• ই-পেপার

অন্যায়ভাবে অমুসলিমের ক্ষতি সাধনের শাস্তি

নিষিদ্ধ যে কাজে বান্দার ৪০ দিনের নামাজ কবুল হয় না

অনলাইন ডেস্ক
নিষিদ্ধ যে কাজে বান্দার ৪০ দিনের নামাজ কবুল হয় না
সংগৃহীত ছবি

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ অন্যতম ফরজ ইবাদত। পবিত্র কোরআনে ৮২ বার ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ সালাত বা নামাজের কথা এসেছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন তোমরা সালাত (নামাজ) পূর্ণ করবে তখন দাঁড়ানো, বসা ও শোয়া অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করবে। অতঃপর যখন নিশ্চিন্ত হবে, তখন সালাত (পূর্বের নিয়মে) কায়েম করবে। নিশ্চয়ই সালাত মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ। (সুরা নিসা, আয়াত : ১০৩)।

ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করা আল্লাহ তাআলার নিকট প্রিয় একটি আমল। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.) কে জিজ্ঞাসা করলাম, কোন আমল আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়? তিনি বললেন, যথাসময়ে সালাত আদায় করা। ইবনু মাসঊদ (রা.) পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, এরপর কোনটি? নবীজি (সা.) বললেন, এরপর পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার। ইবনু মাসঊদ (রা.) আবার জিজ্ঞাসা করলেন, এরপর কোনটি? রাসুল (সা.) বললেন, এরপর আল্লাহর পথে জিহাদ বা জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ্। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫০২)

তবে সালাত বা নামাজ পরিপূর্ণ হওয়ার জন্য নামাজের মধ্যে থাকা রোকনগুলো সঠিকভাবে আদায় করা জরুরি। উবাদাহ্ ইবনুস্ সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আল্লাহ তাআলার (বান্দার জন্য) ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি এ সালাতের জন্য ভালোভাবে অজু করবে, সঠিক সময়ে আদায় করবে এবং এর রুকু ও খুশুকে পরিপূর্ণরূপে করবে, তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা রয়েছে যে, তিনি তাকে ক্ষমা করে দেবেন। আর যে তা না করবে, তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা নেই। ইচ্ছা করলে তিনি ক্ষমা করে দিতে পারেন, আর ইচ্ছা করলে শাস্তিও দিতে পারেন। (মেশকাত, হাদিস : ৫৭০)

বিভিন্ন সময়ে বর্ণিত হাদিসে উম্মতদের নামাজের বিষয়ে তাগিদ দেয়ার পাশাপাশি নবীজি (সা.) যেমন নানা বিষয়ে আদেশ-নিষেধের কথা জানিয়েছেন, তেমনি বাতলে দিয়েছেন উত্তম আমলের পথও। এরমধ্যে একটি হাদিসে ইসলামে নিষিদ্ধ এমন একটি কাজের কথা এসেছে, যা করলে মহান আল্লাহর দরবারে বান্দার ৪০ দিনের নামাজ কবুল হয় না।

নবীজির (সা.) কোনো এক স্ত্রীর সূত্রে মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না আনাযী (রহ.) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হলো- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- যে ব্যক্তি আররাফ (গণক বা জ্যোতিষী) কাছে গেল এবং তাকে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করল, ৪০ রাত তার কোনো সালাত (নামাজ) কবুল করা হয় না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৫৬২৭)

সিরিয়ার প্রখ্যাত আরবি ভাষাবিজ্ঞানীর ইন্তেকাল

ইসলামী জীবন ডেস্ক
সিরিয়ার প্রখ্যাত আরবি ভাষাবিজ্ঞানীর ইন্তেকাল
শায়খ ড. মাজিন আবদুল কাদির। ছবি : সংগৃহীত

আরববিশ্বের প্রখ্যাত আরবি ভাষাবিজ্ঞানী শায়খ ড. মাজিন আবদুল কাদির আল-মুবারক ইন্তেকাল করেছেন। তিনি সিরিয়ার বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও ‌‘শাইখুন নুহাত’ তথা আরবি ব্যাকরণবিদদের পুরোধা হিসেবে পরিচত। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৯৬ বছর। 

