
প্রথমবার পৃথিবী দেখল লিলি
- লেখা ও আঁকা : ফাঈকা নাঈমা হোসেন, দশম শ্রেণি, মির্জা আহমেদ ইস্পাহনী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম
ফেউ
লেখা : ইমদাদুল হক মিলন, আঁকা : তানভীর মালেক

তোমাদের আঁকা


যায়নাব আক্তার নাবীলা, তৃতীয় শ্রেণি, মাদরাসাতুস সাহাবা (রা.), ঢাকা
রুপোর সিকি
মাহবুব লাভলু

বাড়ির পাশে সবুজ মাঠ
একটু দূরে দিঘির ঘাট।
রোদের ঝিলিক দিঘির জলে করছে ঝিকিমিকি
দিঘি তো নয়, ঠিক যেন এক বিশাল রুপোর সিকি।
মৃদু বাতাস ঢেউ খেলে যায়, শান্ত দিঘির জলে
শোল বোয়াল আর টেংরা পুঁটি একত্রে সব চলে।
উঁচু-নিচু নেই ভেদাভেদ দিঘির পারটায়
মায়ের সাথে হাঁসছানারা আনন্দে সাঁতরায়।
একদিন এক কুমিরছানা চড়ে হাতির পিঠে
বলল শোনো, এটা ছিল আমার দাদার ভিটে।
আমি হলাম এই দিঘিটার একক মহারাজা
অবাধ্য কেউ হলেই পাবে কঠিনতম সাজা।
রাজ্যজুড়ে শুরু তখন আতঙ্ক আর ভয়
কার ভাগ্যে কখন আবার কী জানি কী হয়!
ঠুনকো একটু অজুহাতেই দিঘির রাজা আবার
ইচ্ছামতো ঘাড় মটকে খেয়ে করে সাবাড়।
শীতের পাখি করতে শিকার, এক শিকারি লোক
হঠাৎ দিঘির কুমিরটাতে পড়ল তাহার চোখ।
হাতের বন্দুক চাপল টিগার ঘট ঘটা ঘট ঘটাং
এক নিমেষেই দিঘির রাজা উল্টে চিতপটাং।
নাচছে সবাই খুশির দোলায় আনন্দ উল্লাস
মিলেমিশে করল শুরু আবার বসবাস।
বৃষ্টি যখন পড়ে
আহসান মালেক

বৃষ্টি যখন টিনের চালে ঝমঝমিয়ে পড়ে,
অপূর্ব এক সুর আবেশে মনটা ওঠে ভরে।
গাছের পাতা হচ্ছে সবুজ বৃষ্টি জলের ছোঁয়ায়,
ভ্যাপসা গরম যেতে যেতে লাজে মাথা নোয়ায়!
ব্যাঙের দলে গাল ফুলিয়ে গাইছে ঘ্যাঙর ঘ্যাং,
কেউ বা বেদম নেচে-কুঁদে ভাঙছে কোমর ঠ্যাং!
চাষার মনে আশার বাতি দেয় ছড়িয়ে আলো,
বৃষ্টিধারা এক নিমেষে তাড়ায় সকল কালো।
পুকুর ভেবে উঠান জলে খেলছে হাঁসের ছানা,
প্যাঁক প্যাঁক প্যাঁক করে ওরা যায় ডেকে একটানা।
পাখপাখালি একসা ভিজে গাছের ডালে ডালে,
ঝুমুরঝুমুর ছন্দে ময়ূর নাচছে তালে তালে।
গরু বাছুর নিয়ে রাখাল যায় না দূরের মাঠে
খেয়ামাঝি ঝিমায় বসে নৌকা বেঁধে ঘাটে।
ঝুম বরষায় ইশকুলে নেই যাবার কোনো তাড়া,
সেই খুশিতে জারীফ সোনা উছল আত্মহারা!
