kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৯ জুলাই ২০২১। ১৮ জিলহজ ১৪৪২

গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে খুঁটিতে বেঁধে মারধর

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর   

২৩ জুন, ২০২১ ০৫:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে খুঁটিতে বেঁধে মারধর

প্রতীকী ছবি

গাজীপুরের শ্রীপুরে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ওই গৃহবধূকে ঘরের বারান্দায় খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ধর্ষণচেষ্টাকারীসহ তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও শ্যালক মিলে ওই গৃহবধূকে মারধর করে।

চিৎকার শুরু ওই গৃহবধূর বাবা ৯৯৯-এ ফোন করার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গৃহবধূকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

মঙ্গলবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের গলদাপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। নির্যাতিত গৃহবধূর (২৫) স্বামী একজন নির্মাণ শ্রমিক।

অভিযুক্ত ধর্ষণচেষ্টাকারীর নাম মো. খলিলুর রহমান (৫০)। তিনি ওই গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে। মারধরে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন- খলিলুর রহমানের স্ত্রী মোছা. মোর্শেদা বেগম (৪০), ছেলে মো. মারুফ (২১) ও শ্যালক শাহিনূর (৩৫)।

এ ঘটনায় গতকাল বিকেলে গৃহবধূ বাদী হয়ে ওই চারজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে খলিলুর রহমান, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও শ্যালক পলাতক।

গৃহবধূর স্বামী জানান, প্রায় চার বছর আগে বাড়িতে বিদ্যুৎসংযোগ দেওয়ার জন্য খলিলুর রহমান তিনটি আলাদা সাদা স্ট্যাম্পে তাঁর স্বাক্ষর নিয়েছিলেন। এরপর তাঁর কাছে দুই লাখ টাকা পাবেন বলে স্ট্যাম্পে উঠিয়ে তা পরিশোধের জন্য নানা ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। এরই জেরে গতকাল সকাল ৭টার দিকে রান্নাঘর থেকে তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যান খলিলুর।

গৃহবধূ জানান, তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে। তারা তখন ঘুমাচ্ছিল। তাঁর স্বামী কাজে বাইরে চলে যান। ওই সময় আচমকা তাঁকে তুলে নিয়ে যান খলিলুর। খলিলুরের বাড়ির পশ্চিম পাশে একটি ঘরের ভেতর আটকে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এতে ব্যর্থ হয়ে টেনেহিঁচড়ে বারান্দায় নিয়ে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ফেলেন তাঁকে। এরপর আরেক ঘর থেকে বেরিয়ে এসে খলিলুর রহমানের স্ত্রী, ছেলে ও শ্যালক তাঁকে বেদম মারধর করে।

গৃহবধূর স্বামী জানান, তাঁর শ্বশুর টের পেয়ে ৯৯৯-এ নম্বরে ফোন করে ঘটনা জানান।

শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) কামরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছার আগেই অভিযুক্ত খলিল, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও শ্যালক পালিয়ে যান।’



সাতদিনের সেরা