• ই-পেপার

টেকনোর ঈদুল আজহা ক্যাম্পেইন, নানা মেগা উপহার

এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ

অনলাইন ডেস্ক
এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ
সংগৃহীত ছবি

প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং ইন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স (এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স) প্রোগ্রাম চালু করেছে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ)। অ্যাডভান্সড সায়েন্স অ্যান্ড কম্পিউটিং অনুষদের অধীনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ জুন আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সাশ্রয়ী ব্যয়ে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই যুগোপযোগী ও কর্মমুখী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্সে দক্ষ প্রকৌশলী তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তাদের দেশের প্রযুক্তি খাতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কর্মবাজারের চাহিদা পূরণে সক্ষম করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

১৫২ ক্রেডিটের এ প্রোগ্রামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং, রোবোটিকস ও সাইবার সিকিউরিটিসহ আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে পাঠদান করা হবে। পাশাপাশি থাকবে গবেষণা, ল্যাবভিত্তিক শিক্ষা ও শিল্প-সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়েভারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৫ টি অনুষদের অধীনে ৮টি বিভাগ চালু রয়েছে। এরমধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) ও মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ)। ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের অধীনে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (এএমএম)। আর ফ্যাকাল্টি অব হিউম্যানিটিজ এন্ড সোস্যাল সায়েন্সেসের অধীনে বিএ (অনার্স) ইন ইংলিশ, এমএ ইন ইংলিশ লিটেরেচার এন্ড কালচারাল স্টাডিজ ও ব্যাচেলর অব ল' (এলএলবি অনার্স)। রয়েছে মাস্টার অব পাবলিক হেলথ। এছাড়া বিস্তাররিত তথ্য আইএসইউ এর ওয়েবসাইটে (www.isu.ac.bd) পাওয়া যাবে। 

ফিনএক্সেলের উদ্যোগে সিটি ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ

অনলাইন ডেস্ক
ফিনএক্সেলের উদ্যোগে সিটি ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ফিন্যান্সিয়াল এক্সেলেন্স লিমিটেড (ফিনএক্সেল)-এর উদ্যোগে দ্য সিটি ব্যাংক পিএলসির রিকভারি অ্যান্ড কালেকশন বিভাগের কর্মকর্তাদের জন্য ২ দিনব্যাপী কাস্টমাইজড এক্সিকিউটিভ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘Negotiation Mastery: A Value-Driven Approach to Drive Results’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ ৪ ও ৫ জুলাই ঢাকার হোটেল লেক ক্যাসেলে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন হাবিব ব্যাংক লিমিটেডের (HBL)-এর বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ অঞ্চলের রিজিওনাল জেনারেল ম্যানেজার সেলিম বরকত। তিনি বলেন, রিকভারি ও ঋণ আদায় কার্যক্রমে কার্যকর নেগোশিয়েশন দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় তিনি টেকসই ব্যাবসায়িক সাফল্য অর্জনে মূল্যভিত্তিক আলোচনার কৌশল অনুসরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

উদ্বোধনী পর্বে ফিনএক্সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফার রহমান অংশগ্রহণকারী, প্রশিক্ষক ও অতিথিদের স্বাগত জানান। তিনি প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয় করেন।

প্রশিক্ষণে মূল্যভিত্তিক নেগোশিয়েশন কৌশল, ঋণগ্রহীতার সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ, দ্বন্দ্ব নিরসন, পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা এবং নৈতিক ঋণ আদায় পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। ব্যাংকিং খাতের জ্যেষ্ঠ পেশাজীবী ও শিল্প বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত প্রশিক্ষক প্যানেল ইন্টারঅ্যাকটিভ আলোচনা, বাস্তবভিত্তিক কেস স্টাডি, রোল-প্লে ও ব্যাবহারিক অনুশীলনের মাধ্যমে সেশন পরিচালনা করেন।

