• ই-পেপার

পাবজি মোবাইল ও নারুতো শিপুডেনের উদ্যোগে ৮ বছরের সবচেয়ে বড় কোলাবোরেশন

তেজগাঁওয়ে ফ্ল্যাগশিপ ব্রাঞ্চ চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তেজগাঁওয়ে ফ্ল্যাগশিপ ব্রাঞ্চ চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর তেজগাঁও-গুলশান লিংক সড়কের শান্তা পিনাকল টাওয়ারে ‘তেজগাঁও প্রিন্সিপাল ব্রাঞ্চ’ নামে ফ্ল্যাগশিপ ব্রাঞ্চ চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। এ উপলক্ষে রবিবার (১২ জুলাই) নতুন শাখা প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খান আনুষ্ঠানিক শাখাটির উদ্বোধন করেন। ব্র্যাক ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শান্তা হোল্ডিংসের নির্বাহী পরিচালক (গ্রুপ ফাইন্যান্স) এম আনিসুল হক এবং ব্র্যাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) এম মাসুদ রানা, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের প্রধান শেখ মোহাম্মদ আশফাক, জ্যেষ্ঠ আঞ্চলিক প্রধান তাহের হাসান আল মামুন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের প্রথম ৪০তলা কমার্শিয়াল স্কাইস্ক্র্যাপার ‘শান্তা পিনাকল’-এ অবস্থিত নতুন শাখাটি গ্রাহকদের প্রিমিয়াম ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দেবে। এতে রয়েছে অত্যাধুনিক ডিজিটাল ব্যাংকিং সমাধান, যার মধ্যে অন্যতম ‘ব্যাচ’-এর সঙ্গে যুক্ত দেশের প্রথম ডিজিটাল ক্লিয়ারিং ‘চেক কিয়স্ক’। এ ছাড়া গ্রাহকের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য থাকছে সুসজ্জিত প্রিমিয়াম ব্যাংকিং লাউঞ্জ, আধুনিক কিউ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং একটি ডেডিকেটেড ডিজিটাল কর্নার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি ও সিইও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য দেশজুড়ে নেটওয়ার্ক বিস্তৃতির মাধ্যমে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় সুবিধাজনক ও গ্রাহকবান্ধব ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়া। ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের সঙ্গে উন্নত ডিজিটাল সক্ষমতার সমন্বয় ঘটিয়ে গ্রাহকদের আধুনিক ও সর্বোচ্চ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দিতে চাই।’

সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোন ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিটি ব্যাংক-বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোন ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল
সংগৃহীত ছবি

সিটি ব্যাংক ও বিকাশ ডিজিটাল ন্যানো লোনের মোট বিতরণ ১০ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল ঋণসেবা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরুর পর থেকে এই সেবার মাধ্যমে ৩৫ লাখ বিকাশ অ্যাপের গ্রাহক মোট ৩ কোটি ১৯ লাখ লোন অ্যাকাউন্টে এই ঋণ নিয়েছেন। দেখা যাচ্ছে প্রতিটি গ্রাহক গড়ে এই স্বল্পমেয়াদি ঋণ নিয়েছেন নয়বারের বেশি, যা সেবাটির শক্তিশালী পুনর্ব্যবহার এবং ছোট অঙ্কের সহজলভ্য ঋণের ব্যাপারে জনগণের চাহিদার প্রতিফলন।

বর্তমানে এক কোটি ২০ লাখের বেশি যোগ্য বিকাশ গ্রাহকের জন্য এই ঋণ সুবিধা উন্মুক্ত রয়েছে। এসব গ্রাহকের অধিকাংশেরই আগে ব্যাংক ঋণ পাওয়ার সুযোগ ছিল সীমিত এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগও ছিল খুব সামান্য বা একেবারেই না।

