• ই-পেপার

জুলাইয়ের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার

দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

দেশের বাজারে গত ১৪ জুলাই সর্বশেষ ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয় সোনার দাম। ওই দিন ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এরপর আর সোনার দামে সমন্বয় হয়নি। ফলে আজ মঙ্গলবার সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে। 

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

 

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য।

স্বর্ণালঙ্কার ও রুপার গয়না বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
 

মার্জিন বিধিমালার খসড়া সংশোধনে মতামত চেয়েছে বিএসইসি

অনলাইন ডেস্ক
মার্জিন বিধিমালার খসড়া সংশোধনে মতামত চেয়েছে বিএসইসি

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালার খসড়া সংশোধনী বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত, পরামর্শ ও আপত্তি আহ্বান করেছে।

বিএসইসির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খসড়া সংশোধনীর ওপর মতামত গ্রহণের লক্ষ্যে আজ (২০ জুলাই) বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কমিশনের ওয়েবসাইটেও খসড়া সংশোধনী প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে কমিশনে লিখিতভাবে মতামত, পরামর্শ বা আপত্তি পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিএসইসি জানায়, সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী কোনো বিধিমালা প্রণয়ন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণ একটি স্বাভাবিক ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া। সেই ধারাবাহিকতায় খসড়া সংশোধনী জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, প্রাপ্ত মতামত, পরামর্শ ও আপত্তি গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন বা পরিমার্জন শেষে বিধিমালাটি চূড়ান্ত করে সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হবে।

বর্তমানে প্রকাশিত খসড়া সংশোধনী কেবল একটি প্রস্তাবনা, এটি কোনো চূড়ান্ত সংশোধনী নয়। তাই অসম্পূর্ণ তথ্য বা ভুল ব্যাখ্যার ভিত্তিতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো কারণ নেই বলেও বিএসইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কমিশনের মতে, প্রস্তাবিত সংশোধনীর উদ্দেশ্য হলো- বিদ্যমান বিধিমালাকে আরও সহজ, বাস্তবসম্মত, ব্যবহারবান্ধব ও কার্যকর করা। অংশীজনদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে এমন একটি বিধিমালা প্রণয়ন করা হবে, যা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের পাশাপাশি পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

বিএসইসি সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে গঠনমূলক মতামত দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে যথাযথ ধারণা নিয়ে খসড়া সংশোধনী পর্যালোচনা করা হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি বা উদ্বেগের সৃষ্টি হবে না।

চার প্রতিষ্ঠানের ৮ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
চার প্রতিষ্ঠানের ৮ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় চারটি প্রতিষ্ঠানের আটটি ভেরিয়েন্টের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। 

সোমবার (২০ জুলাই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানায়, পরীক্ষায় এসব পণ্যে মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ, মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর অণুজীবের উপস্থিতি এবং নির্ধারিত মানের ব্যত্যয় ধরা পড়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

বিএসটিআই জানায়, ফ্রেশ গার্ডেন এগ্রো রিসোর্সেসের আমের আচারের একটি ব্যাচে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি প্রিজারভেটিভ পাওয়া গেছে। এছাড়া বেলিসিমো ব্র্যান্ডের রোটোন্ডো হ্যাজেলনাট কোটেড চকোলেট আইসক্রিমের একটি ব্যাচে বাংলাদেশ মান অনুযায়ী নির্ধারিত মাত্রার তুলনায় টোটাল মিল্ক সলিড নন-ফ্যাট বেশি পাওয়া গেছে। 

অপরদিকে অলিভ বাংলাদেশ লিমিটেডের লাবণ্য ব্র্যান্ডের মিল্ক স্কিন লোশন, অ্যালোভেরা স্কিন লোশন, অলিভ ও লাবণ্য ব্র্যান্ডের ফেসওয়াশ মোরিংগা-মাচা, ফোমিং মিল্ক ও তুলসী— প্রতিটির একটি ব্যাচে এবং লাবণ্য ব্র্যান্ডের অ্যালোভেরা শ্যাম্পুর একটি ব্যাচে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অণুজীবের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।  

এ ছাড়া ডেকো ফুডস লিমিটেডের ডেকো ফ্রুট ফান্ডা ব্র্যান্ডের ম্যাংগো ও অরেঞ্জ ভেরিয়েন্টের সফট ড্রিংক পাউডারের একটি ব্যাচে বাংলাদেশ মানদণ্ড অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মাত্রার তুলনায় ভিটামিন ‘সি’ কম পাওয়া গেছে। 

বিএসটিআই জানিয়েছে, পরীক্ষায় অকৃতকার্য এসব পণ্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইতিমধ্যে প্রত্যাখ্যানপত্র দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পণ্যের লাইসেন্স নবায়ন বা পুনরায় অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত উৎপাদন, বিক্রি ও বিতরণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

জনস্বার্থ ও ভোক্তা সুরক্ষার স্বার্থে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের উৎপাদিত এসব পণ্য দেশের সব পরিবেশক, ডিলার, খুচরা বিক্রেতা ও বাজার থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা, তা নিবিড়ভাবে তদারকি করবে বিএসটিআই। নির্দেশনা অমান্য করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। 

বিএসটিআই আরো বলেছে, জাতীয় মান অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা প্রতিটি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনস্বার্থ ও ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সংস্থাটি বদ্ধপরিকর।  

বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, “জনগণ যাতে মানসম্মত পণ্য কিনতে পারেন, সে বিষয়ে বিএসটিআই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন।  

একই সঙ্গে কোনও পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা বা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে তা দ্রুত সংস্থাটিকে জানানোর জন্য ভোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।  

বন্ধের মুখে জনতা ব্যাংকের সংযুক্ত আরব আমিরাতের কার্যক্রম

অনলাইন ডেস্ক
বন্ধের মুখে জনতা ব্যাংকের সংযুক্ত আরব আমিরাতের কার্যক্রম

রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) চারটি শাখা বন্ধের পথে। মূলধন সংকটের কারণে ব্যাংকটির এসব শাখা বন্ধ হতে পারে বলে জানা গেছে। ব্যাংকটির এসব শাখার বিদ্যমান ব্যবসা ধাপে ধাপে গুটিয়ে ফেলার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইউএই কেন্দ্রীয় ব্যাংক (সিবিইউএই)।

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সিবিইউএই তাদের কাছে থাকা জনতা ব্যাংকের এই শাখাগুলোর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার ওপর (ডেবিট লেনদেন) নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। একইসঙ্গে নতুন গ্রাহক হিসাব খোলা বন্ধ রাখতে বলেছে।

এসব নির্দেশনার কারণ হিসেবে সিবিইউএই উল্লেখ করেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিশোধিত মূলধন রাখতে না পারা এবং জনতা ব্যাংকের বাংলাদেশের সামগ্রিক কার্যক্রমের সংকটাপন্ন পরিস্থিতি।

এসব নির্দেশনা জানিয়ে সিবিইউএইর সহকারী গভর্নর আহমেদ সাঈদ আল কামজি গত ৮ জুলাই জনতা ব্যাংকের সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামানকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে কামরুজ্জামানকে বিষয়টি জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পর্যদের সিদ্ধান্ত দ্রুত জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিবিইউএই এর নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতস্থ জনতা ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন হওয়ার কথা ৪০০ মিলিয়ন দিরহাম। বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ১০০ মিলিয়ন দিরহাম। ঘাটতি ৩০০ মিলিয়ন দিরহাম বা প্রায় ১০০০ কোটি টাকা (প্রতি দিরহাম ৩৩.৫০ টাকা ধরে)। এই ঘাটতি পূরণ না করলে ব্যাংকটির কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছে আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কারণ পর্যাপ্ত পরিশোধিত মূলধন না থাকলে গ্রাহকদের আমানতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এর আগে ২০২২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে জনতা ব্যাংক ইউএই শাখার পরিশোধিত মূলধন ৭৫ মিলিয়ন থেকে ১০০ মিলিয়ন দিরহামে উন্নীত করেছিল। তবে সেটিও বর্তমান নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণের জন্য যথেষ্ট হয়নি।

গত ৯ জুলাই ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে এসংক্রান্ত তথ্য জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জনতা ব্যাংকের ইউএই শাখার প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ইউএই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শাখাগুলোকে নতুন গ্রাহক সম্পর্ক স্থাপন থেকে বিরত থাকতে হবে এবং বিদ্যমান কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে। তিনি এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে পরিচালনা পর্ষদের নির্দেশনা চেয়েছেন।

গত ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৮৮৪তম সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সমন্বয়ে জরুরি বৈঠক প্রয়োজন।

জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ মজিবুর রহমান বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের নিয়ম অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর কথা জানিয়েছে। এখন ব্যাংকের পক্ষ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পর্যায়ক্রমে পরিশোধিত মূলধন বাড়িয়ে ৪০০ মিলিয়ন দিরহামে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। জনতা ব্যাংক তিন বছর ধরে পর্যায়ক্রমে এই পরিশোধিত মূলধন সৃষ্টি করার পরিকল্পনা জানিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ প্রস্তাবে রাজি না হলে সরকারের সহায়তা নিয়ে পরিশোধিত মূলধন বাড়ানো হবে।’

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশে জনতা ব্যাংকের সংকটময় পরিস্থিতির কারণে যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে মজিবুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের সামগ্রিক ব্যাংকিং খাত নিয়েই বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের উদ্বেগ রয়েছে। কারণ জাতীয়ভাবে ব্যাংক খাতে ২০%-এর বেশি খেলাপি ঋণ উদ্বেগেরই। সেক্ষেত্রে জনতা ব্যাংকের ৭০% ঋণ খেলাপি হয়ে পড়েছে। এটা অবশ্যই উদ্বেগের। তবে এরমধ্যেও ব্যাংকটি টিকে আছে। ব্যাংকের এসএলআর ঠিক আছে। কৃষি ও ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করা হচ্ছে। সরকারের এলসি খোলা হচ্ছে এবং তার সেটেলমেন্ট করা হচ্ছে। সাধারণ এলসিও খোলা হচ্ছে। নতুন নতুন কার্ড ইস্যু করা হচ্ছে। ইনোভেশনে এগিয়ে রয়েছে জনতা ব্যাংক। মাসে ১২৫ কোটি টাকা বেতন দেওয়া হচ্ছে কোনো ধরনের ধারদেনা ছাড়াই।’

শিগগিরই ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশাব্যক্ত করেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ মজিবুর রহমান।