শনিবার (২৫ জুলাই) সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে মারা যান তিনি। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছে সিরিয়ার শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, আরবি ভাষা একাডেমি। এ ছাড়া তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন সিরিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ উসামা আর-রিফায়ি। 

ড. মাজিন আবদুল কাদির ১৯৩০ সালে সিরিয়ার দামেশকে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা শায়খ আবদুল কাদির ছিলেন তৎকালীন দামেস্কেকে আরবি ভাষা ও ইসলামী শরিয়াহ বিষয়ক বড় পণ্ডিত। তার ভাই ছিলেন মুহাম্মদ আল-মুবারকও দামেশকের আরবি ভাষা একাডেমির অন্যতম সদস্য ছিলেন। 

দামেস্কেকের বড় বড় আলেমদের কাছে ড. মাজিন পড়াশোনা করেন। তিনি ১৯৫২ সালে দামেশক বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরে টিচার্স কলেজ থেকে শিক্ষা বিষয়ে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। তিনি শায়খ সাঈদ আফগানি, শায়খ মুস্তফা আজ-জারকা, শায়খ মুহাম্মদ বাহজাহসহ প্রখ্যাত আলেমদের সান্নিধ্যে পড়াশোনা করেন। পরে দামেশকের একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। 

১৯৫৪ সালে শিক্ষবৃত্তি নিয়ে মিসরের কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ে গমন করেন এবং সেখান থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৬০ সালে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তাঁর পিএচইডি গবেষণার বিষয়বস্তু ছিল- ‘আর-রুম্মানি আন-নাহবি ফি দাওয়ি শরহিহি লিকিতাবি সিবাওয়াইহি’। ১৯৬৫ সালে সিরিয়ায় ফিরে দামেশক বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষকতা করেন। 

ড. মাজিন আবদুল কাদির অ-আরবি ভাষীদের আরবি ভাষা পাঠদানের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দামেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় তিনি একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে তা পরিচালনা করেন। 

পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় তিনি রিয়াদ বিশ্ববিদ্যালয়, লেবানন বিশ্ববিদ্যালয়, কাতার বিশ্ববিদ্যালয়, দুবাই ইসলামিক কলেজসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে আরবি ভাষা বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি আরবি ভাষা অভিধান নিয়েও কাজ করেন। 

আরবি ভাষা ও গবেষণায় অনবদ্য অবদানের জন্য ২০২৫ সালে ড. মাজিন আবদুল কাদির সৌদি আরবের কিং সালমান গ্লোবাল একাডেমি ফর অ্যারাবিক ল্যাংগুয়েজ পুরস্কার লাভ করেন। 

তথ্যসূত্র : আলজাজিরা

নবীযুগে যিনি পবিত্র কাবার চাবি সংরক্ষণ করতেন

ইসলামী জীবন ডেস্ক
নবীযুগে যিনি পবিত্র কাবার চাবি সংরক্ষণ করতেন
সংগৃহীত ছবি

মক্কার সম্ভ্রান্ত বংশের সন্তান উসমান ইবনে তালহা (রা.)। মক্কার সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশের বনু আবদিদ দার গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বংশপরম্পরায় তাদের পরিবারের ওপর ন্যস্ত ছিল কাবা শরীফের চাবি সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব। আরব সমাজে এটি ছিল অত্যন্ত সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্ব।

মহানবী (সা.)-এর মক্কীজীবনে কাবার চাবিকে ঘিরে একটি ঘটনার জন্য তিনি ইসলামের ইতিহাসে বিখ্যাত। তৎকালীন সময়ে কেউ কাবায় প্রবেশ করতে চাইলে অপেক্ষা করতে হতো উসমান ইবনে তালহার (রা.) গোত্রের লোকদের জন্য। কারণ, কাবার চাবি থাকতো তাদের কাছে। একবারের ঘটনা—