এখন যোগ্য গ্রাহকেরা বিকাশ অ্যাপে এক মিনিটেরও কম সময়ে এই ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন। এ জন্য তাদের কোনো ব্যাংক শাখায় যেতে হচ্ছে না, কোনো কাগজপত্রও জমা দিতে হচ্ছে না। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ গ্রাহক বিকাশ অ্যাপে সিটি ব্যাংকের এই ঋণ নিচ্ছেন। প্রতিটি ঋণের গড় পরিমাণ প্রায় তিন হাজার টাকা, আর মাসিক ঋণ বিতরণ পৌঁছেছে নয়শ কোটি টাকায়। এসব ঋণ তাৎক্ষণিক ও স্বল্পমেয়াদি প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহৃত হচ্ছে, এর মধ্যে রয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রয়োজন, পারিবারিক ব্যয়, চিকিৎসাজনিত জরুরি প্রয়োজন এবং শিক্ষা ব্যয় ইত্যাদি। 

সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় এ ঋণ পরিশোধের হার। মোট বিতরণ করা ১০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে খেলাপি ও অবলোপন করা ঋণের পরিমাণ মাত্র ৫৩ কোটি টাকা বা ৫ শতাংশ। অর্থাৎ বিতরণকৃত ঋণের ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ নিয়মিতভাবে ব্যাংকে ফেরত এসেছে। 

সিটি ব্যাংকের এমডি ও সিইও মাসরুর আরেফিন জানান, দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ যখন বড় উদ্বেগের বিষয়, তখন দেখা যাচ্ছে ছোট অঙ্কের ডিজিটাল ঋণে পোর্টফোলিওর মান ঈর্ষণীয় পর্যায়ের। এই ঘটনাটি থেকে পুরো ব্যাংকিং খাতের জন্যই শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা নেওয়ার মতো অনেক কিছু আছে।

ফ্রিডমের ‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ী সম্মাননা ক্যারাভান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ফ্রিডমের ‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ী সম্মাননা ক্যারাভান

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় নারী স্বাস্থ্যসুরক্ষা ব্র্যান্ড ফ্রিডম-এর বহুল আলোচিত মেগা কনজিউমার ক্যাম্পেইন ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ সারা দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ক্রেতা অংশগ্রহণ করেছেন উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ক্যাম্পেইনটি এখনও চলমান। তাই এখনও ফ্রিডম-এর নির্ধারিত প্যাক কিনে অংশ নিয়ে স্কুটি অথবা গোল্ডসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার জয়ের সুযোগ রয়েছে।

নারীর স্বাস্থ্যসুরক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও ক্ষমতায়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে ফ্রিডম। সেই ধারাবাহিকতায় দেশের মানুষের আরো কাছে পৌঁছাতে এবং ক্যাম্পেইনের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে শুরু হয়েছে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যারাভান।

পুরো জুলাই মাসজুড়ে এই ক্যারাভান বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ভ্রমণ করবে। বিভিন্ন জনসমাগমস্থল, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ক্যাম্পেইনের প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি ভাগ্যবান স্কুটি বিজয়ীদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্কুটি হস্তান্তর করা হবে। 

এর মাধ্যমে একদিকে যেমন বিজয়ীদের আনন্দ আরও বিশেষ হয়ে উঠবে, তেমনি অন্যদিকে দেশের আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যাম্পেইনের বার্তা।

ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করাও খুবই সহজ। ফ্রিডম-এর নির্ধারিত প্যাক কিনে প্যাকের ওপর থাকা QR কোড স্ক্যান করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন সম্পন্ন করলেই স্কুটি অথবা গোল্ড জয়ের সুযোগ মিলবে।

তাই এখনও যদি অংশ না নিয়ে থাকেন, তাহলে সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। আর চোখ রাখুন ফ্রিডম-এর অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে—কারণ পুরো জুলাই মাসজুড়ে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যারাভান ঘুরে বেড়াবে দেশের বিভিন্ন জেলায়। কে জানে, পরবর্তী গন্তব্য হয়তো আপনার এলাকাই!

