• ই-পেপার

এনজিও ঋণ ও সঞ্চয়ের কিস্তি পরিশোধ সবচেয়ে সহজ বিকাশে

দাম কমার পর যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
দাম কমার পর যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনা
সংগৃহীত ছবি

সব শেষ দেশের বাজারে দুই দফা সোনার দাম কমানো হয়েছে। এখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ শুক্রবার ওই দামেই বিক্রি হচ্ছে সোনা। 

নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে গত ১৩ জুলাই সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গয়নার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো বাড়ল

অনলাইন ডেস্ক
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো বাড়ল

দেশে আরো বেড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। বর্তমানে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৬৬৪ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার। 

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম মুনসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই যুগ্ম পরিচালক জানান, ১৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৬ হাজার ৬৬৪ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী যার পরিমাণ ৩১ হাজার ৯৬৬ দশমিক ২১ মিলিয়ন বা ৩১ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের প্রথম ১৪ দিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ (১ দশমিক ৫৪২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি। এরমধ্যে শুধু ১৪ জুলাই একদিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১১ কোটি ৫০ লাখ (১১৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আবেদুর রহমান সিকদার

অনলাইন ডেস্ক
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আবেদুর রহমান সিকদার

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আবেদুর রহমান সিকদার। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তিনি ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেন।

এর আগে গত ২৯ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক তাঁকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগের জন্য অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেয়।

তারও আগে ২৩ জুন অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় তাঁর নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি আজ আনুষ্ঠানিকভাবে কাজে যোগ দেন।

দায়িত্ব গ্রহণের আগে আবেদুর রহমান সিকদার বেসরকারি ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ব্যাংকিং খাতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নতুন প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি অর্থবছরে জিডিপি ৩.৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে : আইএমএফ

অনলাইন ডেস্ক
চলতি অর্থবছরে জিডিপি ৩.৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে : আইএমএফ

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি শ্লথ হয়ে ৩.৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে প্রাক্কলন করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। 

সংস্থাটি বলেছে, দেশের রাজস্ব সংগ্রহ জোরদার, ফিসকাল স্পেস (আর্থিক সক্ষমতা) তৈরি এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা দূর করতে দৃঢ় সংস্কার পদক্ষেপ নেওয়া না হলে মধ্যমেয়াদে এই প্রবৃদ্ধির হার আরও দুর্বল হয়ে ৩ শতাংশের নিচে নেমে যেতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে আইএমএফ-এর বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনার একথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘রাজস্ব সংগ্রহ জোরদার, আর্থিক সক্ষমতা তৈরি ও ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য সুনির্দিষ্ট সংস্কারের অনুপস্থিতিতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩.৫ শতাংশে নেমে আসার এবং মধ্যমেয়াদে তা আরো দুর্বল হয়ে ৩ শতাংশের নিচে নেমে যাওয়ার প্রাক্কলন করেছেন।’

তিনি আরো সতর্ক করেন যে, ব্যাংকিং খাতের ধকল, রাজস্ব চ্যালেঞ্জ এবং বাহ্যিক চাপের সম্মিলিত প্রভাবে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ঝুঁকি এখনো নেতিবাচক দিকেই ঝুঁকে রয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে আইএমএফ সমর্থিত নতুন একটি ঋণ কর্মসূচির অনুরোধের প্রেক্ষিতে ইভো ক্রজনার-এর নেতৃত্বে আইএমএফ-এর একটি কর্মী দল গত ১২ থেকে ১৬ জুলাই বাংলাদেশ সফর করে। এই মিশন সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করে এবং সরকারের সংস্কার অগ্রাধিকারগুলো নিয়ে আলোচনা করেছে।

আইএমএফ-এর মতে, বাংলাদেশ এখনো উল্লেখযোগ্য রাজস্ব, আর্থিক ও মূল্যস্ফীতিজনিত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে আরও তীব্র রূপ নিয়েছে।

এনজিও ঋণ ও সঞ্চয়ের কিস্তি পরিশোধ সবচেয়ে সহজ বিকাশে | কালের কণ্ঠ