পাবনার বেড়া উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ ও পুষ্টি মান বাড়াতে চালু হওয়া স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে খাতা-কলমে ভুয়া উপস্থিতি দেখিয়ে খাবার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অভিযোগ তদন্তে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। জানা যায়, ২০২৫ সালে জেলার মধ্যে শুধু বেড়া উপজেলায় এই বিশেষ প্রকল্প চালু করা হয়। ১১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৪ হাজার ৬৫৮ জন শিক্ষার্থীর পুষ্টি ঘাটতি মেটাতে প্রতিদিন গড়ে ৯০ শতাংশ (প্রায় ২২ হাজার) শিশুর জন্য খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে সরেজমিন পরিদর্শনে খাদ্য বরাদ্দের সঙ্গে বাস্তব উপস্থিতির বড় অসংগতি উঠে এসেছে। উপজেলার গোবিন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ৫৬ জন শিক্ষার্থীর কথা বলা হলেও সরেজমিন প্রথম শিফটে সব শ্রেণি মিলিয়ে মাত্র ১৮ জন শিক্ষার্থীকে পাওয়া যায়। অনুসন্ধানকালে প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল কবীর জানান, তিন সদস্যের পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শিশু ধর্ষণ ও হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
স্কুল ফিডিংয়ে অনিয়ম তদন্ত কমিটি

আদালত চত্বরে আবার হামলার শিকার আসামি

সিলেট আদালত চত্বরে আবারও হামলার শিকার হয়েছেন শিশু ফাহিমা আক্তার ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেন। কারাগার থেকে হাজিরার জন্য আদালতে আনার পর তাঁকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তাঁকে মারধর করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে ২৩ জুন একই আদালত প্রাঙ্গণে জাকিরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, জাকিরকে বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে আনা হয়। আদালত চত্বরে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন নিহত ফাহিমার স্বজন ও এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। প্রিজন ভ্যান থেকে আদালত ভবনের দিকে নেওয়ার সময় তাঁরা জাকিরকে লক্ষ্য করে হামলা চালান এবং মারধর করেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ৪

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিদ্ধিরগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন থামিয়ে চালক-হেলপারদের মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) হাসিনুজ্জামান। এর আগে বুধবার (২২ জুলাই) সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড ও মিজমিজি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন সাখাওয়াত হোসেন সৈকত, সেন্টু, রবিন ও ইউসুফ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় মালঞ্চ পরিবহনের পরিচালক গোলাম মোস্তফা রানা সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করলে তদন্তে নামে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) হাসিনুজ্জামান বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ পরিবহন চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য।
তিস্তার উত্তাল স্রোত পেরিয়ে নৌকায় পাড়ি দিচ্ছে কৃষক পরিবার

