• ই-পেপার

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের কমিটি অনুমোদন

কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর সাদ্দামের পাশে দাঁড়ালেন জবি ছাত্রদল নেতা

জবি প্রতিনিধি
কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর সাদ্দামের পাশে দাঁড়ালেন জবি ছাত্রদল নেতা
ছবি : কালের কণ্ঠ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটের পাশে ছোট একটি পানের দোকান চালায় সাদ্দাম। বয়স আনুমানিক ১০ বছর। সংসারের হাল ধরতে এই বয়সেই জীবিকার তাগিদে রাস্তায় নেমেছে সে। চার ভাই-বোন ও মায়ের দায়িত্ব অনেকটাই তার কাঁধে। পরিবারের খোঁজখবর নেন না বাবা। বড় ভাই জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। অভাব-অনটনের মধ্যেই পরিবারের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে সাদ্দাম।

সম্প্রতি কালের কণ্ঠে সাদ্দামের জীবনসংগ্রামের খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের। এরপর অসহায় এই শিশুর পাশে দাঁড়ান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন।

রবিবার (২১ জুন) সাদ্দামের সঙ্গে দেখা করে তার খোঁজখবর নেন শাহরিয়ার হোসেন। এ সময় তিনি সাদ্দামের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও তার পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

শাহরিয়ার হোসেন বলেন, ‘সাদ্দামের গল্প শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। যে বয়সে তার স্কুলে থাকার কথা, সেই বয়সে তাকে পরিবারের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। সমাজের বিত্তবান মানুষ ও দায়িত্বশীলদের এমন শিশুদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমার সামর্থ্যের জায়গা থেকে তার জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘সাদ্দামের মতো অসংখ্য শিশু দারিদ্র্যের কারণে শৈশব হারাচ্ছে। তাদের শিক্ষা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ছাত্রদল সব সময় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।’

ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই ছাত্রদল পরিবার সাদ্দামের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। আমরা চাই, সমাজের অন্যান্য সংগঠন ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরাও এমন শিশুদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসুক। সম্মিলিত উদ্যোগেই তাদের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।’

সহায়তা পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে সাদ্দাম ও তার পরিবার বলে, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এভাবে এগিয়ে এলে আমাদের মতো পরিবারগুলোর কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।

সুনামগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থীদের অনির্দিষ্টকালের ক্লাস বর্জন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থীদের অনির্দিষ্টকালের ক্লাস বর্জন
ছবি: কালের কণ্ঠ

সুনামগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল দ্রুত চালু এবং একাডেমিক সংকট নিরসনের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২১ জুন) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে এ ঘোষণা দেন তারা। এ সময় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ থেকে বের হয়ে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, হাসপাতাল চালু না হওয়ায় তারা প্রয়োজনীয় ক্লিনিক্যাল ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে চিকিৎসাশিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে এবং পেশাগত দক্ষতা অর্জনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শিক্ষার্থী পিয়াস চন্দ্র দাস, সাইদুল ইসলাম সাকিব, শাহপরান, কায়েস আব্দুল্লাহ জামাল, রাফাত রেজা আকাশ, ফারজান আহমেদ মিম, তামিমা রহমান ও শামসিয়া তাবাসসুম মাইশা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, গত বছর হাসপাতাল চালুসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি। বারবার আশ্বাসের পরও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, হাসপাতাল চালু এবং পূর্বে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের ক্লাস বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে দাবি আদায়ে গড়িমসি হলে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

পরীক্ষা নাকি ফলাফলের ভিত্তিতে একাদশে ভর্তি?

অনলাইন ডেস্ক
পরীক্ষা নাকি ফলাফলের ভিত্তিতে একাদশে ভর্তি?
সংগৃহীত ছবি

সপ্তাহখানেক আগে শেষ হয়েছে চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এরই মধ্যে কলেজের একাদশ ও মাদরাসার আলিমে ভর্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ভর্তিতে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হওয়ায় একাদশ শ্রেণির ভর্তি কীভাবে হবে এ নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন তারা।

গত ২১ এপ্রিল দেশব্যাপী একযোগে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়ে ২০ মে শেষ হয়। ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত চলে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

এ বছর মাদরাসা ও কারিগরিসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। ইতিমধ্যে আগামী ২০ জুলাই এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এদিকে, গত ১৬ মার্চ সরকার এক পরিপত্রে মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তিতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা লটারি পদ্ধতি বাতিল করে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। ওই দিন সংবাদ সম্মেলনেও বিষয়টি তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের ভর্তিতে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এর আগে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিকের ভর্তিতেও লটারির পরিবর্তে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কোন পদ্ধতিতে হবে একাদশ শ্রেণির ভর্তি?

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২১ জুন) এ সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওই সভায় সবদিক বিবেচনা করে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করা হবে, যা আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, সকল বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকরা নীতিমালা নির্ধারণে একটি সভা করবেন। সভা শেষে খসড়া নীতিমালা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় যে সিদ্ধান্ত নিবে, তাই বাস্তবায়ন করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, আগের নিয়ম অনুযায়ী এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হতে পারে।

প্রতিবছর ভর্তির আগে শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা প্রণয়ন করে থাকে সরকার। সর্বশেষ ২০২৫ সালের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নীতিমালায় কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

ওই নীতিমালা অনুযায়ী, কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। এ ছাড়া ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে, যা মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। বাকি ৭ শতাংশের মধ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রয়েছে।

এদিকে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে নিজেদের স্বতন্ত্র ভর্তি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসছে সনামধন্য কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য লিখিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—নটর ডেম কলেজ, হলি ক্রস কলেজ, সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল এবং সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ। মেধার ভিত্তিতে কলেজগুলোতে আবেদন প্রক্রিয়া যেমন আলাদা, তেমনি লিখিত পরীক্ষা নেওয়া এই চার কলেজের নিয়ম-কানুনও বিশেষভাবে অনুসরণযোগ্য।

কুবিতে ছাত্রদলের উদ্যোগে জায়ান্ট স্ক্রিনে ফুটবল বিশ্বকাপ

কুবি প্রতিনিধি
কুবিতে ছাত্রদলের উদ্যোগে জায়ান্ট স্ক্রিনে ফুটবল বিশ্বকাপ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মুক্তমঞ্চে চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের নক আউট পর্বের সব খেলা বড় পর্দায় দেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে শাখা ছাত্রদল।

শনিবার (২০ জুন) কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে ছাত্রদল, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস ক্লাবের থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় খেলা দেখানোর জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু স্পন্সরের ব্যবস্থা না হওয়ায় প্রশাসন আপাতত নাকচ করে দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে ফিরলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। তবে এর মাঝেই ছাত্রদলের উদ্যোগে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, কুবি শিক্ষার্থীরা জায়ান্ট স্ক্রিনে ফুটবল বিশ্বকাপ দেখানোর জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জানায়। তবে স্পন্সর সংক্রান্ত সমস্যা থাকায় সেটা সম্ভব হয়নি। তাই আমরা কুবি ছাত্রদলের উদ্যোগে মুক্তমঞ্চে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখানোর আয়োজন করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে খেলা দেখতে আসার আহ্বান রইল।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের কমিটি অনুমোদন | কালের কণ্ঠ