kalerkantho

‘প্রমাণিত হলো, সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে খেলাপি ঋণ কমানো যাবে না’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ আগস্ট, ২০১৯ ০৮:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘প্রমাণিত হলো, সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে খেলাপি ঋণ কমানো যাবে না’

ফাইল ফটো

ঋণখেলাপিদের নানা সুবিধা ঘোষণার মধ্যেই ব্যাংক খাতে মোট খেলাপি ঋণ বেড়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিন মাসে নতুন করে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। জুন শেষে অবলোপন বাদে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ ১২ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। আর অবলোপনসহ খেলাপি ঋণের পরিমাণ দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এর মানে খেলাপি ঋণ পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। কারণ খেলাপি ঋণ আদায়ের ব্যাপারে যে সর্বাত্মক চেষ্টা করা উচিত, সেটা আসলে হচ্ছে না। উল্টো ঋণখেলাপিদের ছাড় দিতে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। ঋণ অবলোপনের সময়সীমা পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে। ঋণ শ্রেণীকরণের সময়সীমায়ও ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিশেষ পুনঃ তফসিল নীতিমালা করা হয়েছে। এসব সুবিধা দেওয়ার কোনোই যৌক্তিকতা নেই।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বলেন, ‘এত কারচুপির পরও খেলাপি ঋণ কমেনি। খেলাপি ঋণের সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। পুনঃ তফসিলের নীতিমালা শিথিল করা হয়েছে। এর মাধ্যমে খেলাপিদের অনেক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবু খেলাপি ঋণ কমেনি। এ থেকে বোঝা যায়, সুযোগ-সুবিধা দিয়ে খেলাপি ঋণ কমানো যাবে না। বরং এ ধরনের সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে আশকারা পেয়ে খেলাপিরা আরো অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা