• ই-পেপার

ব্রাজিলের অনুশীলনে দেখা নেই নেইমারের

আজকের খেলা

আজকের খেলা

দক্ষিণ কোরিয়া-চেক প্রজাতন্ত্র

(সকাল ৮টা)

কানাডা-বসনিয়া

(রাত ১টা)

হবিগঞ্জে হামলার শিকার সেই মাহদী হাসপাতালে ভর্তি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
হবিগঞ্জে হামলার শিকার সেই মাহদী হাসপাতালে ভর্তি
মাহদী হাসান

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহদী হাসানের ওপর হামলা হয়েছে। আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জের সংগঠক আলমগীর হাসান আবিদের ভাষ্য মতে, মাহদীর ওপর কয়েক দিন ধরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলার চেষ্টা করে আসছিলেন। মাহদী হাসান গত বুধবার তাঁর ওপর হামলা চেষ্টার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দেন। এ সময় ছাত্রদলের কর্মীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করলে তিনি আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, হামলার সময় মাহদী আত্মরক্ষার চেষ্টা করলেও হামলাকারীরা তাঁকে ছাড় দেয়নি। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তিনি শ্বাসকষ্টে ভুগলে অক্সিজেন দেওয়া হয়।

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আবিদুর রেজা বলেন, আহত অবস্থায় মাহদী হাসানকে ভর্তি করা হলে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

এ ঘটনায় গতকাল বিকেল ৫টায় জেলা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান।

হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান বলেন, মাহদীর অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি ভাইরাল হওয়ার জন্য এসব করছেন। এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। চিকিৎসার জন্য তাঁকে হাসপাতালে পাঠাই। ওসি বলেন, ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহদী হাসান অভিযোগ করেছেন, ফেসবুকে তাঁর দেওয়া একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে গত বুধবার ছাত্রদলের কর্মীরা তাঁকে ধাওয়া করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি হবিগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন। ওই দিন দুপুরে শহরের বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সামনে এই ঘটনা ঘটে। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। মাহদী হাসান নিজের গুরুত্ব বাড়ানোর জন্য এবং ভাইরাল হওয়ার জন্য মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। পুলিশও বলেছে, এ ঘটনার কোনো সত্যতা খুঁজে পায়নি তারা।

জানা গেছে, গত ২ জানুয়ারি মাহদী জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানায় গিয়ে ওসিকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম।’—এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি আলোচনায় আসেন।

গতকাল গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে মাহদী জানান, সম্প্রতি নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া রাজনৈতিক স্ট্যাটাস নিয়ে তাঁকে লক্ষ্য করে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জেলা ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী সহজভাবে নেননি।

ইউএনএইচসিআর

বিশ্বে প্রতি ৭০ জনের মধ্যে একজন জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
বিশ্বে প্রতি ৭০ জনের মধ্যে একজন জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত

বিশ্বজুড়ে বর্তমানে অন্তত ১১ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে। অর্থাৎ বিশ্বের প্রতি ৭০ জন মানুষের মধ্যে একজন নিজের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে বলে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

তবে গত ১০ বছরের মধ্যে এই প্রথমবার বিশ্বব্যাপী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির মোট সংখ্যা কিছুটা কমেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মূলত বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় শরণার্থী সংকটের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া বিপুলসংখ্যক মানুষের নিজ দেশে বা এলাকায় ফিরে যাওয়ার কারণেই এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

সংস্থাটি জানায়, এখনো দীর্ঘমেয়াদি বাস্তুচ্যুতির শিকার শরণার্থীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেশি। ২০২৫ সালে সংঘাত ও নিপীড়নের কারণে ৫৪ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। যার ফলে বিশ্বজুড়ে শরণার্থী বা শরণার্থীসদৃশ পরিস্থিতিতে থাকা মানুষের মোট সংখ্যা চার কোটি ১৬ লাখে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ফিলিস্তিনি শরণার্থী ৬০ লাখ।

