• ই-পেপার

জমির উদ্দিন সরকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম অর্ধবেলা বন্ধ

কারামুক্ত হলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম

নিজস্ব প্রতিবেদক
কারামুক্ত হলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম

হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিনের পর কারামুক্ত হয়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরী।

শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় কাশিমপুর কারাগার থেকে বের হন তিনি। তার আইনজীবী মো. রবিউল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী বলেন, মোহাম্মদপুর থানার দুটি, গুলশান থানার একটি এবং রমনা থানার এক মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান আর এস ফাহিম। জামিনের আদেশ কারাগারে পৌঁছানোর পর শনিবার সন্ধ্যায় কারামুক্ত হন তিনি। সেখানে তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

২৯ মার্চ বিকালে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে ফাহিমকে আটক করে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী। এরপর রাজধানীর শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে তাকে সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মো. ইমরান নামে এক ব্যক্তি হত্যা মামলায় ৩০ মার্চ তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর তাকে মোহাম্মদপুর থানার তিন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। দুই মামলায় আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেয়। একটি নামঞ্জুর হয়।

তিন মামলায় জামিনের আদেশের পর তাকে রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে। সর্বশেষ এ মামলায় জামিন নিয়ে কারামুক্ত হলেন ফাহিম।

উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার সাবির-তানিম রিমান্ড শেষে কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার সাবির-তানিম রিমান্ড শেষে কারাগারে

উগ্রবাদী সংগঠনের ফাতাহ কমব্যাটের কার্যক্রমের সাথে জড়িত সন্দেহে ঢাকার যাত্রবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার শাহ আমানত সাবির ও হোসাইন তানিমের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে দুই দফায় ৬ দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সপেক্টর এ বি সিদ্দিক। আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মাসুম খান এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৫ জুলাই (রবিবার) আসামিদের আদালতে হাজির করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করলে আদালত প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরদিন ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।  

গত ৫ জুলাই ভোর সাড়ে ৬ টার দিকে উগ্রবাদী ফাতাহ কমব্যাটের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত বুধবার একই অভিযোগে গ্রেপ্তার জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান এবং বায়োজিত রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে গত ৯ জুলাই যশোর সদর উপজেলার কিসমত নোয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে উগ্রবাদী সংগঠন ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম (এফসিএস)’-এর সক্রিয় সদস্য সন্দেহে তাহসীন ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকেও ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

উগ্রবাদী ‘ফাতাহ কমব্যাট’ সম্পৃক্ততায় গ্রেপ্তার তাহসীন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
উগ্রবাদী ‘ফাতাহ কমব্যাট’ সম্পৃক্ততায় গ্রেপ্তার তাহসীন কারাগারে
ছবি : কালের কণ্ঠ

যশোর থেকে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে (ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম) সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার তাহসীন ইসলাম (১৯) নামের এক তরুণকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক এ বি সিদ্দিক আসামি তাহসীনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করেন। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান।

আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাহসীনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আগামী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে এ বিষয়ে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতে আজ আসামি তাহসীনের পক্ষে কোনো জামিন আবেদন ছিল না।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে যশোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ নিজ বাড়ি থেকে তাহসীনকে আটক করে। অভিযানের সময় তার ঘর তল্লাশি করে একটি চাপাতি ও তারসহ কয়েকটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মিরাজুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটে করা একটি মামলার সূত্র ধরে তাহসীনকে আটক করা হয়। এর আগে তার বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি মামলাও রয়েছে, যেখানে তিনি ৩ নম্বর আসামি।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাহসীন আলোচিত ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম (এফসিএস)’ নামের একটি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যশোরে সংগঠনটির কোনো সক্রিয় সদস্য বা সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই।

আদালতে জমা দেওয়া রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ‘ফাতাহ কমব্যাট’-এর সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের চিহ্নিত করা এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

জানা গেছে, ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম (এফসিএস)’ নামের একটি সংগঠন মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে তরুণদের উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ করছে—এমন অভিযোগের তদন্ত চলছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। বিষয়গুলো এখনো তদন্তাধীন।

শাহবাগে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার মেহেদী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
শাহবাগে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার মেহেদী কারাগারে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পবিত্র কোরআনের তাফসির গ্রন্থে আগুন দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি মেহেদী হাসানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এ আদেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক নাজমুল হাসান আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। তবে তাকে এজলাসে তোলা হয়নি। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আসামির রিমান্ড আবেদন এবং জামিন আবেদন ছিল না।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল রাত আনুমানিক ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পশ্চিম পাশের পাদদেশে সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদি রচিত ‘তাফহীমূল কুরআন’-এর তিনটি খণ্ডে আগুন দিয়ে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা ওই যুবককে আটক করে। খবর পেয়ে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসামিকে নিজেদের হেফাজতে নেন। উত্তেজিত জনতার মারধরে আসামি সামান্য আহত হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেন।

আটক রাখার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আসামিকে কারাগারে রাখা হোক। পরবর্তীতে তার রিমান্ডের আবেদন করা হবে।