• ই-পেপার

মেটিক্যুলাস ডিজাইনের অংশ হিসেবেই ছাত্রদের মধ্যে বিভক্তি : জাসদ

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বাসস
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

দেশে অব্যাহত অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার দলের দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম-সম্পাদক পদমর্যাদা) আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্যা ও বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটসমূহের নেতৃবৃন্দকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়, বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার, শিশুখাদ্য, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণের পাশাপাশি শিশু, নারী, বয়স্ক, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়া বন্যাকবলিত এলাকায় পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ পানি ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সারা দেশের বন্যাকবলিত জেলা ও মহানগর আওতাধীন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সব ইউনিটের নেতৃবৃন্দকে এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন দলের সভাপতি এস এম জিলানী এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। 

দেশে ১০০ বছরেও আর গণঅভ্যুত্থান হবে না : রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ১০০ বছরেও আর গণঅভ্যুত্থান হবে না : রুমিন ফারহানা

বাংলাদেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণঅভ্যুত্থান হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনীতি : সংকট, সম্ভাবনা ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘যত সহজে আপনারা বলেন আরেকটা গণঅভ্যুত্থান আমরা করব, বাংলাদেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না। গণ-অভ্যুত্থানে যে স্বপ্ন ছিল চব্বিশে, শেষবারের মতো মানুষ তার জীবন বাজি রেখেছিল। তারপর যখন দেখল, এটা কতিপয় মানুষের নিজস্ব সম্পত্তি, এটা বাংলাদেশে উগ্রবাদের নতুন উত্থান, অদ্ভুতভাবে কিছু নেই থেকে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার একটা প্রকল্প, তখন স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষ হাজারবার, লক্ষবার, কোটিবার চিন্তা করবে এ রকম গণ-অভ্যুত্থানে যাওয়ার জন্য।

গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে দেশে ‘ভয়াবহ উগ্রবাদের উত্থান হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেন রুমিন ফারহানা। সেটা আগে জানলে কয়জন রাস্তায় আন্দোলনে নামতেন, সে প্রশ্নও রাখেন তিনি।

১৯৪৭ সালের দেশভাগ, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ৯০-এর গণ-আন্দোলনের পরও দেশের মানুষ প্রতারিত হয়েছে বলে মন্তব্য করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষ বারবার রক্ত দিয়েছে এবং প্রতারিত হয়েছে।’

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম, জেএসডির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব, রাজনৈতিক বিশ্লেষক হেলালুজ্জামান আহমেদ, জেএসডির সহসভাপতি নুরুল আখতার, সিরাজ মিয়া প্রমুখ।

যেভাবে বিএনপির রাজনীতিতে আসেন জমির উদ্দিন সরকার

অনলাইন ডেস্ক
যেভাবে বিএনপির রাজনীতিতে আসেন জমির উদ্দিন সরকার

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের রাজনীতিতে হাতেখড়ি ছাত্র ফেডারেশনের মাধ্যমে। এরপর ছাত্র ইউনিয়ন ও ন্যাপের রাজনীতিতে যুক্ত হন। দল গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ‘জাগদল’ গঠন করলে তাতে যোগ দেন তিনি। পরে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি স্থায়ী কমিটির সদস্য হন।

প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ আজ রবিবার (১২ জুলাই) মারা গেছেন। ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।

যেভাবে এলেন রাজনীতিতে

ছাত্রাবস্থায় ১৯৪৫ সালে ছাত্র ফেডারেশনের মাধ্যমে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়। পরে তিনি ছাত্র ইউনিয়ন ও ন্যাপের রাজনীতিতেও যুক্ত ছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দল গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে ‘জাগদল’ গঠন করলে তিনি তাতে যোগ দেন।

আইন পেশায় সুনাম ও খ্যাতি অর্জন করায় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত তাকে পাঁচবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে পাঠান। দল গঠনের প্রথম পর্যায়ে জিয়াউর রহমান জাগদল গঠন করলে তিনি তাতে যোগ দেন। তিনি ছিলেন জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল বা জাগদলের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য। পরে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি স্থায়ী কমিটির সদস্য হন।