একদিন হারাম শরীফের চত্বরে সাহাবিদের নিয়ে বসেছিলেন নবীজি (সা.)। হঠাৎ ভাবলেন, কাবা শরীফের ভেতরে ঢুকবেন। উসমান ইবনে তালহা তখনো মুসলিম হননি। তার কাছে কাবা ঘর খুলে দেওয়ার আবেদন করলেন নবীজি। উসমান ইবনে তালহা নবীজিকে চাবি দিলেন না। তখন নবীজি (সা.) শান্ত কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘একদিন তুমি এই চাবি আমার হাতে দেখতে পাবে।’ উসমান বিস্মিত হয়ে জানতে চেয়েছিলেন, ‘তাহলে কি সেদিন কুরাইশরা অপমানিত হবে?’ উত্তরে রাসুল (সা.) বলেছিলেন, ‘না, বরং সেদিন কুরাইশরা সম্মানিত হবে।’

এরপর দিন গড়ায়। যুগ পার হয়। এক সময় মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন মহানবী (সা.)। হিজরতেরও প্রায় আট বছর পর ঘটে এক ঐতিহাসিক ঘটনা।

৮ম হিজরিতে মক্কা বিজয়ের পর মহানবী (সা.)-এর সেই ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবে রূপ নেয়। পুরো মক্কার অধিপতি তখন নবীজি (সা.)। কাবার চাবি ওসমান ইবনে তালহার কাছ থেকে চেয়ে নিলেন নবীজি (সা.)। হজরত আব্বাস (রা.) এবং হজরত আলী (রা.) নবীজির পেছনে পেছন ছুটছেন। মনের ভেতর তীব্র প্রতীক্ষা কাবার চাবির দায়িত্ব যদি দিয়ে দেন নবীজি। দু’একজন বলেও ফেলেছেন মুখ ফুটে। সবার ভেতর প্রচণ্ড কৌতূহল কাকে দেওয়া হবে চাবি?

উসমান ইবনে তালহা অসহায় ভাবে নবীজির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। সবাইকে অবাক করে দিয়ে নবীজি (সা.) কাবার চাবি আবার উসমান ইবনে তালহার (রা.) হাতেই ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। ঘটনা এখানে শেষ হয়নি। এরপর নবীজি ঘোষণা করলেন, ‘হে বনু তালহা! কিয়ামত পর্যন্ত এই চাবি তোমাদের কাছেই থাকবে।’

নবীজির এই মহানুভবতায় তিনি আপ্লুত হলেন। সেই থেকে আজ পর্যন্ত কাবার চাবি তার বংশধররাই বহন করছেন। এখনো সৌদি বাদশা এসে কাবার দুয়ারে অপেক্ষা করেন। ওসমান ইবনে তালহার (রা.) বংশের বর্তমান দায়িত্বশীল এসে দরজা খুলে দিলে ভেতরে প্রবেশ করেন।

ইসলাম গ্রহণের আগে জাহেলি যুগেও উসমান ইবনে তালহার (রা.) চরিত্রে ছিল সততা, আত্মমর্যাদা ও মানবিকতার উজ্জ্বল ছাপ। এর অন্যতম প্রমাণ হজরত উম্মে সালামা (রা.)-এর হিজরতের ঘটনা। তখনো তিনি ইসলাম গ্রহণ করেননি। তবে একা ও অসহায় উম্মে সালামা (রা.) ও তার শিশুপুত্রকে দীর্ঘ পথ নিরাপদে মদিনার উপকণ্ঠ পর্যন্ত পৌঁছে দেন। কোনো স্বার্থ ছাড়াই একজন নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন তিনি।

ইসলাম গ্রহণের পর তিনি রাসুলুল্লাহর (সা.) একনিষ্ঠ সাহাবিতে পরিণত হন। জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে মদিনায় নবীজির সান্নিধ্যে হিজরত করেন। মক্কা বিজয়ের আগেই হজরত খালিদ বিন ওয়ালিদ এবং আমর ইবনে আসের সাথে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন তিনি। জীবনভর তিনি কাবা শরিফের খিদমত, আমানত রক্ষা এবং ইসলামের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করেন। তার বর্ণিত বেশ কয়েকটি হাদিস হাদিসের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থগুলোতে সংরক্ষিত হয়েছে। তিনি প্রমাণ করে গেছেন—সম্মান বংশে নয়, সত্যকে গ্রহণ করার মধ্যেই মানুষের প্রকৃত মর্যাদা। ৪২ হিজরীতে মক্কায় ইন্তেকাল করেন তিনি।

