• ই-পেপার

গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, দুই যুবক গ্রেপ্তার

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দের এক টাকাও তছরুপ করতে দেওয়া হবে না

বগুড়া প্রতিনিধি
সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দের এক টাকাও তছরুপ করতে দেওয়া হবে না
ছবি: কালের কণ্ঠ

সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ জনগণের আমানত। এই অর্থের এক টাকাও অনিয়ম বা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করতে দেওয়া হবে না। উন্নয়নের প্রতিটি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ-মোকামতলা) আসনের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত ছিল এবং বিভিন্ন খাত অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

তিনি বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সুস্থ ধারার সংস্কৃতি ও বিনোদনের বিকাশ ঘটানো হবে। গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী সার্কাস, জারি-সারি গান, শালীন যাত্রাপালা ও গ্রাম্য নাটকের মতো লোকজ সংস্কৃতির চর্চা আবারও সম্প্রসারণে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

মীর শাহে আলম আরো বলেন, সরকারের প্রতিটি মানবিক কর্মসূচি প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতি বরদাশত করা হবে না।

বন্ধুত্বের টানে নাটোরে চীনা যুবক

নাটোর প্রতিনিধি
বন্ধুত্বের টানে নাটোরে চীনা যুবক
সংগৃহীত ছবি

মোবাইলে একটি অ্যাপসের মাধ্যমে নাটোরের বড়াইগ্রামের মেয়ে সাদিয়া খাতুনের সঙ্গে পরিচয় হয় চীনা নাগরিক সুবেশের। সেখান থেকেই শুরু হয় বন্ধুত্বের। আর সেই বন্ধুত্বের টানে ওই তরুণীর বাড়িতে ঘুরতে এসেছেন সুবেশ। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে তাকে একনজর দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় করেন স্থানীয়রা। 

বৃহস্পতিবার রাতে ওই চীনা যুবক উপজেলার ভবানীপুর ভাটোপাড়া এলাকায় সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে উঠেন। তরুণী সাদিয়া খাতুন ওই এলাকায় সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে। 

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে একটি অ্যাপসের মাধ্যমে স্কুলছাত্রী সাদিয়া খাতুনের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই চীনা যুবকের। এরপর তৈরি হয় বন্ধুত্ব। এক সময় বাংলাদেশে তার বাড়িতে বেড়াতে আসতে ইচ্ছা পোষণ করেন ওই যুবক। এরপর পাসপোর্ট ও ভিসা তৈরি করে ছবি পাঠায় সাদিয়ার কাছে। প্রথমে সাদিয়া বিশ্বাস করেননি বাংলাদেশে আসবেন তিনি। এরপর সাদিয়া তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানালে সম্মতি দেন তারা। বৃহস্পতিবার বিমানে উঠে তরুণীকে জানালে পরিবার সদস্যরা ওই যুবককে ঢাকা বিমানবন্দরে রিসিভ করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

সাদিয়া খাতুন জানান, একটি অ্যাপসের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। তারপর আমাদের মধ্যে গড়ে উঠে বন্ধুত্ব। পরে সে আমার সঙ্গে দেখা করতে বাংলাদেশে আসতে চায়। আমি বিশ্বাস করিনি, সে আসবে। ঢাকা বিমানবন্দরে এলে আমার পরিবারের লোক গিয়ে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতেই সে বাংলাদেশে এসেছে। 

সাদিয়ার বাবা সাদ্দাম হোসেন বলেন, আমার মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়। সে আমাদের এলাকায় বেড়াতে আসতে চাইলে, আমরা তাকে আসতে বলি। সে বন্ধু হিসেবে এসেছে, কিছুদিন বেড়ানোর পর আবার চলে যাবে। 

জোয়াড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান আলী আকবর জানান, আমাদের এলাকায় চীন থেকে একজন নাগরিক বেড়াতে এসেছেন। ভাটোপাড়ার এক মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব সম্পর্ক রয়েছে। সে বাড়িতে এখন অবস্থান করছে। কিছুদিন বেড়ানোর পর তিনি তার দেশে ফিরে যাবেন বলে জেনেছি।

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

জুলাইযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের ঋণ কোনোদিন শোধ করা সম্ভব নয়

বগুড়া প্রতিনিধি
জুলাইযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের ঋণ কোনোদিন শোধ করা সম্ভব নয়
ছবি: কালের কণ্ঠ

সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা শুধু ইতিহাসের একটি অধ্যায় নয়, এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, অধিকার ও মানুষের মুক্তির সংগ্রামের প্রতীক। 

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা চত্বরে মীর মুগ্ধ স্কয়ারের সংস্কার কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'মীর মুগ্ধ স্কয়ার'-এর নাম আগে ছিল তারেক রহমান স্কয়ার। প্রধানমন্ত্রী নিজের নামে না করে মীর মুগ্ধ স্কয়ার নামটি দিয়েছেন। এই স্কয়ার শুধু একটি স্থাপনার নাম নয়, এটি জুলাইয়ের আত্মত্যাগ, সাহস ও গণ-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। প্রতিদিন মানুষ যখন এই স্কয়ারের পাশ দিয়ে যাবে, তখন তারা জুলাইয়ের শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের ত্যাগকে স্মরণ করবে।

মীর শাহে আলম বলেন, যাদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হয়েছে, সেই বীর শহীদদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যেতে পারে না। জুলাইয়ের প্রতিটি শহীদ ও আহত যোদ্ধা আমাদের হৃদয়ের গভীরে চিরদিন বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মত্যাগের ঋণ কোনোদিন শোধ করা সম্ভব নয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা যেমন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি, তেমনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদেরও সমান মর্যাদায় স্মরণ করব। নতুন প্রজন্মকে এই ইতিহাস জানাতে হবে, যাতে তারা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষার মূল্য বুঝতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা বিএনপি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জুলাইযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

দুর্ঘটনার খবরে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য গিয়ে দেখলেন নিহত স্কুলছাত্র তারই ছেলে

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
দুর্ঘটনার খবরে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য গিয়ে দেখলেন নিহত স্কুলছাত্র তারই ছেলে
সংগৃহীত ছবি

কিশোরগঞ্জ শহরে সিমেন্টবোঝাই ট্রাকচাপায় মোহাম্মদ তুহিন (১০) নামের এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে ছুটে যাওয়া পুলিশের টহলদল জানতে পারে, নিহত শিশুটি টহলদলে থাকা গাড়িচালক পুলিশ সদস্য শামসুল হকেরই ছেলে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে দিকে শহরের জনতা স্কুল রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত তুহিন কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার গাড়িচালক পুলিশ সদস্য শামসুল হকের ছেলে। সে গাইটাল জনতা স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার তানিয়া নাজনীন জানান, সকালে থানায় একটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে জনতা স্কুল রোড এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক স্কুলছাত্র নিহত হওয়ার খবর দেওয়া হয়। সে সময় নিহতের পরিচয় জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহলদল দ্রুত ঘটনাস্থলে রওনা দেয়। ওই টহল দলে গাড়িচালক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন পুলিশ সদস্য শামসুল হক।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে টহলদলের সদস্যরা দেখতে পান, ট্রাকচাপায় নিহত স্কুলছাত্রটি আর কেউ নয়, পুলিশ সদস্য শামসুল হকের ছেলে তুহিন। মুহূর্তেই ঘটনাস্থলে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম ভূঞা জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
 

গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, দুই যুবক গ্রেপ্তার | কালের কণ্ঠ