গত বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে থামে ইংল্যান্ড। ১৯৬৬ সালে একমাত্র শিরোপা জেতা দলটি আর পারেনি শিরোপা ছুঁতে। ১৯৯০ ও ২০১৮ সালেও সেমিফাইনাল পর্যন্ত গিয়েই থেমেছে ইংলিশরা। কিন্তু টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের আলোতেই এবার জ্বলতে চায় ইংল্যান্ড। কারণ থ্রি লায়নসের আক্রমণের মূল ভরসা এই ফরোয়ার্ড নিজেই জানিয়েছেন ক্যারিয়ারের সেরা অবস্থানে আছেন তিনি। অবশ্য দলের কোচ টমাস টুখেলের দাবি, ইংল্যান্ড ফেভারিট নয়।
গত দুই বিশ্বকাপে ১১ ম্যাচে আটটি গোল এবং তিনটি অ্যাসিস্ট আছে কেইনের। এবারের ক্লাব মৌসুমে ইউরোপের মধ্যে সর্বাধিক ৩৬ গোলও করেছেন তিনি। বিশ্বকাপেও সেই পারফরম্যান্স দেখাতে পারলে তা হবে ইংলিশদের জন্য সোনায় সোহাগা। কেইনকে সহায়তা দিতে আছেন মার্কাস রাশফোর্ড এবং ফর্মে থাকা তরুণ বুকায়ো সাকা। মাঝমাঠে বলের জোগান দিতে ডেকলাইন রাইস আর এবেরেচি এজের ক্যারিসমাও চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে। তাই তিনি এবার স্বপ্ন দেখছেন দেশের ৬০ বছরের শিরোপা খরা ঘোচানোর। অবশ্য কোচ টুখেল বলেছেন, ‘আমরা টপ ফেভারিট নই, হতে পারি না, কারণ আমরা এটা জিততে পারছি না অনেক বছর।’ শেষ ওয়ার্ম-আপ ম্যাচে রাইস, অ্যান্থনি গর্ডন ও ওলি ওয়াটকিনসের গোলে কোস্টারিকার বিপক্ষে দারুণ জয়ও পেয়েছে তারা। ১৮ জুন ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে ইংল্যান্ড। ‘এল’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ ঘানা ও পানামা। রয়টার্স




