• ই-পেপার

তুচ্ছ ঘটনায় হিন্দু পরিবারের বাড়িতে ঢুকে হামলা, ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৫

শেরপুর

বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোরিকশাচালক নিহত, আহত ৪

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোরিকশাচালক নিহত, আহত ৪
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ার শেরপুরে বালুবাহী ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অটোরিকশার আরো চার যাত্রী। রবিবার (৭ জুন) রাতে শেরপুর-কাজীপুর আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের শালফা-গজারিয়া রোড নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম মো. নূর মোহাম্মদ (৫০)। তিনি নূর মোহাম্মদ ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের জোরখালী পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শেরপুর শহরের ধুনটমোড় স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নিয়ে অটোরিকশাটি ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী বাজারে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শালফা-গজারিয়া নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির বালুবোঝাই একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটির চালক ঘটনাস্থলেই মারা যান। সেই সঙ্গে অটোরিকশার চার যাত্রী আহত হন। তবে তারা স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে যাওয়ায় তাদের নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

শেরপুর থানার ওসি এস এম মইনুদ্দিন বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর ঘাতক বালুবাহী ট্রাকটি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় চালক-হেলপার কাউকে আটক করা যায়নি। তবে ট্রাকটি শনাক্তকরণসহ তাদের আটক করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এ ছাড়া আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’

চট্টগ্রামে যুবকের মৃত্যু

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রামে যুবকের মৃত্যু
মোহাম্মদ পারভেজ। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বিষপানে মোহাম্মদ পারভেজ (২৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মৃত পারভেজ উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কোম্পানিটিলা এলাকার নুর আহমদ মুন্সির বাড়ির বাসিন্দা মোহাম্মদ আলম সওদাগরের ছেলে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (৭ জুন) বিষপান করার পর পারভেজ গুরুতর অসুস্থ হলে স্বজনরা তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, পারভেজ কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। রবিবার বিষপান করেন তিনি। পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে মারা যান পারভেজ।

সুনামগঞ্জে

হাসপাতালে যাওয়ার পথে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
হাসপাতালে যাওয়ার পথে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
সংগৃহীত ছবি

‎সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় অটোরিকশা উল্টে মো. রজব আলী (৬৯) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। ‎সোমবার (৮ জুন) দুপুরে উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের বিছনা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওই গ্রামের মৃত নেয়ামত আলীর ছেলে।

‎পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসার জন্য জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে রওনা হন রজব আলী। পথে ছোট ঘাগটিয়া গ্রামের একটি খানাখন্দে ভরা সড়কে অটোরিকশাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ সময় গাড়িতে থাকা যাত্রীরা ছিটকে পড়ে আহত হন। দুর্ঘটনায় অটোরিকশার নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন রজব। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনায় আহত অন্য যাত্রীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

‎জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. আব্দুল বাতেন বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রজব আলীকে হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।’

‎জামালগঞ্জ থানার এসআই পঙ্কজ ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা জেনেছি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বরগুনা

রক্তের দাগ অনুসরণ করে মিলল ব্যবসায়ীর মস্তকবিহীন দেহ

বরগুনা প্রতিনিধি
রক্তের দাগ অনুসরণ করে মিলল ব্যবসায়ীর মস্তকবিহীন দেহ
ছবি : কালের কণ্ঠ

বরগুনায় রাতে নিখোঁজ হওয়ার পর সকালে এক মৌসুমি ব্যবসায়ীর মস্তকবিহীন দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার বড় গৌরীচন্না খাল থেকে তার দেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো তার মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। মাথা উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

নিহত ব্যক্তি হলেন গৌরীচন্না গ্রামের মোনসের আলী ব্যাপারীর ছেলে মো. শামীম ব্যাপারী। তার বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। তিনি একজন মৌসুমি ব্যবসায়ী ছিলেন।

নিহতের স্বজনরা জানান, রবিবার (৭ জুন) রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন শামীম। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে আজ সোমবার সকালে বাড়ির সামনে খালের পাশে রক্তের দাগ এবং তার পায়ের জুতা দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে খালে তল্লাশি চালিয়ে মস্তকবিহীন মরদেহ খুঁজে পান স্বজন ও স্থানীয়রা।

আরো পড়ুন
এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা, জানবেন যেভাবে

এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা, জানবেন যেভাবে

 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে বরগুনা সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।

স্বজনদের দাবি, নিহত শামীমের সঙ্গে কারো কোনো শত্রুতা ছিল না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিহতের স্ত্রী জানান, গতকাল গভীর রাত হলেও তার স্বামী বাসায় ফেরেননি। তখন থেকে তিনি ও তার স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। সোমবার সকালে তার মাথাবিহীন মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি এ ঘটনার আসামিদের চিহ্নিত করে দ্রুত শাস্তির দাবি জানান।

নিহতের বাবা মোনসের আলী ব্যাপারী বলেন, ‘আমার ছেলে রাতে ঘরে না ফেরায় আমরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করি, তবে তার কোনো সন্ধান পাইনি। পরে আজ সোমবার সকালে বাড়ির সামনে খালের পাড়ে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হলে খালে তল্লাশি চালাই। এক পর্যায়ে খালের মধ্যে কচুরিপানার নিচ থেকে শামীমের মস্তকবিহীন দেহ দেখতে পাই। পরে আমরা লোকজন ডাকি এবং পুলিশকে খবর দিই। আমার নিরীহ ছেলেকে যারা খুন করেছে, তাদের শাস্তি যেন আল্লাহ আমাকে চোখের সামনে দেখান।’

আরো পড়ুন
প্রিপেইড মিটার রিচার্জের পর ২২০ ডিজিটের টোকেন পেলে যা করবেন

প্রিপেইড মিটার রিচার্জের পর ২২০ ডিজিটের টোকেন পেলে যা করবেন

 

শামীমের মেয়ে জানান, রবিবার সন্ধ্যায় বাসার কাজ শেষ করে বাজারে গিয়েছিলেন বাবা। এরপর আর বাড়িতে ফেরেননি। রাত গভীর হলে মা আমাদের জানান, বাবা এখনো বাসায় ফেরেননি। আমরা বিভিন্ন জায়গায় ফোন দিয়ে খোঁজ নিই, কিন্তু বাবার কোনো সন্ধান পাইনি। আমরা ভেবেছিলাম হয়তো কোথাও গেছেন, ফিরে আসবেন। কিন্তু বাবা বাসায় না ফেরায় সকালে তাকে খুঁজতে গিয়ে গৌরীচন্না খালের পাড়ে রক্তের দাগ পাই। আরো একটু সামনে গিয়ে একটি জুতা দেখতে পাই। এরপর আরো সামনে গিয়ে আরেকটি জুতা দেখতে পাই। পানির কাছাকাছি যেতেই কচুরিপানার মধ্যে বাবার মাথাবিহীন মরদেহ দেখতে পাই। কে বা কারা আমার বাবাকে হত্যা করেছে, আমরা জানি না। তবে আমরা অপরাধীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

বরগুনা সদর থানার ওসি মো. আবদুল আলীম বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খালে মাথাবিহীন মরদেহ দেখতে পাই। মরদেহের পেট কাটা ছিল। পরে মাথা খোঁজার জন্য ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। তারা এসে দুই ঘণ্টাব্যাপী অনুসন্ধান চালিয়েও মাথার সন্ধান পায়নি। মাথা উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

তুচ্ছ ঘটনায় হিন্দু পরিবারের বাড়িতে ঢুকে হামলা, ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৫ | কালের কণ্ঠ