• ই-পেপার

শিক্ষকদের আলাদা পে স্কেল গঠনের প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর

সরকারি কলেজের ১৪৫ প্রদর্শককে পদোন্নতি

অনলাইন ডেস্ক
সরকারি কলেজের ১৪৫ প্রদর্শককে পদোন্নতি

দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে কর্মরত ১৪৫ জন প্রদর্শককে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার (২০ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সরকারি কলেজে প্রদর্শক পদটি মূলত দশম গ্রেডের। এখন ১৪৫ জন প্রদর্শক প্রভাষক পদে পদোন্নতি পেয়ে নবম গ্রেডে উন্নতি হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রসায়ন বিষয়ে ৩০ জন, প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে ৩৩ জন, পদার্থবিজ্ঞানে ৩০ জন, মৃত্তিকা বিজ্ঞানে একজন, পরিসংখ্যানে একজন, ভূগোলে ৮ জন, মনোবিজ্ঞানে ২ জন, উদ্ভিদবিজ্ঞানে ৩০ জন, গণিতে তিনজন, কম্পিউটারে একজন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে একজন, গার্হস্থ্য অর্থনীতিতে তিনজন এবং জীববিজ্ঞানে ২ জন প্রদর্শককে এই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের গত ৭ মের একটি স্মারক পত্রের সুপারিশ মোতাবেক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সরকারি কলেজসমূহে কর্মরত বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শক (দশম গ্রেড) পদের এসব কর্মকর্তাদেরকে (জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৯ম গ্রেড, টাকা ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা) বেতনক্রমে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রভাষক পদে পদোন্নতিসহ পদায়ন করা হলো।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত নির্দেশনাবলি অনুযায়ী পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের বিমুক্তি ও যোগদান প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরো বলা হয়, আগামী ২১ জুলাই তারিখে অপরাহ্ণ ৪টার মধ্যে আবশ্যিকভাবে বদলীকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় ১০৮৫ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় ১০৮৫ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত নোটিশ
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিন ধরে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় ১ হাজার ৮৫টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের চূড়ান্ত তাগিদ পাঠিয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সর্বশেষ কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার (২০ জুলাই) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বোর্ডের জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, জাতীয় দক্ষতামান বেসিক (৩৬০ ঘণ্টা মেয়াদি) শিক্ষাক্রমের আওতায় পরিচালিত যেসব প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে না, সেগুলোর জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৬ সেশন থেকে ভর্তি কার্যক্রম কেন স্থগিত করা হবে না এবং প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল করা হবে না—এ বিষয়ে পূর্বেও দুই দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

সর্বশেষ গত ১ জুলাই প্রেরিত চিঠিতে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে জবাব দেওয়ার অনুরোধ করা হলেও নির্দেশিত ১ হাজার ৮৫টি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা বোর্ডে জমা দেওয়া হয়নি।

এমতাবস্থায় বিষয়টিকে ‘চূড়ান্ত তাগিদ’ হিসেবে গণ্য করে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে যথাযথ কারণ দর্শিয়ে লিখিত ব্যাখ্যা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কোনো বক্তব্য নেই বলে ধরে নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট কোর্সের নিবন্ধন বাতিলসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, অনুমোদন বাতিলের প্রক্রিয়ায় থাকা ১ হাজার ৮৫টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ তালিকা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে জাতীয় গবেষণা সম্মেলন ‘NICSDG-2026’ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে জাতীয় গবেষণা সম্মেলন ‘NICSDG-2026’ অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

‘টেকনোলজি, জাস্টিস এবং ইনস্টিটিউশনাল রেজিলিয়েন্স ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেটের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো দুই দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল ইন্টারডিসিপ্লিনারি কনফারেন্স অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস ২০২৬’ (NICSDG-2026)। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটি’র আয়োজনে গত ১৭ ও ১৮ জুলাই (শুক্রবার ও শনিবার) সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে ও শিক্ষকদের দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এই সম্মেলনকে জাতীয় পর্যায়ের এক অনন্য একাডেমিক মাইলফলক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্মেলন উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে ‘Book of Abstract of NICSDG-2026’। প্রকাশনাটিতে রয়েছে নিজস্ব ডিজিটাল অবজেক্ট আইডেন্টিফায়ার—ডিওআই (DOI: https://doi.org/10.5281/zenodo.21369523)। এ ছাড়া আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর থেকে প্রকাশনাটি কপিরাইট এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বুক নম্বর (ISBN : 978-984-37-0654-6) অর্জন করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটির বিশিষ্ট একাডেমিক ও গবেষক অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অধ্যাপক ড. আহমেদ সায়েম, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মোহাম্মদ ইশরাত ইবনে ইসমাইল, রেজিস্ট্রার খন্দকার মকসুদ আহমেদ, কনভেনার মো. জিয়াউর রহমান, কো-কনভেনার মো. আমজাদ হোসেন ও মো. শাদমান শাকিবসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধানেরা।

প্রথম দিনের প্রথম ‘রিসার্চ কলোকিয়াম’-এ মূল বক্তা অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণ মেধাবী মনগুলো যেভাবে গবেষণায় আগ্রহী হয়ে উঠছে, তা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। এই অনুসন্ধিৎসা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক গবেষণার মানচিত্রে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।’ কলোকিয়াম শেষে তাকে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটি’র পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। পরে একাধিক কক্ষে সমান্তরাল সেশনে (প্যারালেল সেশন) দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।

দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় কলোকিয়ামে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. মো. মামুন হাবিব। তিনি বলেন, ‘জীবনে ১০০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছি, কিন্তু শিক্ষকমণ্ডলীর দিকনির্দেশনায় সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীদের দ্বারা আয়োজিত এমন বিশ্বমানের সম্মেলন এই প্রথম দেখলাম।’ পরে আয়োজিত তৃতীয় কলোকিয়ামে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. সায়েম।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ী গবেষকদের হাতে ‘বেস্ট প্রেজেন্টার অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মো. তাহের বিল্লাল খলিফা ও প্রক্টর সৈয়দ নাকিব সাদী। শেষে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গালা নাইট’র মধ্য দিয়ে সম্মেলন সমাপ্ত হয়।

আয়োজকরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইমেরিটাস ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান তানভীর রহমান চৌধুরীর দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং সিফাত ইকবাল, শাহরিয়ার আলম মেহেদী তাপাদার, মো. তারেক মিয়া ও শাহ ফজলে এলাহীর সমন্বয়ে গঠিত কনফারেন্স সেক্রাটেরিয়েটের অক্লান্ত পরিশ্রমে সম্মেলনটি সফল হয়েছে।

সম্মেলনে স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেছে R&C Education, Peony, Level Up Academy, UDRIVE, SOTE, HAMAMA এবং M/S. Jony Enterprise। মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক কালের কণ্ঠ, আজকের পত্রিকা ও এনটিভি এবং ফটোগ্রাফি পার্টনার ছিল ADU Clicks।

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে লোগো, রিলস, মাসকট, স্লোগান ও থিম সং পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ উপলক্ষে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সোমবার (২০ জুলাই) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের শারীরিক শিক্ষা বিভাগ।

এতে বলা হয়, প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ উপলক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে লোগো, রিলস, মাসকট, স্লোগান ও থিম সং আহ্বান করা যাচ্ছে। আগামী ২৮ জুলাই এর মধ্যে এগুলো তৈরি করে [email protected] মেইলে প্রেরণ করতে বলা হয়েছে। লোগো পিএনজি, জেপিজি এবং জেপিইজি ফরমেটে প্রেরণ করতে হবে। রিলস তৈরি করে উল্লিখিত ই-মেইলে লিংক প্রেরণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, রিলস অবশ্যই শিক্ষার্থীদের (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের) ফুটবল খেলা সম্পর্কিত হতে হবে। থিম সং তৈরি করে ওয়ার্ড ও পিডিএফ ফরমেটে ই-মেইলে পাঠাতে হবে। মাসকট তৈরি করে ই-মেইলে পাঠাতে হবে। স্লোগানও ই-মেইলে পাঠাতে বলা হয়েছে

এতে উল্লেখ করা হয়, উপরোল্লিখিত তথ্য প্রেরণের সঙ্গে একটি সচল মোবাইল নম্বরসহ যোগাযোগের ঠিকানা প্রেরণ করতে হবে। লোগো, রিলস, মাসকট, স্লোগান ও থিম সং তৈরি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদেরকে প্রধানমন্ত্রী পুরস্কৃত করবেন। ইতিমধ্যে যারা লোগো, রিলস ও থিম সং প্রেরণ করেছেন তাদের নতুন করে পাঠানোর প্রয়োজন নেই।