kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ৯ মার্চ ২০২১। ২৪ রজব ১৪৪২

জল-তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে হাইড্রোকো প্লাসের সঙ্গে কাজ করছে বড়তাকিয়া

অনলাইন ডেস্ক   

২১ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জল-তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে হাইড্রোকো প্লাসের সঙ্গে কাজ করছে বড়তাকিয়া

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো গবেষণা ও উন্নয়ন নির্ভর হাইড্রো-ইনফরম্যাটিকস (জল-তথ্যপ্রযুক্তি) নিয়ে হাইড্রোকো প্লাসের সঙ্গে কাজ শুরু করছে বড়তাকিয়া কনস্ট্রাকশন। এ যৌথ উদ্যোগে পানির পরিমাপ নিশ্চিত করবে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মাধ্যমে। এ প্রযুক্তিতে পানির গুণগত মান ও গতিবেগ নির্ধারণে ৩০ সেকেন্ড সময় লাগবে বলে জানান উদ্যোক্তারা।

বুধবার (২০ জানুয়ারি) হোটেল লা মেরেডিয়ানে এ দুই প্রতিষ্ঠানের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। বড়তাকিয়া কনস্ট্রাকশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট ও হাইড্রোকো প্লাসের প্রতিষ্ঠাতা রাজীন এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বড়তাকিয়া কনস্ট্রাকশনের পরিচালক তাসমিনা আহমেদ শ্রাবণী, প্রাক্তন গুলশান ক্লাবের সভাপতি ও রবিনটেক্স গ্রুপরে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু খায়ের সাখাওয়াত, মুন’স বুটিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসরিন জাহানসহ বড়তাকিয়া কনস্ট্রাকশন ও হাইড্রোকো প্লাসের কর্মকর্তারা।

এ অনুষ্ঠানে বড়তাকিয়া কনস্ট্রাকশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, ‘এ চুক্তির মাধ্যমে আমরা শুধু ব্যবসায়িক অগ্রগতির কথা ভাবিনি। আমরা এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করছি। এই প্রযুক্তি দিয়ে আমরা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে সক্ষম হবো। তাই এ চুক্তি শুধুমাত্র ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নয়। দেশ ও দশের কথা ভেবেই আমরা এ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছি।’

হাইড্রোকো প্লাসের প্রতিষ্ঠাতা রাজীন এ প্রযুক্তির উদ্যোক্তা হিসেবে জানান, তাদের লক্ষ্য হলো পানির কার্যকারিতা রিয়েল-টাইম সিদ্ধান্ত সমর্থিত আর্কিটেকচার তৈরির প্রয়াসে উন্নত ব্যয়বহুল হাইড্রো-মেট্রিক তথ্য সিস্টেমকে সংহত করা। এ প্রযুক্তিতে স্বয়ক্রিয়ভাবে পানির যে কোনো জীবাণু চিহ্নিত করা যাবে ৩০ সেকেন্ড সময়ে। তাই বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিতে এ প্রযুক্তি কার্যকর হবে। পাশাপাশি এ প্রযুক্তির মাধ্যমে পানির গতিবেগ ও গুণগত মান নির্ধারণ করা যাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা