• ই-পেপার

মা-বাবার অবহেলাকারীকে মহানবী (সা.)-এর অভিশাপ

প্রচন্ড গরম থেকে বাঁচতে যে দোয়া পড়বেন

মুফতি ওমর বিন নাছির
প্রচন্ড গরম থেকে বাঁচতে যে দোয়া পড়বেন
সংগৃহীত ছবি

প্রচণ্ড গরম মানুষের জীবনকে অনেক সময় দুর্বিষহ করে তোলে। তীব্র রোদ, গরম বাতাস ও অসহনীয় তাপদাহে মানুষ শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিক অস্বস্তিতেও ভোগে। কিন্তু একজন মুমিন জানে, পৃথিবীর প্রতিটি অবস্থা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই আসে এবং প্রতিটি পরিস্থিতিতে তাঁরই আশ্রয় গ্রহণ করা উচিত। তাই ইসলামে কষ্ট, বিপদ, রোগব্যাধি কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো তীব্র গরমের সময়ও আল্লাহর কাছে সাহায্য ও নিরাপত্তা কামনা করার শিক্ষা দিয়েছে। হাদিসে গরমকে আল্লাহর ক্রোধ বলা হয়েছে। আর আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার জন্য মহানবী (সা.) যেমন দান সদকা করতে বলেছেন, তেমনি দোয়াও শিখিয়ে গেছেন। দোয়াটি হলো:-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ وَجَمِيعِ سَخَطِكَ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন জাওয়ালি নিমাতিকা ওয়া তাহাউলি আফিয়াতিকা ওয়া ফুজাআতি নিকমাতিকা ওয়া জামিয়ি সাখাতিকা।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই আপনার নেয়ামত (বা অনুগ্রহ) দূর হয়ে যাওয়া থেকে, আপনার দেওয়া নিরাপত্তা ও সুস্থতা পরিবর্তন হওয়া থেকে, আপনার আকস্মিক শাস্তি থেকে এবং আপনার যাবতীয় অসন্তুষ্টি ও ক্রোধ থেকে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং : ২৭৩৯)

হাদিসের বাণী

শুধু যে তিন ব্যক্তি অন্যের কাছে চাইতে পারবে

ইসলামী জীবন ডেস্ক
শুধু যে তিন ব্যক্তি অন্যের কাছে চাইতে পারবে
সংগৃহীত ছবি

আবু বিশর কাবিসাহ ইবনুল মুখারিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার আমার ওপর কিছু আর্থিক দণ্ড (হুদুদ জাতীয়) এসে বর্তায়, তাই আর্থিক কিছু সাহায্য নেয়ার জন্য আমি মহানবী (সা.)-এর কাছে আসলাম। মহানবী (সা.) বললেন, সাদাকাহের মাল আসার আগ পর্যন্ত তুমি অপেক্ষা কর। সাদাকাহের মাল এলে আমি তোমাকে দেওয়ার জন্য আদেশ করব। তারপর তিনি বললেন, হে কাবিসাহ, তিন ধরনের ব্যক্তি ব্যতীত আর কারো জন্য অন্যের কাছে কোনো কিছু চাওয়া বৈধ নয় : 

আরো পড়ুন
সদকায় মিলে সম্মান ও নিরাপত্তার জীবন

সদকায় মিলে সম্মান ও নিরাপত্তার জীবন

 


১. যে ব্যক্তি আর্থিক সংকটে পড়বে। তার জন্য অন্যের কাছে চাওয়া বৈধ। তবে যখনই তার প্রয়োজন ও সংকট শেষ হয়ে যাবে, তখন আর সে কখনো আর অন্যের কাছে কোনো আর্থিক সাহায্য চাইতে পারবে না। 
২. যে ব্যক্তি কোনো বিপদে পড়বে, তাহলে তার জন্য সচ্ছল অবস্থায় ফিরে আসার আগ পর্যন্ত অন্যের কাছে কোনো কিছু চাওয়ার অবকাশ আছে। 
৩. যে ব্যক্তি এমন অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়বে এবং তার সম্প্রদায়ের তিনজন জ্ঞানী ব্যক্তি এ কথার সাক্ষ্য দেবে যে, অমুক লোক অভাবী, তখন তার জন্য অন্যের কাছে কোনো কিছু চাওয়ার সুযোগ আছে। হে কাবিসাহ, এ ছাড়া অন্য কারো জন্য কারো কাছে কোনো কিছু চেয়ে খাওয়া সুদ হবে। সে যা খাবে, তা তার জন্য সুদ হবে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং : ২৪০৪, মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং : ১৫৯১৬)


শিক্ষা ও বিধান

১. অকারণে মানুষের কাছে হাত পাতা নিষিদ্ধ। তাই ইসলাম মানুষকে আত্মসম্মান ও আত্মনির্ভরশীলতার শিক্ষা দেয়। প্রকৃত প্রয়োজন ছাড়া মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়া বৈধ নয়।

২. প্রয়োজনের ক্ষেত্রে সাহায্য চাওয়া বৈধ। যে ব্যক্তি বাস্তবিকই বিপদগ্রস্ত, ঋণগ্রস্ত বা অভাবী, তার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সাহায্য চাওয়ার অনুমতি রয়েছে।

