• ই-পেপার

নেক্সটজবজ ক্যারিয়ার সামিট ও জব ফেস্ট ১৮ আগস্ট

ড্যাফোডিলে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লেকচারের ১৭তম সেশন অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ড্যাফোডিলে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লেকচারের ১৭তম সেশন অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনোভেশন সেন্টার (আইআইসি)-এর উদ্যোগে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লেকচার সিরিজ– সিজন ১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের শিল্পখাতের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত করা এবং কৃষি প্রযুক্তি ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটির আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

`Post-Harvest Technology in the Field of Good Food for All' শীর্ষক এ আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ফসল সংগ্রহ-পরবর্তী প্রযুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই কৃষি এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা। অনুষ্ঠানে কৃষিবিদ গ্রুপ বাংলাদেশের সঙ্গে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির তিনটি বিভাগের পৃথক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।

অনুষ্ঠানে কি-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ গ্রুপ বাংলাদেশের (কেজিবি) গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর সভাপতি ড. মো. আলী আফজাল।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী, মাননীয় ডিন, অধ্যাপক ড. এস. এম. মাহবুব উল হক মজুমদার, রিয়েল এস্টেট বিভাগের প্রধান ড. আমির আহমেদ, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. নিজাম উদ্দিন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান ড. খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন, ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ বিভাগের প্রধান মো. কামরুজ্জামান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনোভেশন সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (সিডিসি) হেড অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল লিংকেজ মনোয়ারুল ইসলাম রিবেল, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

মূল বক্তব্যে ড. মো. আলী আফজাল ফসল সংগ্রহ-পরবর্তী প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, কৃষিতে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ফসল সংগ্রহ-পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমানোর বিভিন্ন কৌশল তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কৃষি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, ‘সততা, পরিশ্রম ও উদ্ভাবনী চিন্তাই একজন উদ্যোক্তার সবচেয়ে বড় শক্তি। প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে তরুণদের সামনে অসীম সম্ভাবনা রয়েছে। ইচ্ছাশক্তি, সাহস এবং ধারাবাহিক পরিশ্রমের মাধ্যমে তারাই আগামী দিনের সফল উদ্যোক্তা হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে কৃষিবিদ গ্রুপ বাংলাদেশের সঙ্গে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ, রিয়েল এস্টেট এবং নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ-এর পৃথক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এসব সমঝোতার আওতায় যৌথ গবেষণা, শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ, শিল্প-সংযুক্ত প্রকল্প, অতিথি বক্তৃতা, কর্মশালা এবং পাঠ্যক্রম উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আয়োজকরা জানান, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লেকচার সিরিজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিল্পখাতের অভিজ্ঞ পেশাজীবী, উদ্যোক্তা ও গবেষকদের কাছ থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে এ মৌসুমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও শেখার ফলাফল মূল্যায়নের জন্য একটি কাঠামোবদ্ধ মূল্যায়ন পদ্ধতি সংযুক্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন মূল্যায়নের আয়োজন করা হয়। বিষয়বস্তুর অনুধাবন, বিশ্লেষণী দক্ষতা, ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং মৌলিকতার ভিত্তিতে মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্বাচিত সেরা ১০ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ স্বীকৃতি সনদ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম গোএডু-এর বিভিন্ন কোর্সে বিশেষ মূল্যছাড়ও প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লেকচার সিরিজ-এর স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিডিসি) এবং ই-লার্নিং পার্টনার হিসেবে রয়েছে গোএডু।

‘বাংলাদেশের সেরা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক’

ইউরোমানির স্বীকৃতি পেল শান্তা ইকুইটি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইউরোমানির স্বীকৃতি পেল শান্তা ইকুইটি
সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইউরোমানি অ্যাওয়ার্ডস ফর এলিলেন্স ২০২৬-এ মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশনস ক্যাটাগরিতে ‘বাংলাদেশের সেরা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক’ হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছে শান্তা হোল্ডিংসের ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান শান্তা ইকুইটি। প্রিমিয়ার এলপি গ্যাস লিমিটেডের অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় আর্থিক উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি।

এ লেনদেনে কম্পানিটির মূল্যায়ন, বিদেশি শেয়ারহোল্ডার  টোটাল এনার্জিস মার্কেটিং সার্ভিসেস, ফান্স-এর কাছে বিক্রয়মূল্য পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং সার্বিক আর্থিক পরামর্শে কাজ করেছে শান্তা ইকুইটি। এই লেনদেনের মাধ্যমে ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ও ওমেরা সিলিন্ডারস লিমিটেড যৌথভাবে প্রিমিয়ার এলপি গ্যাস লিমিটেডে এর শতভাগ শেয়ার টোটাল এনার্জিস মার্কেটিং সার্ভিসেস, ফান্স এবং অন্যান্য স্থানীয় শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে অধিগ্রহণ করে।

এ অর্জন প্রসঙ্গে শান্তা ইকুইটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুবায়েত রুবায়েত-ই-ফেরদৌস বলেন, ‘ইউরোমানির কাছ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো এই স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এই অর্জন মার্জার ও অ্যাকুইজিশন লেনদেনে আমাদের সক্ষমতার পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।’

বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে Euromoney Awards for Excellence পরিচিত। কর্মদক্ষতা, উদ্ভাবন এবং গ্রাহকসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালেও 'বাংলাদেশের সেরা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ফর ইকুইটিজ' ক্যাটাগরিতে ইউরোমানির স্বীকৃতি অর্জন করেছিল শান্তা ইকুইটি। এটি প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় ইউরোমানি অ্যাওয়ার্ড।