রাষ্ট্রপতি

জমিরউদ্দিন সরকার বিএনপি সরকারের আমলে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগ করার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ২১ জুন ২০০২ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ২০০২ সাল পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মন্ত্রী

জমিরউদ্দিন সরকার জিয়াউর রহমানের মন্ত্রীসভায় ৬ এপ্রিল ১৯৮১ থেকে ২৭ নভেম্বর ১৯৮১ সাল পর্যন্ত গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় বর্তমান সংসদ ভবনের অসমাপ্ত কাজ শেষ করেন।

আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় তিনি ২৭ নভেম্বর ১৯৮১ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি পঞ্চম জাতীয় সংসদে খালেদা জিয়ার প্রথম মন্ত্রীসভায় ২০ মার্চ ১৯৯১ থেকে ২৮ আগস্ট ১৯৯১ পর্যন্ত ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯১ থেকে ১৯ মার্চ ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে গঠিত স্বল্পকালীন বিএনপি সরকারের মন্ত্রীসভায় তিনি ১৯ মার্চ ১৯৯৬ থেকে ৩০ মার্চ ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

স্পিকার

জমির উদ্দিন সরকার অষ্টম জাতীয় সংসদে ২৮ অক্টোবর ২০০১ থেকে ২৫ জানুয়ারি ২০০৯ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সংসদ সদস্য

জমির উদ্দিন সরকার ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন দিনাজপুর-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তিনি ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন থেকে বিএনপির  প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ, ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসন থেকে বিএনপির  প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

নবম জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে ২০০৯ সালে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তার বাবা মৌলভী মুহম্মদ আজিজ বক্স ও মা বেগম ফখরুন্নেছা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৬১ সালে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান এবং লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ‘ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনের একজন প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞ হিসেবে সুনাম কুড়ান।

ব্যক্তিগত জীবনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার এক কন্যা (নিলুফার জমির) ও দুই পুত্রের (নওশাদ জমির ও নওফল জমির) বাবা। তার স্ত্রী নূর আখতার। তার ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত।

সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক
সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন
সংগৃহীত ছবি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ রবিবার (১২ জুলাই) ভোরে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন দেশের প্রবীণ এই রাজনীতিক।

তিনি দুই দফা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া দুইবার বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক ও আইন অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মৌলভী মুহম্মদ আজিজ বক্স ও মা বেগম ফখরুন্নেছা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।

পরে ১৯৬১ সালে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান এবং লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ‘ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনের একজন প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞ হিসেবে সুনাম কুড়ান।

রাজনৈতিক জীবন ও কর্ম

ছাত্রাবস্থায় ১৯৪৫ সালে ছাত্র ফেডারেশনের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়। পরে তিনি ছাত্র ইউনিয়ন ও ন্যাপের রাজনীতিতেও যুক্ত ছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দল গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে ‘জাগদল’ গঠন করলে তিনি তাতে যোগ দেন। পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হন এবং শুরু থেকেই দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন

২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অষ্টম জাতীয় সংসদে স্পিকার হিসেবে তিনি অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী পদত্যাগ করার পর সংবিধান অনুযায়ী তিনি ২১ জুন ২০০২ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ২০০২ পর্যন্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাষ্ট্রপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেন।

মন্ত্রীত্ব ও সংসদ সদস্য

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মোট পাঁচবার (১৯৭৯, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৯ সালে) জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি পঞ্চগড়-১, ঢাকা-৯, বগুড়া-৬ ও দিনাজপুর-১ আসন থেকে জনপ্রতিনিধিত্ব করেছেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, আবদুস সাত্তার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন মেয়াদে তিনি গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন।

ব্যক্তিগত জীবন

ব্যক্তিগত জীবনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার এক কন্যা (নিলুফার জমির) ও দুই পুত্রের (নওশাদ জমির ও নওফল জমির) বাবা। তার স্ত্রী নূর আখতার। তার ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমিও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত।

মেটিক্যুলাস ডিজাইনের অংশ হিসেবেই ছাত্রদের মধ্যে বিভক্তি : জাসদ | কালের কণ্ঠ