• ই-পেপার

এসইও : আপনার ব্যবসায় সেল বৃদ্ধির গোপন অস্ত্র

নগদের মাধ্যমে দাঁড়াতে পারেন বন্যার্তদের পাশে

নগদের মাধ্যমে দাঁড়াতে পারেন বন্যার্তদের পাশে

দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নগদের মাধ্যমে প্রায় ২০০টি দাতব্য সংস্থায় দান করে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে পারেন সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা।

মানুষের এমন উদারতার সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করতে এই লেনদেনের ওপর সব ধরনের সার্ভিস চার্জ বা মাসুল মওকুফ করেছে নগদ। এর ফলে অনুদানের শতভাগ টাকাই নির্ধারিত দাতব্য সংস্থায় পৌঁছাবে। দাতা ব্যক্তিরা নগদ অ্যাপ ব্যবহার করে অথবা *১৬৭# ডায়াল করে সহজেই এই অনুদান দিতে পারবেন।

নগদ অ্যাপের মাধ্যমে অনুদান দিতে গ্রাহককে অ্যাপে ঢুকে ‘ডোনেশন’ আইকনটি ট্যাপ করতে হবে। এরপর পছন্দের পার্টনার বা সহযোগী সংস্থা ও অনুদানের পরিমাণ উল্লেখ করে পিন নম্বর দিয়ে লেনদেনটি সম্পন্ন করতে হবে। বিকল্প হিসেবে গ্রাহকরা ইউএসএসডি কোড *১৬৭# ডায়াল করেও দান করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে ডায়াল করার পর অনুদান অপশনে গিয়ে পছন্দের দাতব্য সংস্থা ও অনুদানের পরিমাণ লিখে পিন নম্বরের মাধ্যমে লেনদেনটি নিশ্চিত করতে হবে।

নগদের প্রধান সহযোগী সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম, আল-মার্কাজুল ইসলামী, সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট, জাগো ফাউন্ডেশন, মাস্তুল ফাউন্ডেশন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, সাজিদা ফাউন্ডেশন, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, হিউম্যান এইড বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন, কেকে ফাউন্ডেশন, তাসাউফ ফাউন্ডেশন, মিশন সেভ বিডি, শক্তি ফাউন্ডেশন এবং ফ্রেন্ডশিপ এনজিও।

নগদের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রয়োজনের সময় নগদের গ্রাহকেরা যাতে সহজেই আরেকজন মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন, সে জন্য দেশের শীর্ষস্থানীয় সব দাতব্য সংস্থা আমাদের প্ল্যাটফরমে যুক্ত রয়েছে। দান করার ক্ষেত্রে গ্রাহকের লেনদেনের ওপর কোনো রকম ফি বা চার্জও রাখা হয়নি। মানবতার ডাকে সাড়া দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ তার দায়িত্ব পালন করছে।’

সম্প্রতি টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্টি হওয়া আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। নগদ দেশের সব নাগরিককে এগিয়ে আসার এবং ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে জীবনরক্ষাকারী খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

টেকাথন ন্যাশনালস ২০২৬ : সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব

অনলাইন ডেস্ক
টেকাথন ন্যাশনালস ২০২৬ : সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির আইইউটি রোবটিকস সোসাইটি আয়োজিত টেকাথন ন্যাশনালস অ্যান্ড রোভার সামিট ২০২৬-এ দুটি বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

প্রতিযোগিতার হ্যাকাথন বিভাগে টিম টু আর জেএস (2R.JS) চ্যাম্পিয়ন হয়। দলের সদস্যরা হলেন— ফেরদৌস হাসান রাহিদ (সিএসই-৬৪), রুকাইয়া সুলতানা (সিএসই-৬৪), জিহাদুল ইসলাম (সিএসই-৬৪) এবং সানজিদা ইসলাম (সিএসই-৬৪)। 

অন্যদিকে পোস্টার প্রেজেন্টেশন বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টিম দি আউটলায়ার্স (The Outliers)। এ দলের সদস্যরা হলেন—আব্দুল্লাহ রহমান (সিএসই-৬২), সানজিদা ইসলাম (সিএসই-৬৪) এবং রুকাইয়া সুলতানা (সিএসই-৬৪)।

বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিযোগীদের সঙ্গে অংশ নিয়ে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা, গবেষণামুখী সক্ষমতা এবং কার্যকর দলগত নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রেখে নিজ নিজ বিভাগে শীর্ষস্থান অর্জন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এ অর্জন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের মানসম্মত শিক্ষা, গবেষণাভিত্তিক পাঠদান এবং উদ্ভাবনমুখী শিক্ষার প্রতিফলন। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে প্রযুক্তি শিক্ষা ও উদ্ভাবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরো সুসংহত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ভবিষ্যতের একাডেমিক ও পেশাগত জীবনের সফলতা কামনা করা হয়েছে।
 

কিউএস আফ্রিকা ফোরাম ২০২৬-এ এআইইউবির অংশগ্রহণ

অনলাইন ডেস্ক
কিউএস আফ্রিকা ফোরাম ২০২৬-এ এআইইউবির অংশগ্রহণ
সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আcvf শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কিউএস আফ্রিকা ফোরাম ২০২৬-এ অংশগ্রহণ করেছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)। গত ৯ ও ১০ জুলাই ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবার শেরাটন আদ্দিস হোটেলে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক ফোরামে এআইইউবি অংশগ্রহণ করে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ এবং উচ্চশিক্ষা খাতের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই ফোরামে উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রতিভা ধরে রাখা, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং টেকসই শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

‘স্কিলস, সিস্টেমস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই ফোরামে এআইইউবি বাংলাদেশের বেসরকারি উচ্চশিক্ষা খাতের সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং গবেষণার সম্ভাবনা তুলে ধরে। ফোরামের স্পন্সর ও সক্রিয় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এআইইউবি বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা সম্প্রদায়ের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা আরো জোরদার করেছে।

ফোরামে এআইইউবির প্রতিনিধিত্ব করেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জনাব ইশতিয়াক আবেদীন, ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অ্যাসোসিয়েট ডিন অধ্যাপক খন্দকার তাবিন হাসান এবং প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা জনাব আবু মিয়া আকন্দ তুহিন। ফোরাম চলাকালে এআইইউবি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এসব সমঝোতার মাধ্যমে যৌথ গবেষণা, শিক্ষার্থী বিনিময় এবং শিক্ষক বিনিময় কার্যক্রমের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। এআইইউবির পক্ষে এসব সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন জনাব ইশতিয়াক আবেদিন ও অধ্যাপক খন্দকার তাবিন হাসান। 

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে নতুন উদ্যোগ হিসেবে এআইইউবি, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) যৌথ উদ্যোগে কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম আয়োজনের বিষয়ে কিউএসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন জনাব ইশতিয়াক আবেদীন। প্রস্তাবিত কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বৈশ্বিক র‍্যাংকিং উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধি এবং বিশ্বমানের শিক্ষা ও গবেষণা চর্চার সঙ্গে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংযোগ আরও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কিউএস আফ্রিকা ফোরাম ২০২৬-এ এআইইউবি’র অংশগ্রহণ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচনের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

টেকসই ও অর্থবহ পর্যটন গড়ে তুলতে ড্যাফোডিলে জাতীয় সংলাপ

অনলাইন ডেস্ক
টেকসই ও অর্থবহ পর্যটন গড়ে তুলতে ড্যাফোডিলে জাতীয় সংলাপ

দেশের পর্যটন খাতের শীর্ষস্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় গোলটেবিল বৈঠক। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকার সাভারের বিরুলিয়ায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে ‘অর্থবহ পর্যটন: পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়নের প্রেক্ষাপট (মিনিংফুল ট্যুরিজম: প্রসপেক্টিভস অন প্ল্যানিং অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি)’ শীর্ষক এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

জার্মানির আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পর্যটন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. উলফগ্যাং জর্জি আর্ল্ট- এফআরজিএস, এফআরএএস আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং বাংলাদেশের পর্যটন খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে অর্থবহ মতবিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা তুলে ধরেন।

এ গোলটেবিল বৈঠকের উদ্দেশ্য হলো ‘অর্থবহ পর্যটন’ (মিনিংফুল ট্যুরিজম) ধারণাটিকে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরা, যার মাধ্যমে পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের এমন উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব- যা সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের জন্য বস্তুনিষ্ঠ সুফল এবং আত্মিক সন্তুষ্টি বয়ে আনবে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বাণিজ্য ও উদ্যোক্তাবৃত্তি অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক মাহাবুব পারভেজের সঞ্চালনায় ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রকিবুল কবিরের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে এ গোল টেবিল বৈঠক শুরু হয় হয়। এতে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক মো. জিয়াউল হক হাওলাদার ও অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) মো. জালাল উদ্দিন টিপু, পাটা বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল মো. তওফিক রহমান, নভো এয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান, ইন্টার কন্টিনেন্টাল ঢাকার পরিচালক (বিপণন) রিজওয়ান মারুফ, ওয়েস্টিন ঢাকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং পর্যটন শিল্পের বিশিষ্ট নেতারা অংশ নেন।

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, বিশ্ব পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এর সঙ্গে সঙ্গে পর্যটন খাতও বদলে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং পর্যটকদের নতুন চাহিদা ও আচরণ অনেক পুরনো ব্যবসায়িক মডেলকে অকার্যকর করে দিচ্ছে; তবে একইসঙ্গে  এটি নতুন সেবা ও গন্তব্য তৈরির সুযোগও সৃষ্টি করছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আগমন অত্যন্ত নগণ্য; মাথাপিছু পর্যটক সংখ্যার বিচারে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে নিচের সারিতে। অন্যান্য পর্যটন গন্তব্য যেসব ভুল করেছিল -যেমন প্রকৃতি ও সংস্কৃতির ক্ষতি, অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ (ওভার-ট্যুরিজম) এবং পর্যটন থেকে অর্জিত আয়ের সিংহভাগই দেশের বাইরে চলে যাওয়া-সেগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি খাত যদি সচেতন হয়, তবে এই চ্যালেঞ্জকে একটি সুযোগে রূপান্তর করা সম্ভব।

বক্তারা সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, বৈচিত্র্যময় ভূ-প্রকৃতি এবং প্রাণবন্ত জীববৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও পর্যটন গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি; যেমন : ২০২৫ সালে মাত্র ৬ লাখ ৫০ হাজার বিদেশি পর্যটক এখানে ভ্রমণে এসে ৪৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেছেন। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২ শতাংশেরও বেশি মানুষের আবাসস্থল হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পর্যটকদের মাত্র ০.০৫ শতাংশকে আকৃষ্ট করতে পেরেছে। অথচ বিশ্বের অর্ধেক জনগোষ্ঠীই বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে মাত্র চার ঘণ্টার দূরত্বের মধ্যে বসবাস করে। পর্যটকের সংখ্যার চেয়ে সেবার মানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এবং বিশেষ করে আঞ্চলিক উৎস-বাজারগুলোর জন্য বিশেষায়িত সেবা প্রদানের মাধ্যমে, একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগে একটি বৈশ্বিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে নিজের গুরুত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির দারুণ সুযোগ বাংলাদেশের সামনে রয়েছে।

এসইও : আপনার ব্যবসায় সেল বৃদ্ধির গোপন অস্ত্র | কালের কণ্ঠ