বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও তালিমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, ‘কুরআন-হাদিসের আলোকে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সব মোয়াল্লেমকে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘কুরআন হচ্ছে আল্লাহকে পাওয়ার উত্তম মাধ্যম।’
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে ফেনী জেলা তালিমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক মোয়াল্লেম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, কুরআনকে যাঁরা বুকে ধারণ করেছিলেন তারা ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও হাসতে পারেন। তিনি বলেন, ‘এই কুরআনের মাধ্যমে সমাজকে পরিবর্তন করতে হবে। কুআনের আলোয় আমরা নিজে আলোকিত হব, পরিবার সমাজ ও দেশকে আলোকিত করব।
ফাউন্ডেশনের জেলা পরিচালক মাওলানা আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে ও ফাউন্ডেশনের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল আহসানের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমির অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, জেলা আমির মুফতি আব্দুল হান্নান, নোয়াখালী জেলার সাবেক আমীর মাওলানা আলাউদ্দিন, ফেনী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক আবু ইউসুফ ও মাওলানা মাহমুদুল হক এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিম।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবু ইউসুফ, জেলা প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আনম আবদুর রহিম, জেলা সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. ইলিয়াস, শহর আমির ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
বিশেষ অতিথি অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া মুয়াল্লেমদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে না নিয়ে একে মিশনারি কাজ হিসেবে নেবেন। তিনি বলেন, এটাকে কুরআনের খেদমত হিসেবে গ্রহণ করতে হবে এবং সব ক্ষেত্রে আখেরাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।’
জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আব্দুল হান্নান বলেন, কুরআনের চর্চা যত বেশি হবে সমাজ থেকে তত বেশি পাপ-পঙ্কিলতা দূর হবে। তিনি ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে কুরআনের চর্চা বেগবান করার আহ্বান জানান।
এ সময় ৪৫ দিনব্যাপী মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ ৭ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এদের মধ্যে ফেনী শাখার ছিলেন ৪ জন ও ফেনী সদর শাখার ছিলেন ৩ জন। এ ছাড়া প্রশিক্ষকদের মাঝে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।