kalerkantho

বুধবার। ৬ মাঘ ১৪২৭। ২০ জানুয়ারি ২০২১। ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪২

৭৮৩ পুকুর জাল

তাড়াশ-রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৫ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিরাজগঞ্জ ও পাবনার নিমগাছী সমাজভিত্তিক মৎস্য প্রকল্পের ৭৮৩টি পুকুরের জাল কাগজ তৈরি করে সুফলভোগী ১২ হাজার সদস্যের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। প্রতিকার চেয়ে তাড়াশ ইউএনও কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ-রায়গঞ্জ এবং পাবনার ভাঙ্গুড়া-চাটমোহর উপজেলার নিমগাছী সমাজভিত্তিক মৎস্য চাষ প্রকল্পে ৭৮৩টি পুকুর রয়েছে, যা গত ২০১১ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে মৎস্য অধিদপ্তরে হস্তান্তরিত হয়। পুকুর পারের মৎস্য চাষি, বেকার তরুণ-তরুণী, মুক্তিযোদ্ধা, অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সমন্বয়ে দল গঠন করে প্রতিবছর রাজস্ব জমা দিয়ে মাছ চাষ করে। সে মোতাবেক চার উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার সুফলভোগী বাংলা ১৪২৯ সন পর্যন্ত মাছ চাষ করবে এমন চুক্তি রয়েছে।

সুফলভোগীদের সভাপতি বাবু লাল রজক জানান, সরকারি পুকুরগুলোর ভুয়া কাগজপত্র করে এলাকায় বিভ্রান্তির চেষ্টা করা হচ্ছে। এ নিয়ে সুফলভোগীদের বঞ্চিত করার চেষ্টাসহ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ জন্য তাঁরা সমিতির মাধ্যমে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাহেদ আলী জানান, ‘খাইবুর রহমান খোকনসহ কতিপয় প্রতারক আদালতের একটি ভুয়া রায় নিয়ে পুকুরগুলো দখলের চেষ্টা করছেন, যা নিয়ে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাগজপত্র যাচাই করেছেন। আর সেগুলো ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে। প্রতারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা