পরিবারের বড় সন্তান শারমিন আক্তার মীম। সরকারি আজিজুল হক কলেজে মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছেন। হঠাৎ তাঁর বাবা মারা যান। তাঁর কাঁধে দায়িত্ব পড়ে সংসার সামলানোর। বাড়িতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে যা আয় হয়, তা দিয়েই সংসার সামলাতেন মীম। বর্তমানে পড়াশোনা শেষ করে বাড়িতে বসে আছেন। ছোট দুই বোনের পড়ালেখা ও সংসার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। এই সময়ে বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তা নিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘ। প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন পাওয়ার পর মীমের মা এবং ছোট বোনরাও বেশ খুশি। তাঁদের আনন্দ দেখে মনে হচ্ছিল, মীম এবার সত্যিকার অর্থে পরিবারের স্বপ্নপূরণের ভরসা হয়ে উঠবেন। দূর করবেন পরিবারের অর্থকষ্ট। শারমিন আক্তার মীম বলেন, ‘বাবা মারা গেছেন দুই বছর আগে। তিন বোনের মধ্যে আমি সবার বড়। সংসার সামলানোর পাশাপাশি নিজের এবং দুই বোনের পড়ালেখার খরচও জোগান দিতে হচ্ছে। বাড়িতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে যে আয় হয়, তা দিয়ে টানাটানি করে চলছে আমাদের পরিবার। এমন দুঃসময়ে বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় পাওয়া সেলাই মেশিন আমাকে এবং পরিবারকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করবে। সেই সঙ্গে উদ্যোক্তা হয়ে আশপাশের নারীদের স্বাবলম্বী করতে চাই। বসুন্ধরা গ্রুপ যেভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে, আমিও একসময় অনেক মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। বিনামূল্যে দরিদ্র নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ করাব।’ মীমের মা আঞ্জু আরা বলেন, ‘আমার মেয়ে সেলাইয়ের কাজ করে এখন অন্তত পরিবার সামলাতে পারবে। আমরা বসুন্ধরা গ্রুপের সবার জন্য অনেক দোয়া করি। বিপদে একমাত্র তাঁরাই পাশে দাঁড়ালেন।’




