দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ জেলার ২ সদস্যকে (রুকন) বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
রবিবার (৫ জুলাই) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরো পড়ুন
সোমবার রাজধানীর যেসব দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ
বহিষ্কাররা হলেন- মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার জামায়াতের সদস্য (রুকন) ও সাবেক রশুনিয়া ইউনিয়ন আমির মাওলানা মনির হোসেন। অপরজন সদর উপজেলার সদস্য (রুকন) আমিনুল ইসলাম নাসির।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জামায়াতের আমির তাদের সদস্য (রুকন) পদ বাতিল করেছেন। ফলে মাওলানা মনির হোসেন ও আমিনুল ইসলাম নাসির বর্তমানে জামায়াতের কোনো পদে নেই এবং তারা আর দলটির সদস্য নন।
আরো পড়ুন
৭৭ শতাংশ কাজ শেষ, এপ্রিলে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নৈতিক স্খলন, দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মাওলানা মনির হোসেন দীর্ঘদিন সিরাজদীখান উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, সিরাজদীখান উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং জামায়াতের রুকন ছিলেন। গত বছরের জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে ১৪ ডিসেম্বর তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মুন্সীগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহ হাতে ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে বিএনপিতে যোগদানের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
আরো পড়ুন
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার
মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদীখান–শ্রীনগর) আসনে জামায়াতের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা সেক্রেটারি এ কে এম ফখরুদ্দীন রাজি বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে তার কর্মকাণ্ড সাংগঠনিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় আমরা তার দায়িত্ব স্থগিত করে বিষয়টি কেন্দ্রকে জানিয়েছিলাম। তখন থেকেই তিনি কার্যত দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে ছিলেন না। আজ কেন্দ্রীয়ভাবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুধু মাওলানা মনির নন, দেশব্যাপী যাদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।