• ই-পেপার

ভারতে চার লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী

মতিঝিলে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ২১ লাখ টাকা ছিনতাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
মতিঝিলে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ২১ লাখ টাকা ছিনতাই

রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার বা ২১ লাখ আট হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২৪ টাকা ধরে) ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রবিবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে শাপলা চত্বরসংলগ্ন জনতা ব্যাংকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ীর নাম লোকমান হোসেন। তাঁর হাত ও পায়ে তিনটি গুলি লেগেছে। তাঁকে উদ্ধার করে মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ভুক্তভোগীর দাবি, তাঁর ব্যাগে বৈদেশিক মুদ্রাসহ ৬০ লাখ টাকা ছিল। প্রাথমিক তদন্তে তাঁর এই তথ্য যাচাই করে পুলিশ দাবি করেছে, ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই করা হয়েছে।  

জানতে চাইলে মতিঝিল থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার কালের কণ্ঠকে বলেন, ওই ব্যক্তি মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবসায়ী বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তিনি মতিঝিল শাপলা চত্বর দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে করে এসে দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ নিয়ে যায়। পরে ওই ব্যবসায়ীকে পথচারীরা উদ্ধার করে মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

ওসি বলেন, ওই ব্যাগে ১৭ হাজার ডলার ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। মুদ্রার উৎসসহ বিস্তারিত জানতে ঘটনার তদন্ত চলছে। জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।

ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকা থেকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে যাচাই করছে। এতে ছয়জন দুষ্কৃতকারী তিনটি মোটরসাইকেলে এসে লোকমান নামের ওই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে তাঁর সঙ্গে থাকা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় বলে তথ্য পাওয়া যায়।

পুলিশ বলছে, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত হিসেবে দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করে। ওই ব্যবসায়ীর হাতের কনুইয়ের নিচে একটি ও হাঁটুর নিচে দুটি গুলি লেগেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, সড়কে পথচারীরা ছিল অনেক। সেই সঙ্গে গাড়ি চলছিল স্বাভাবিক গতিতে। ফুটপাতসহ আশপাশ এলাকার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কর্মব্যস্ততা ছিল। এর মধ্যেই মতিঝিলে জনতা ব্যাংক করপোরেট শাখার সামনে ছয়জন দুর্বৃত্ত তিনটি মোটরসাইকেলে এসে এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে তিন থেকে চার রাউন্ড গুলি করে। পরে তাঁর কাছে থাকা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।

পুলিশের ধারণা, ঘটনাটি পরিকল্পিত হতে পারে। ছিনতাই বা সংঘবদ্ধ অপরাধীচক্র আগে থেকেই লোকটির পিছু নেয়।

রিহ্যাব

সিঙ্গল ডিজিট সুদে গৃহঋণ ও বিশেষ তহবিলের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সিঙ্গল ডিজিট সুদে গৃহঋণ ও বিশেষ তহবিলের দাবি

আবাসন খাতকে গতিশীল রাখতে একটি বিশেষ হাউজিং তহবিল গঠন এবং সিঙ্গল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণ সুবিধা চালুর দাবি জানিয়েছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) নেতারা। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়সভা করে রিহ্যাবের একটি প্রতিনিধিদল। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই দাবি জানানো হয়।

বৈঠকে রিহ্যাবের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল। এতে আবাসন খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আলী আফজাল বলেন, প্রথমবারের মতো ফ্ল্যাট ক্রেতাদের জন্য স্বল্পসুদে ও সহজ শর্তে গৃহঋণ চালু করা গেলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের নিজস্ব আবাসনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে। একই সঙ্গে আবাসন খাতের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরো গতিশীল হবে।

রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঢাকাকে কার্যকরভাবে বিকেন্দ্রীকরণ করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে স্বল্পসুদের হাউজিং ঋণ সুবিধা সম্প্রসারণ করা জরুরি। এতে মানুষ রাজধানীর বাইরে বসবাসে আরো আগ্রহী হবে।

বৈঠকে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নে আবাসন খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, হাউজিং খাতের ঋণ ব্যাংকিং খাতের অন্যতম নিরাপদ ঋণ, যার ফলে অন্যান্য অনেক খাতের তুলনায় আবাসন ঋণের সুদের হার তুলনামূলকভাবে কম থাকে। বর্তমানে হাউজিং ঋণের সুদের হার অনেক ক্ষেত্রেই অন্যান্য ঋণের তুলনায় প্রায় ২ শতাংশ পর্যন্ত কম রয়েছে বলেও তিনি জানান।

গভর্নর বলেন, দীর্ঘমেয়াদি আবাসন ঋণের অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বন্ডভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আবাসন খাতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ আরো সম্প্রসারিত হবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য গৃহঋণ গ্রহণ সহজতর হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক আজ