এডুকো-ইএসডিও’র উদ্যোগ

কারিগরি যুবকদের শোভন কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ৭ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
কারিগরি যুবকদের শোভন কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ৭ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা যুবকদের শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় সাতটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

রবিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এডুকো বাংলাদেশের সহায়তায় ইএসডিও কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘লিভারেজিং ইয়ুথ অ্যামপ্লয়মেন্ট ইন বাংলাদেশ থ্রু ইমপ্রুভিং দেয়ার এমপ্লয়বিলিটি অ্যান্ড কম্পিটিটিভনেস টু ফিট উইথ দ্য ২১স্ট সেঞ্চুরি জব মার্কেট (লিফট) প্রকল্পের অধীনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা শাখার প্রধান শাহরিয়ার মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এডুকেশন অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এডুকো) বাংলাদেশের শিশু শ্রম নিরসন বিভাগের ব্যবস্থাপক আফজাল কবির খান।

লিফট প্রকল্পটি চোরোগউসান ফর চিলড্রেনের অর্থায়নে এবং এডুকো’র কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়ন করছে ইএসডিও। সুবিধাবঞ্চিত যুবকদের বাজার-চাহিদাভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণ, জীবন দক্ষতা উন্নয়ন, ক্যারিয়ার গাইডেন্স এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে শক্তিশালী কর্মসংস্থানের সংযোগ তৈরি করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে যে সাতটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়, সেগুলো হলো—আজিজ এয়ার সার্ভিসেস লিমিটেড, ড্রিম পাওয়ার বাংলাদেশ, প্রাণ গ্রুপ, মেটাল ফেয়ার্স, নাভানা সিএনজি, হোটেল সারিনা ঢাকা এবং আমারি ঢাকা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকল্পের লক্ষ্য ও প্রধান অর্জনগুলো তুলে ধরে আফজাল কবির খান বলেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য সুবিধাবঞ্চিত যুবকদের বাজার-চাহিদাভিত্তিক প্রযুক্তিগত দক্ষতায় দক্ষ করে তোলা। যা মানসম্মত কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পরিশেষে তাদের শোভন কর্মসংস্থান এবং টেকসই জীবিকার দিকে নিয়ে যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে ইএসডিও’র কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রধান শাহরিয়ার মাহমুদ বলেন, প্রকল্পের প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রমটি শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে নিবিড়ভাবে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গ্র্যাজুয়েটরা যাতে প্রাসঙ্গিক যোগ্যতা অর্জন করতে পারে এবং শোভন কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করতে ইএসডিও ক্রমাগত নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া প্রতিক্রিয়া এবং উদীয়মান দক্ষতার চাহিদাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে।

অনুষ্ঠানে জিনজিয়াং হসপিটালিটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন ব্যবস্থাপক তানভীর আনোয়ার পনি ৭২০ ঘণ্টার শিল্প-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ মডেলের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ প্রশিক্ষণার্থীদের এমন যোগ্যতা অর্জনে সক্ষম করে তোলে, যা শিল্পের মানদণ্ড পূরণ করতে এবং কর্মক্ষেত্রে কার্যকরভাবে কাজ সম্পাদনে অত্যন্ত প্রয়োজন।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিত্ব করে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক সুদীপ্ত দেবনাথ অন্তু বিদ্যুৎ এবং রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং ট্রেডের গ্র্যাজুয়েটদের নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে তাদের কোম্পানির ধারাবাহিক আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন। তিনি এডুকো লিফট প্রকল্পের সঙ্গে সফল সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং শিল্পের কর্মসংস্থানের জন্য এই প্রকল্পের গ্র্যাজুয়েটদের গুণগত মান ও প্রস্তুতির কথা স্বীকার করেন।

আয়োজকরা জানান, এই অংশীদারিত্বের ফলে ইন্টার্নশিপ, শিল্প সংযুক্তি, কর্মক্ষেত্রের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সরাসরি নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কারিগরি গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের পথ সুগম হবে।

অনুষ্ঠানে সরকারি সংস্থা, শিল্পখাত, নিয়োগকর্তা, কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প অংশীদার এবং কারিগরি শিক্ষা সম্পন্ন করা যুব প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি স্বাক্ষরের আগে লিফট প্রকল্পের অর্জন ও অগ্রগতি নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন এবং গ্র্যাজুয়েটদের অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।