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা এর ব্যাবহারিক বিষয়বস্তু ও অংশগ্রহণমূলক উপস্থাপনার প্রশংসা করেন। তাদের মতে, প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু সিটি ব্যাংকের রিকভারি ও কালেকশন কার্যক্রমের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ফিনএক্সেল জানায়, দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত কাস্টমাইজড প্রশিক্ষণ, পরামর্শসেবা ও সক্ষমতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

পার্কভিউ হসপিটাল ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের চুক্তি স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
পার্কভিউ হসপিটাল ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের চুক্তি স্বাক্ষর
ছবি : কালের কণ্ঠ

সাংবাদিকদের উন্নত ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পার্কভিউ হসপিটাল লিমিটেড ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মধ্যে একটি একটি কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সব সদস্য ও তাদের নির্ভরশীল (ডিপেনডেন্ট) সদস্যরা এবং ক্লাবের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পার্কভিউ হসপিটাল লিমিটেডের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ সুবিধার মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন।

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তিপত্রে পার্কভিউ হসপিটালের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার এটিএম রেজাউল করিম, জেনারেল ম্যানেজার (অ্যাডমিন) তালুকদার জিয়াউর রহমান ও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (এইচআর) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও অ্যাপায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য আরিচ আহমদ শাহ ও টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এনামুল হক।

এছাড়া অনুষ্ঠানে পার্কভিউ হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এটিএম রেজাউল করিম, জেনারেল ম্যানেজার (অ্যাডমিন) তালুকদার জিয়াউর রহমান বক্তব্য দেন। এ সময় হসপিটালের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (এইচআর) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, ম্যানেজার (মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড) মো. জাহেদুল ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার নেজাম উদ্দিন এবং কর্পোরেট অফিসার হেলাল পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে পার্কভিউ হসপিটাল ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এর ফলে প্রেস ক্লাবের সদস্যরা আরও সহজে উন্নত, নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরো সুদৃঢ় হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইউআরএপি ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিং ২০২৫-২০২৬

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

বিশ্বের অন্যতম গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় মূল্যায়ন সংস্থা ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং বাই একাডেমিক পারফরম্যান্স (ইউআরএপি) প্রকাশিত ইউআরএপি ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিং ২০২৫-২০২৬-এ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) বাংলাদেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।

একই সঙ্গে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে চতুর্থ এবং বিশ্বব্যাপী ১,৪৬১তম স্থান অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এই অর্জন গবেষণা ও একাডেমিক উৎকর্ষে ডিআইইউর ধারাবাহিক অগ্রযাত্রার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

এ বছরের ইউআরএপি ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিংয়ে বিশ্বের শীর্ষস্থান অর্জন করেছে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি। গবেষণার গুণগত মান, প্রকাশনার সংখ্যা এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতার ভিত্তিতে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে ইউআরএপি ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিং।

ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং বাই একাডেমিক পারফরম্যান্স (ইউআরএপি) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা সক্ষমতা ও একাডেমিক মান মূল্যায়নে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সূচক বিবেচনা করে। এগুলো হলো-

  • নাম্বার অব আর্টিকেলস
  • সাইটেশন ইমপ্যাক্ট 
  • টোটাল সায়েন্টিফিক ডকুমেন্টস 
  • আর্টিকেল ইমপ্যাক্ট টোটাল 
  • সাইটেশন ইমপ্যাক্ট টোটাল 
  • ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশন 

এসব সূচকের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার পরিমাণ ও মান, বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক গবেষণায় অবদান মূল্যায়ন করা হয়।

এই অর্জন গবেষণাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণ, উচ্চমানের গবেষণা প্রকাশনা বৃদ্ধি এবং একাডেমিক উন্নতি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির দীর্ঘদিনের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিআইইউর অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই গৌরবজনক অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, দেশি-বিদেশি অংশীদার এবং সকল স্টেকহোল্ডারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, গবেষণায় অবদান এবং একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতি অঙ্গীকারই ডিআইইউর এই আন্তর্জাতিক সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে।