• ই-পেপার

বিপিএসএসপিএ’র বার্ষিক সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ক্যাম্পেইনের মেয়াদ বাড়ল আগস্ট পর্যন্ত

‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল এসিআই’র ফ্রিডম ব্র্যান্ড

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল এসিআই’র ফ্রিডম ব্র্যান্ড
সংগৃহীত ছবি

এসিআই হাইজিন প্রোডাক্টস বিজনেস এর ফিমেল হাইজিন ব্র্যান্ড ‘ফ্রিডম’ আয়োজিত “স্কুটি নাকি গোল্ড?” ক্যাম্পেইনে এখন পর্যন্ত বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে ‘ফ্রিডম ফিয়েস্তা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের স্কুটি ও গোল্ড কয়েন হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি, ভোক্তাদের ব্যাপক সাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাম্পেইনটির মেয়াদ চলতি বরছের আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 

অনুষ্ঠানে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যাম্পেইনের বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, স্থপতি ও শিক্ষাবিদ অপি করিম। তিনি হাইজিন সেক্টরে ফ্রিডমের উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে এসিআই কনজ্যুমার বিজনেসের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, বিজনেস ডিরেক্টর খন্দকার ইশতিয়াক আহমদ, মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ডিরেক্টর মো. নাহিদ নেওয়াজ, জিএম সেলস মিজানুর রহমান, জিএম অপারেশনস দীপঙ্কর বিশ্বাস, ডিজিএম শেহরিন কামাল, পিজিএম আসির আওসাফসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিজনেস ডিরেক্টর খন্দকার ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা কেবল পুরস্কারই দিচ্ছি না, বরং ভোক্তাদের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের আস্থাকে উদযাপন করছি। বাংলাদেশের নারীদের নিরাপদ হাইজিন ও সুস্থতা নিশ্চিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আগামীতেও নারীদের দৈনন্দিন জীবনে সহায়ক এমন আরও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে আসবে ফ্রিডম। অনুষ্ঠানের শেষাংশে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতমের লাইভ পরিবেশনা, ম্যাজিক শো এবং স্ট্যান্ড-আপ কমেডি উপভোগ করেন অতিথিরা।

সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে মালিকানা পেলেন হাজার উদ্যোক্তা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে মালিকানা পেলেন হাজার উদ্যোক্তা
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ৩০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্ট ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’- এর এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল বুঝিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। 

শনিবার রাতে (২৫ জুলাই) রাজধানীর ধানমণ্ডিতে ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে জমকালো আয়োজন ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’-  অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম সংশ্লিষ্টদের হাতে এই দলিল তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এমপি। আরও উপস্থিত ছিলেন সুখের খামারের চারজন সম্মানিত উপদেষ্টা, ৪০ সদস্যের অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য এবং গণমাধ্যম কর্মীরা।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সৃজনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, শুধু চাকরি নয়, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। 

তিনি আরো বলেন, প্রতিটি খাতের অগ্রগতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সুখের খামারের মতো উদ্যোগের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সব সময় থাকবে। দেশের প্রতিটি পরিবারের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, ‘ফাউন্ডাররা আমাদের কাছে বিনিয়োগকারী নন- তাঁরা মালিক, প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা। তাঁদের আস্থার মর্যাদা রক্ষাই আমাদের প্রথম অঙ্গীকার।’ 

সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম অনুষ্ঠানে বর্তমান সময়ে এগ্রো ভিলেজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা শুধু একটি খামার বা রিসোর্ট গড়ছি না - আমরা এমন একটি মডেল গড়ছি যা ব্যবসার পাশাপাশি একটি গ্রামকে বদলে দেয়। আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করল, হাজারো মানুষ সেই স্বপ্নে বিশ্বাস রাখেন।’

এদিকে প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি ও সম্পদমূল্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় সুখের খামার এগ্রো ভিলেজের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে জুলাই ২০২৬ থেকে ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার মাত্র দেড় বছরের মধ্যে এই মূল্যবৃদ্ধি প্রাথমিক অংশীদারদের আস্থার প্রতিদান বলে উল্লেখ করেন আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্বে প্রত্যেক ফাউন্ডিং শেয়ারহোল্ডারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় তাঁদের জমির দলিল, শেয়ার সনদ, চুক্তিপত্র এবং সুখের খামার ফাউন্ডেশনের লাইফটাইম মেম্বারশিপ সনদ। আয়োজকরা জানান, শরীয়াহভিত্তিক মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত এই প্রকল্পে প্রতিটি অংশীদার সাফ কবলা দলিলে জমিসহ খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানা পাচ্ছেন — যা বাংলাদেশে এ ধরনের উদ্যোগে নজিরবিহীন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত দেড় বছরে পূর্ণাঙ্গ রিসোর্ট চালুর আগেই প্রকল্পটি পরিদর্শন করেছেন দুই হাজারের বেশি অতিথি, রাত্রিযাপন করেছেন নয় শতাধিক, এসেছেন সাতজন বিদেশি ভ্রমণকারী। প্রকল্পের মাধ্যমে বাগইল গ্রামে যুক্ত হয়েছে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান হয়েছে ৪০ জনের, ‘সুখের হাসি’ প্রকল্পে স্বাবলম্বী হয়েছেন ১০ জন নারী। সামনে রয়েছে ১০০ রুমের আন্তর্জাতিক মানের এগ্রো রিসোর্ট, জামে মসজিদ ও হাফিজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা নির্মাণের কর্মসূচিও।