হাদিসের বাণী

কিয়ামতের ভয়াবহতা

ইসলামী জীবন ডেস্ক
কিয়ামতের ভয়াবহতা
সংগৃহীত ছবি

বিশিষ্ট সাহাবি হজরত মিকদাদ (রা.)- থেকে বর্ণিত, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, কিয়ামতের ময়দানে সূর্যকে সৃষ্টজীবের অনেক কাছাকাছি করা হবে, ফলে সূর্য ও সৃষ্টজীবের মধ্যে দূরত্ব হবে মাত্র এক মাইল। মিকদাদ (রা.)- থেকে রাবি সুলাইম ইবনে আমির বলেন, ওয়াল্লাহি! আমি জানি না, রাসুলুল্লাহ (সা.) এখানে মাইল দ্বারা কোন মাইল উদ্দেশ্য নিয়েছেন! জমিনের দূরত্ব সমপরিমাণ মাইল, নাকি (সুরমাদানির) শলাকা, যার দ্বারা চোখে সুরমা লাগানো হয়, সেটা উদ্দেশ্য নিয়েছেন! (কেননা সেটাকেও মাইল বলা হয়)।

তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষ নিজ-নিজ আমল অনুযায়ী ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে। সেদিন কারো ঘাম হবে পায়ের টাখনু পর্যন্ত। আবার কারো-কারো হাঁটু পর্যন্ত ঘাম হবে। আবার কারো ঘাম হবে নাক পর্যন্ত। এ কথা বলে রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর মুখের দিকে ইশারা করলেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭২০৬, মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২৩৮১৩)

শিক্ষা ও বিধান 
১. কিয়ামত অবশ্যম্ভাবী : একদিন অবশ্যই কিয়ামত সংঘটিত হবে এবং প্রত্যেক মানুষকে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হতে হবে।
২. কিয়ামতের ভয়াবহতা : সেদিন সূর্য মানুষের খুব কাছে আনা হবে, যা কিয়ামতের কঠিন ও ভয়ংকর অবস্থার পরিচয় বহন করে।
৩. আমলের গুরুত্ব : মানুষের ঘাম তার আমল অনুযায়ী হবে। যার আমল যত খারাপ, তার কষ্টও তত বেশি হবে।
৪. ন্যায়বিচারের প্রমাণ : আল্লাহ তাআলা কারও প্রতি অবিচার করবেন না; প্রত্যেককে তার কর্ম অনুযায়ী প্রতিদান দেওয়া হবে।
৫. নেক আমলের প্রতি উৎসাহ : সালাত, সিয়াম, জাকাত, সদকা, সৎকাজ ও আল্লাহভীতি মানুষের কিয়ামতের কষ্ট লাঘবের কারণ হতে পারে।
৬. গুনাহ থেকে সতর্কতা : পাপ ও অবাধ্যতা কিয়ামতের দিন মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দেবে।
৭. আখিরাতমুখী জীবন গড়ার শিক্ষা : দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী ভোগে মগ্ন না হয়ে আখিরাতের সফলতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
৮. তাওবার গুরুত্ব : কিয়ামতের কঠিন দিনের আগে আন্তরিক তাওবা করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা জরুরি।
৯. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সতর্কবাণী : তিনি উম্মতকে ভবিষ্যতের ভয়াবহ পরিস্থিতি জানিয়ে সতর্ক করেছেন, যাতে তারা নিজেদের সংশোধন করতে পারে।
১০. আল্লাহর রহমতের আশা : ভয়াবহ দিনের বর্ণনা মুমিনকে ভীত করার পাশাপাশি নেক আমল ও আল্লাহর রহমতের আশায় জীবন পরিচালনার শিক্ষা দেয়।
 

অন্যায়ভাবে অমুসলিমের ক্ষতি সাধনের শাস্তি | কালের কণ্ঠ