বর্তমানে শান্তা ইকুইটি আইপিও, বন্ড ইস্যু, রাইটস ইস্যু এবং মার্জার ও অ্যাকুইজিশন-সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে কাজ করছে। তৈরি পোশাক, এফএমসিজি, ওষুধ, সিমেন্ট, প্রকৌশল ও শিক্ষা খাতসহ বিভিন্ন শিল্পে প্রতিষ্ঠানটি ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে।

এক ছাদের নিচে খাবার ও বিনোদনের নতুন ঠিকানা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এক ছাদের নিচে খাবার ও বিনোদনের নতুন ঠিকানা
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের জীবনধারা ও বিনোদন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করতে আকিজ ইনসাফ গ্রুপ উদ্বোধন করল দ্য গ্র্যান্ডিয়র (দ্য গ্র্যান্ডিয়র) এবং প্লেফিনিটি (প্লেফিনিটি)—একই ছাদের নিচে প্রিমিয়াম ডাইনিং ও আধুনিক বিনোদনের এক অনন্য গন্তব্য। প্রতিটি মানুষের জীবনে কিছু গল্প থাকে, আর সেই গল্পগুলো জন্ম নেয় বিশেষ কিছু সময় ও স্মরণীয় মুহূর্তকে ঘিরে। সেই মুহূর্তগুলোকে আরো অর্থবহ, আনন্দময় ও অবিস্মরণীয় করে তুলতেই যাত্রা শুরু করেছে দ্য গ্র্যান্ডিয়র ও প্লেফিনিটি।

আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা এই দুটি ভিন্নধর্মী উদ্যোগ পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী এবং সব বয়সী দর্শনার্থীদের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতার দ্বার উন্মোচন করবে। প্রতিষ্ঠান দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আকিজ ইনসাফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শেখ জামিল উদ্দিন। তাঁর হাত ধরেই ‘দ্য গ্র্যান্ডিয়র’ ও ‘প্লেফিনিটি’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।

দ্য গ্র্যান্ডিয়র এমন একটি প্রিমিয়াম ফুড ডেস্টিনেশন, যেখানে দেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বাদের খাবার, আধুনিক স্থাপত্য, নান্দনিক পরিবেশ এবং উৎকৃষ্ট সেবার সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে একটি ব্যতিক্রমী ডাইনিং অভিজ্ঞতা। এটি শুধুমাত্র খাবার উপভোগের স্থান নয়; বরং একসঙ্গে সময় কাটানো, উদযাপন করা এবং স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করার একটি কেন্দ্রবিন্দু।

অন্যদিকে প্লেফিনিটি ভবিষ্যতমুখী মহাকাশ-অনুপ্রাণিত নকশায় নির্মিত একটি আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র, যেখানে রয়েছে অত্যাধুনিক গেমিং, ইন্টারঅ্যাকটিভ আকর্ষণ এবং নানা ধরনের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—সব বয়সের দর্শনার্থীদের জন্য এটি হবে আনন্দ, কল্পনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিনোদনের এক নতুন জগৎ।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে আকিজ ইনসাফ গ্রুপ গ্রাহকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের আতিথেয়তা, আধুনিক বিনোদন এবং উন্নত সেবার সমন্বয়ে নতুন এক লাইফস্টাইল অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
দ্য গ্র্যান্ডিয়র ও প্লেফিনিটি শুধু দুটি নতুন প্রতিষ্ঠান নয়; বরং বাংলাদেশের প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল, খাবার এবং বিনোদনের জগতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

ইউল্যাবে শুরু হলো ৩ দিনব্যাপী ‘বিবিএ মনসুন ইভেন্ট’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইউল্যাবে শুরু হলো ৩ দিনব্যাপী ‘বিবিএ মনসুন ইভেন্ট’
সংগৃহীত ছবি

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ সামার ২০২৬ কারিকুলাম ইন্টিগ্রেশন প্রোগ্রামের আওতায় তিন দিনব্যাপী ‘বিবিএ মনসুন ইভেন্ট’ শুরু হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) শুরু হওয়া এই ইভেন্ট চলবে ২২ জুলাই পর্যন্ত। 

আয়োজন উদ্বোধন করেন ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা। উদ্বোধন শেষে তিনি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রকল্পের স্টল পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এই প্রদর্শনীতে বর্ষা-অনুপ্রাণিত সৃজনশীল প্রকল্পের মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে কীভাবে ব্যবসায় শিক্ষা শ্রেণিকক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষায় রূপ নিতে পারে।

এই প্রদর্শনীতে বিবিএ প্রোগ্রামের বিভিন্ন কোর্সের শিক্ষার্থীরা ব্যবসায়িক তত্ত্ব ও ধারণাকে বাজারের চলমান চ্যালেঞ্জের সঙ্গে সংযুক্ত করে প্রকল্প উপস্থাপন করে। ইন্টারঅ্যাকটিভ প্রজেক্ট স্টলের পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ ‘মনসুন ক্যাফে’, যা পুরো পরিবেশকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলেছে। উপাচার্য শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ এবং পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন। 

তিনি বলেন, পাঠ্যক্রম-সমন্বিত হাতে-কলমে শিক্ষা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের দক্ষ ও দায়িত্বশীল ব্যাবসায়িক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে রয়েছে প্রকল্প প্রদর্শনী, বিভিন্ন আকর্ষণীয় কার্যক্রম এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে সেরা প্রকল্প ও অংশগ্রহণকারীদের স্বীকৃতি প্রদান। শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য উন্মুক্ত এই ‘বিবিএ মনসুন ইভেন্ট’ ইউল্যাবের অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা, শিল্প-সংশ্লিষ্ট দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।