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে নবীনদের বরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে নবীনদের বরণ
সংগৃহীত ছবি

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) গ্রিন রোডের স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্প্রিং-২০২৬ সেমিস্টারে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএপির ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান আলমজেব ফারজাদ আহমেদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, ডিস্টিংগুইসড প্রফেসর, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এবং  সৈয়দ এরশাদ আহমেদ, ডেপুটি চেয়ারম্যান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট, ম্যাক হোল্ডিংস (প্রাইভেট।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলমজেব ফারজাদ আহমেদ নবীন শিক্ষার্থীদের ইউএপি পরিবারে স্বাগত জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, সততা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শিক্ষাজীবন পরিচালনার আহ্বান জানান এবং তাদের জন্য একটি মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ তার বক্তব্যে উচ্চশিক্ষার জন্য ইউএপিকে বেছে নেওয়ায় শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান। তিনি জ্ঞান অন্বেষণে কৌতূহলী হওয়া, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার বিকাশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা ও শিক্ষকদের দিকনির্দেশনার সর্বোত্তম ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।

সৈয়দ এরশাদ আহমেদ বলেন, নবীনবরণ একজন শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নেতৃত্ব, দলগত কাজ এবং পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানান।

ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ-সুবিধার যথাযথ ব্যবহার, শৃঙ্খলা, সততা এবং আজীবন শিক্ষার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে ইউএপির রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. নজরুল ইসলাম এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. অলোক কুমার সাহা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নিয়ম-কানুন সম্পর্কে নবীন শিক্ষার্থীদের অবহিত করেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থী কল্যাণ অধিদপ্তরের (ডিএসডব্লিউ) ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. মোহাম্মদ রাকিব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব ও তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে নবীন শিক্ষার্থীদের ধারণা দেন।

এ সময় আরো বক্তব্য দেন- স্কুল অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ও ডিজাইনের ডিন অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ মোশতাক আহমেদ, স্কুল অব বিজনেসের ডিন অধ্যাপক ড. এম এ বাকী খলিলী; স্কুল অব ফার্মাসির ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহরিয়ার। অন্যদের মাঝে আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন সাবেক শিক্ষাথী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী, নবীন শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অভিভাবকদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে তাদের প্রত্যাশা এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

আশা ইউনিভার্সিটিকে পিএইচডি স্কলারশিপ দেবে ইন্দোনেশিয়ার নেগেরি পাদাং ইউনিভার্সিটি

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আশা ইউনিভার্সিটিকে পিএইচডি স্কলারশিপ দেবে ইন্দোনেশিয়ার নেগেরি পাদাং ইউনিভার্সিটি

আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানবিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে ইন্দোনেশিয়ার ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাং (Universitas Negeri Padang-UNP)-এর ফ্যাকাল্টি অব ম্যাথেমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্সেস (FMIPA) এবং আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (ASAUB)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১টায় আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস. এম. রেজাউল করিম এবং ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাংয়ের ফ্যাকাল্টি অব ম্যাথেমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্সেস-এর ডিন প্রফেসর ড. ইউলকিফলি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় শিক্ষা, গবেষণা, কমিউনিটি সার্ভিস, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একাডেমিক কার্যক্রমে দুই বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে কাজ করবে। এর মধ্যে রয়েছে যৌথ গবেষণা পরিচালনা, আন্তর্জাতিক সেমিনার ও সম্মেলনের আয়োজন, যৌথ গবেষণা প্রকাশনা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, পাবলিক লেকচার, ইন্টার্নশিপ, সমন্বিত ফিল্ড স্টাডি এবং অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা জোরদার এবং উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক র‌্যাংকিং উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়টিও সমঝোতা স্মারকে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাং কর্তৃপক্ষ আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের একজন শিক্ষার্থীকে মাস্টার্স অথবা পিএইচডি পর্যায়ে সম্পূর্ণ বৃত্তি (Full Scholarship) প্রদানের ঘোষণা দেয়। এ ঘোষণা দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার একাডেমিক সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করবে এবং আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অতিরিক্ত পরিচালক ড. মহিবুল আহসান এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীবিষয়ক পরিচালক ড. হাচিব মোহাম্মদ তুসার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হেলালউজ্জামান, ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্স এর ডিন প্রফেসর ড. আবু দাউদ হাসান, আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডীন সাইফুল আলম, রেজিস্ট্রার মো. জাফর সিদ্দিক, জনস্বাস্থ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. জেসমিন আখতার, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়ালীউল বারী, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার মোছা. জিনাত তারাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পাঁচ বছর মেয়াদি এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে। আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ মনে করে, এই আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগীতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

বিপিএসএসপিএ’র বার্ষিক সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত | কালের কণ্ঠ