সড়কটিতে তিন চাকার অটোরিকশার দাপট। চলে না যাত্রীবাহী বাস। অথচ নির্মাণ করা হয় যাত্রীছাউনি। সরকারের দুই লাখ টাকা খরচ করে নির্মাণ করা অপরিকল্পিত যাত্রীছাউনিটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের বৈঠকখানা হিসেবে।
ঘটনাটি ঢাকার ধামরাইয়ের সোমভাগ ইউনিয়নের গোয়ালদী গ্রামের। আট মাস আগে ওই গ্রামের ধামরাই বাজার-কালামপুর বাজার সড়কে যাত্রীছাউনি নির্মাণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে তার বাড়ির সামনে যাত্রীছাউনি নির্মাণের ব্যবস্থা করেন। অথচ সড়কটিতে কোনো যাত্রীবাহী যান চলে না। তা ছাড়া স্থানটি কোনো সড়কের মোড়ও নয়। ফলে যাত্রীছাউনিটি যাত্রীদের কোনো কাজেই আসছে না।
স্থানীয়রা জানায়, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন যাত্রীছাউনিটি নিজের বৈঠকখানা হিসেবে ব্যবহার করছেন। প্রশাসনের তদারকির অভাবে এমনটি হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সাবেক চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের বাড়ির সামনে পুকুর। সেই পুকুরের কোনায় পাশ দিয়ে যাওয়া সড়কের পাশে নির্মাণ করা হয়েছে যাত্রীছাউনি। সামনে ‘যাত্রীছাউনি’ লেখা কোনো সাইন বোর্ড নেই। তা ছাড়া ছাউনিটি সড়কের দিকসহ তিন পাশ পাকা ইটের গাঁথুনিতে বন্ধ। খোলা রাখা হয়েছে বাড়ির পাশ। ফলে যাত্রীছাউনিটি সড়কের পাশে হলেও তা যাত্রীদের কোনো কাজেই আসছে না। অথচ এর প্রায় ১০০ গজ দূরে অবস্থিত তিন রাস্তার মোড়ে প্রায়ই ভিড় থাকে যাত্রীদের।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হত্যা মামলার আসামি হওয়ায় তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ কারণে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল মামুন বলেন, ‘বিষয়টি জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’