৩. ঋণ ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা নেওয়া জায়েজ। তাই কোনো ব্যক্তি যদি মানুষের মধ্যে মীমাংসা, রক্তপণ বা অন্য কোনো সামাজিক দায়িত্ব পালনের কারণে আর্থিক সংকটে পড়ে, তবে সে সাহায্য চাইতে পারে।

৪. বিপদগ্রস্ত মানুষের প্রতি সমাজের দায়িত্ব রয়েছে। অগ্নিকাণ্ড, বন্যা, দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে সহযোগিতা করা সমাজের কর্তব্য।

৫. প্রকৃত অভাবীকে সহায়তা করা উচিত। যারা সত্যিকার অর্থে অভাবগ্রস্ত, তাদের প্রয়োজন পূরণে জাকাত, সদকা ও অন্যান্য সহায়তার ব্যবস্থা করা ইসলামের নির্দেশ।

৬. মিথ্যা অভাব দেখিয়ে সাহায্য নেওয়া মহাপাপ। অভাবী না হয়েও মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়া এবং তা ভোগ করা হারাম ও গুনাহের কাজ।

৭. সম্পদের ক্ষেত্রে সততা অবলম্বন করা আবশ্যক। তাই প্রত্যেক মুসলিমের উচিত নিজের আর্থিক অবস্থার ব্যাপারে সত্য বলা এবং প্রতারণার আশ্রয় না নেওয়া।

৮. সমাজের বিশ্বস্ত ও জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাক্ষ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই কোনো ব্যক্তি প্রকৃত অভাবী কি না, তা নির্ধারণে সমাজের বিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

এই হাদিস আমাদের বিশেষভাবে শিক্ষা দেয় যে, ইসলাম আত্মমর্যাদা রক্ষা, পরিশ্রম ও আত্মনির্ভরশীলতাকে উৎসাহিত করে; তবে প্রকৃত অসহায়, ঋণগ্রস্ত ও বিপদগ্রস্ত মানুষের জন্য সাহায্য চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে মিথ্যা অভাব দেখিয়ে মানুষের সম্পদ গ্রহণকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে।
 

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ লাগানো মহাপাপ

মো. আলী এরশাদ হোসেন আজাদ
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ লাগানো মহাপাপ
সংগৃহীত ছবি

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক পারস্পরিক পরিপূরক, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নয়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তাঁর নিদর্শনগুলোর মধ্যে রয়েছে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সঙ্গিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও এবং তিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও অনুগ্রহ।’ (সুরা : রুম, আয়াত : ২১)

এ মেলবন্ধনের তৎপর্য—
‘কোনো কালে একা হয়নি ক জয়ী পুরুষের তরবারী
প্রেরণা দিয়াছে, শক্তি দিয়াছে বিজয়লক্ষ্মী নারী।’
(কাজী নজরুল ইসলাম)

পবিত্র কোরআনের শিক্ষায় স্বামী-স্ত্রী পরস্পর ‘ভূষণতুল্য’। পোশাক যেমন লজ্জা নিবারণের উপায়, তেমনি আকর্ষণের অবলম্বন। পারস্পরিক অনুভূতি, মনের কথা মুখে প্রকাশ, প্রিয়তমাকে রোমান্টিক কথকতায় আকৃষ্ট করা প্রিয় নবী (সা.)-এর আদর্শ।

সংসারের ঘানি টেনে ক্লান্ত দম্পতি নিজের যত্ন, নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে বেখেয়াল হয়ে পড়েন। অথচ প্রিয় নবীর (সা.) শিক্ষা—‘আমি আমার স্ত্রীদের জন্য এমনই পরিপাটি থাকা পছন্দ করি, যেমন আমি তাদের ক্ষেত্রে সাজগোজ করে থাকা পছন্দ করি।’ (বায়হাকি)

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, নারীর প্রতি সহিংসতায় বাংলাদেশের অবস্থান ঊর্ধ্বমুখী। ঘটনার ৮০ শতাংশ হয় পরিবারের মধ্যে এবং এর ৮৪ শতাংশ শাশুড়ি ও ৬৩ শতাংশ ননদের হাতে। মুসলিম পরিবার দর্শন হলো প্রীতিময় সহাবস্থান। কিন্তু এতে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ান আপনজনরাই! এখানেই স্পষ্ট অব্যক্ত হাহাকার—
আমার শিয়রে শাশুড়ি ঘুমায় জ্বলন্ত নাগিনী 
হায়রে জ্বলন্ত নাগিনী
আমার পৈথানে ননদী শুয়ে দুরন্ত ডাকিনী...
...বন্ধুর বাড়ি আমার বাড়ি মধ্যে নলের বেড়া
ওরে হাত বাড়ায়া দিতে পান
কপাল দেখি পোড়া!

