধি গাছ রোপণের পাশাপাশি ব্যানার-ফেস্টুন, র‌্যালি এবং জলবায়ুবিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনারের আয়োজন করতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার সকাল ১০টা ৫ মিনিটে জাতীয় পর্যায়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জাতীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।

পটিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একই সময়ে বৃক্ষরোপণ, র‌্যালি এবং জলবায়ু সচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজনের অংশগ্রহণে পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

পটিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) দিপেন কান্তি দে বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শুধু গাছ লাগানো নয়, প্রতিটি গাছের পরিচর্যার দায়িত্বও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে, যাতে তারা প্রকৃতি সংরক্ষণের বাস্তব শিক্ষা লাভ করতে পারে।

পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক এই কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করবে এবং একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও টেকসই উন্নয়নের বার্তা ছড়িয়ে পড়বে। প্রতিটি শিশুর হাতে একটি করে গাছ তুলে দেওয়ার মাধ্যমে দেশব্যাপী সবুজায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

সিংড়ায় প্রণোদনার বীজ-সার ও গাছের চারা বিতরণ

সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি
সিংড়ায় প্রণোদনার বীজ-সার ও গাছের চারা বিতরণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

নাটোরের সিংড়ায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিফ-২/২০২৬-২৭ মৌসুমে ৫ হাজার ৮৭০ জন কৃষকের মধ্যে বিনা মূল্যে উফশী রোপা আমন ধানের বীজ, সার ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে এ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ৫ হাজার কৃষককে ৫ কেজি করে উফশী রোপা আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়। এ ছাড়া ৮২০ জন কৃষককে পাঁচটি করে ফলজ গাছের চারা ও ৪০ কেজি করে জৈব সার এবং ৫০ জন কৃষককে পাঁচটি করে লেবুগাছের চারা ও ৮ কেজি করে জৈব সার বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ খন্দকার ফরিদ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শাহাদত হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আবু রায়হান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সংগ্রহ ও ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক শারফুল ইসলাম বুলবুল, তাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিংড়া ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মিলন হোসেন মাস্টার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মো. হিরাদুল ইসলামসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাঙামাটি থেকে ভারতে পাচারকালে বিপুল সার জব্দ

রাঙামাটি সংবাদদাতা
রাঙামাটি থেকে ভারতে পাচারকালে বিপুল সার জব্দ
সংগৃহীত ছবি

ভারতে পাচারকালে বিপুলপরিমাণ সার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি। রবিবার (২৮ জুন) সকালে রাঙামাটির বরকল উপজেলার ছোট হরিণা বিজিবি ঘাটে তল্লাশিকালে এসব সার জব্দ করা হয়। এ সময় ৩৬ বস্তা ইউরিয়া, আট বস্তা টিএসপি, ২৭ বস্তা জৈব সার জব্দ করা হয়। ১২ বিজিবি হাবিলদার কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে সার পাচার হতে পারে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল থেকে বিজিবি সতর্ক ছিল। নদীপথে টহল বৃদ্ধি করা হয়। নদীপথে চলাচলকারী প্রতিটি বোটে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় অভিযানে ৩ হাজার ৫৫০ কেজি বিভিন্ন রকম সার জব্দ করা হয়।

১২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী বলেন, ‘সীমান্তে চোরাচালান বন্ধে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। চোরাচালান বন্ধে নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি বিশেষ অভিযানও পরিচালনা করা হয়। এর আগে চলতি মাসে ১০ বস্তা ইউরিয়া সার এবং ২০ বস্তা রসুন জব্দ করা হয়েছিল।’

নৌকায় এসে এক রাতে ১৯ স্বর্ণের দোকান লুট! | কালের কণ্ঠ