সীমান্তে ড্রোন ও হেলিকপ্টার ওড়ানোর প্রতিবাদ জানাবে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সীমান্তে ড্রোন ও হেলিকপ্টার ওড়ানোর প্রতিবাদ জানাবে বাংলাদেশ

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় ড্রোন ও হেলিকপ্টার ওড়ানো এবং আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আজ সোমবার নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া বিজিবি-বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে এ বিষয়ে উদ্বেগ ও আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত হত্যা, পুশ ইন, চোরাচালান ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ও আলোচনায় আসবে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মধ্যে এটি ৫৭তম মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন। সম্মেলনে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

প্রতিনিধিদলে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রয়েছেন। অন্যদিকে বিএসএফ মহাপরিচালক প্রবীণ কুমারের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশ নেবে। আজ সকালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের ভারতে যাওয়ার কথা রয়েছে।

বর্তমান বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে এটিই প্রথম মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক। পুশ ইনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মহাপরিচালক পর্যায়ের এই আলোচনা ১৯৭৫ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বছরে একবার অনুষ্ঠিত হলেও ১৯৯৩ সাল থেকে বছরে দুইবার করে আয়োজন করা হচ্ছে। দুই দেশ পর্যায়ক্রমে ঢাকা ও দিল্লিতে এ বৈঠকের আয়োজন করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এবারের সম্মেলনে বিএসএফ, ভারতীয় নাগরিক ও দুষ্কৃতকারীদের হাতে সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ, পুশ ইন বন্ধ, অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং ভারত থেকে বাংলাদেশে মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্যের চোরাচালান রোধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

এ ছাড়া মানবপাচার প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়াসহ অননুমোদিত অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধ, চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের নিষ্পত্তি এবং সীমান্তসংক্রান্ত বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে।

আলোচ্যসূচিতে রয়েছে তিনবিঘা করিডর দিয়ে পাটগ্রাম থেকে দহগ্রাম পর্যন্ত অপটিক্যাল ফাইবার কেবল স্থাপন, আগরতলা থেকে আখাউড়াগামী চারটি খালের বর্জ্য পানি নিষ্কাশনের জন্য ইটিপি (ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) স্থাপন, মুহুরীর চর এলাকায় স্থায়ী সীমান্ত পিলার নির্মাণ এবং আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর তীর সংরক্ষণ কার্যক্রম।

এ ছাড়া আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য অবস্থান ও কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত তথ্যবিনিময়, সিবিএমপি (কো-অর্ডিনেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান) কার্যকর বাস্তবায়ন এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের বিষয়ও আলোচনায় থাকবে।

সূত্রগুলো আরো জানিয়েছে, ভারতীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চল সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচার বন্ধ এবং দুই বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নর্থ ইস্ট নিউজ জানিয়েছে, সম্মেলনে বিজিবি নজরদারি কার্যক্রমে ড্রোনের ঘন ঘন ব্যবহার এবং আকাশসীমা নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয় বিএসএফের কাছে তুলে ধরবে।

সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির নির্বাচনী বিজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্তে, বিশেষ করে বিএসএফ ও বিজিবিকে ঘিরে ভারত-বাংলাদেশ উত্তেজনা বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে, বিএসএফ দুর্গম, অরক্ষিত ও ঘন বনাঞ্চল, বিশেষ করে আসামের ধুবড়ি সেক্টরের নদীতীরবর্তী এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণের জন্য ইসরায়েলি প্রযুক্তির টিথারযুক্ত ড্রোন এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (আইএসআরও) সহযোগিতায় তৈরি রাডার-সজ্জিত মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ইউএভি) ব্যবহার করে।

মৃত ৬ শিশুর পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
মৃত ৬ শিশুর পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় কারণ দর্শানোর জন্য আরো ৪৮ ঘণ্টা সময় পেয়েছে আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে হাসপাতালটি।

গতকাল রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস কালের কণ্ঠকে বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের অতিরিক্ত ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী ৯ জুন মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে শোকজের জবাব দিতে হবে আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে।

তিনি বলেন, এর আগে হাসপাতালটিকে প্রথমে ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই তারা সময় বৃদ্ধির আবেদন করে। আবেদন বিবেচনায় নিয়ে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক অধিদপ্তরে এসে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেন।

এদিকে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতিটিকে ৮০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গতকাল সাংবাদিকদের পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য জানান হাসপাতালের আইনজীবী শিশির মনির।

তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আগে ঘোষিত অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও বহাল থাকবে। প্রতিটি পরিবারকে এরই মধ্যে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।

শিশির মনির বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে সশরীরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে উপস্থিত হয়ে শোকজের জবাব দিতে চায়। এ কারণে সময় বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে।গত ৪ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য গতকাল বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।

গত শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, সন্তোষজনক জবাব না পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।