মহান আল্লাহর কাছে চরম অপছন্দনীয় বিষয় এবং জঘন্যতম কবিরা গুনাহ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ লাগানো। জাদুর ক্ষতিকর দিক প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে আছে, ‘তাদের (হারুত মারুত)-এর কাছে তারা এমন জাদু শিখত, যা দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো যায়...।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ১০২)

খারাপ কাজে উৎসাহ না দেওয়া ইসলামের বিঘোষিত নীতি—‘...মন্দকর্ম ও সীমা লঙ্ঘনে পরস্পরের সহযোগিতা করো না’। (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ২)

কিন্তু স্বার্থান্বেষী জঘন্য মানুষ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ লাগানোকে পৌঁছিয়েছে শিল্পের পর্যায়ে। এদের সম্পর্কে প্রিয় নবী (সা.)-এর সতর্কবার্তা, ‘কোনো নারী যেন নিজ স্বার্থের জন্য এবং বিয়ে বসার জন্য তার বোনের তালাক না চায়...।’ (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ)
শয়তানের দৌরাত্ম্য বোঝাতে প্রিয় নবী (সা.) বলেন, ‘ফিতনা-ফাসাদ ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য শয়তান তার বাহিনী পাঠায়। ...শয়তানের বাহিনী যখন ফিরে আসে প্রত্যেকে সরদারের কাছে নিজ নিজ রিপোর্ট পেশ করে... এরই মাঝে এক সৈন্য সরদারের সামনে গিয়ে তার রিপোর্ট পেশ করে বলে ‘এভাবে আমি সুকৌশলে সূক্ষ্মভাবে আমার দায়িত্ব পালন করেছি। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত আমি ক্ষান্ত হইনি।’ তিনি (সা.) বলেন, শয়তান এ রিপোর্ট শুনে খুশিতে লাফিয়ে উঠল। তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে উদ্বেলিত স্বরে বলল, ‘তুমিই আসল কাজ করেছ!’ (মুসলিম)

দুটি প্রাণ ও পরিবারের মেলবন্ধনে সংসার সুখের স্বর্গ। সংসারধর্ম বজায় রাখা ইবাদততুল্য পুণ্যময় সাধনা। কিন্তু একেবারেই যদি তা অসম্ভব হয়ে ওঠে, তবে তো আফসোস! ভিন্ন কথা। বিরুদ্ধ পরিবেশে পারিবারিক শান্তি-স্বস্তির নির্দেশনায় মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যেসব নারীর অবাধ্যতা আশঙ্কা করো, তবে তাদেরকে উপদেশ দাও; শয্যাসঙ্গী হতে বিরত রাখো এবং তাদেরকে শাসন করো (সামান্য প্রহার)। যদি তারা অনুগত হয়ে যায়, তবে তাদের জন্য অন্য কোনো বিকল্প খুঁজবে না...। আর যদি উভয়ের মধ্যে বিরুদ্ধভাব প্রবল মনে করো, তবে পুরুষ ও নারীর পক্ষে একজন করে স্বজনকে মীমাংসাকারী মেনে সমাধানে উদ্যোগী হও। যদি তারা সমাধানে ইচ্ছুক হয়, তবে আল্লাহও তাদের প্রতি অনুকূল হবেন...।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৩৪ ও ৩৫ ভাবানুবাদ)

বিচ্ছেদের চরম সিদ্ধান্তের আগে চারটি উপায় অনুসরণের নির্দেশের পাশাপাশি মহান আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যেন দুপক্ষই আন্তরিক হয়ে সমঝোতায় পৌঁছে। কেননা প্রিয় নবী (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তালাকের চেয়ে অধিক ঘৃণ্য কোনো জিনিস বৈধ করেননি।’ (আবু দাউদ)

বস্তুত পুরুষ মানুষ সময়মতো ঘরে না ফিরলে ‘বউ গরম ভাত ঠাণ্ডা’-এর ঘটনা ঘটে! বিরোধের কারণ আরো অনেক—

অসম দৃষ্টিভঙ্গি—ব্যক্তিত্বের সংঘাত,
প্রবাসজীবন এবং পরকীয়া,
জৈবিক আর্থিক অসাম্য,
অবহেলা—সময় না দেওয়া,
পারিবারিক অশিক্ষা, তৃতীয়পক্ষ।

প্রেমময় সম্পর্কের একজন ছাড়া, আরেকজনের জীবন একেবারে শেষ; এমনও নয়। শরত্চন্দ্রের ভাষায়, ‘দেবদাস ভাবিয়াছিল তাহাকে ছাড়া পার্বতী মরিয়া যাইবে, অথচ তাহার জ্বরটুকু অব্দি আসিল না!’

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ইসলামিক স্টাডিজ, কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ, কাপাসিয়া, গাজীপুর-১৭৩০

আজকের নামাজের সময়সূচি, ৪ জুন ২০২৬

ইসলামী জীবন ডেস্ক
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৪ জুন ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

আজ বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ১৭ জিলহজ ১৪৪৭।

ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—

জোহরের সময় শুরু ১২টা ০০ মিনিটে।

আসরের সময় শুরু ৪টা ৩৬ মিনিটে।

মাগরিব ৬টা ৪৭ মিনিটে।

এশার সময় শুরু ৮টা ১২ মিনিটে।

আগামীকাল ফজর শুরু ৩টা ৪৭ মিনিটে 

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ১০ মিনিটে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।