একই সময়ে প্রায় এক কোটি ৪৭ লাখ শরণার্থী ও অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ নিজ দেশে বা এলাকায় ফিরে গেছে। এই সংখ্যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৪৯ শতাংশ বেশি এবং ১৯৬৫ সালের পর ইউএনএইচসিআরের রেকর্ড করা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যা। ফিরে যাওয়া ব্যক্তিদের ৯২ শতাংশই ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (৩৬ লাখ), সুদান (৩৫ লাখ), সিরিয়া (৩৩ লাখ), আফগানিস্তান (২০ লাখ), ইউক্রেন (সাত লাখ ১৮ হাজার ৩০০) ও মায়ানমারের (চার লাখ ১৫ হাজার ২০০) নাগরিক।

তবে ফিরে যাওয়া ব্যক্তিরা অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর। সেখানে মৌলিক পরিষেবাগুলোর অভাব, অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং চলমান নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাদের। ফলে এই প্রত্যাবর্তনের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়েও দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।

প্রতিবেদনটিতে মায়ানমারে চার লাখ ১৫ হাজার ২০০ শরণার্থী বা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ নিজ দেশে বা এলাকায় ফিরে গেছে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে তারা রোহিঙ্গা, না অন্য শরণার্থী, না অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

২০১৭ সালে মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সামরিক বাহিনীর সহিংস দমন-পীড়নের মুখে দেশটির রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সাড়ে সাত লাখেরও বেশি মানুষ বাংলাদেশে পালিয়ে আসে, তার পর থেকে সংখ্যাটি বাড়তে থাকে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্যে বাংলাদেশের নথিবদ্ধ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ছয় হাজার বলে জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর।

এদিকে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে প্রায় ২৯ লাখ আফগান নাগরিক দেশে ফিরে গেছে, যার মধ্যে ১৯ লাখই শরণার্থী। এই সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি। মূলত প্রতিবেশী ইরান ও পাকিস্তানের কঠোর নীতির কারণে তারা ফিরতে বাধ্য হয়েছে। অনেকের মতে, ফিরে আসা ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো উপায় ছিল না। এই ব্যাপক প্রত্যাবর্তনের ফলে বিশ্বজুড়ে আফগান শরণার্থীর সংখ্যা ২০২৪ সালের ৫৮ লাখ থেকে কমে ২০২৫ সালে ৩৭ লাখে এসেছে।

এ ছাড়া এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম বাস্তুচ্যুতি সংকটে থাকা সিরিয়ায় ২০২৫ সালে প্রায় ১৩ লাখ মানুষ ফিরে গেছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় তিন গুণ।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট এরই মধ্যে ২০২৬ সালের বৈশ্বিক বাস্তুচ্যুতির প্রবণতাকে প্রভাবিত করেছে। ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে ইরানে প্রায় ৩২ লাখ মানুষ সাময়িকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অন্যদিকে ২ মার্চ হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলা ও এলাকা ছেড়ে যাওয়ার আদেশের কারণে লেবাননে প্রায় ১০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

ইউএনএইচসিআর জানায়, বিশ্বব্যাপী ৭০ শতাংশ শরণার্থীই পাঁচ বছর বা তার বেশি সময় ধরে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছে। মানবিক সহায়তার প্রয়োজন এমন দীর্ঘমেয়াদি শরণার্থীদের সংখ্যা ২০৩৫ সালের মধ্যে অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি। সূত্র : রয়টার্স, আল জাজিরা

৬ নবজাতকের মৃত্যু

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘোষণা দেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শোকজ নোটিশের জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যে ব্যাখ্যা দিয়েছে, তা সন্তোষজনক নয়। তাই মেডিক্যাল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস রেগুলেশন অর্ডিন্যান্স ১৯৮২-এর ১১(২)(খ) ধারা অনুযায়ী হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ওই অধ্যাদেশের ১২ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিলের পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরকারের কাছে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করার আইনি সুযোগ রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ মে সকালে মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছটফট করতে করতে একে একে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকা, বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা এবং বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ।

গত ৪ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। একই দিন বিকেলে হাসপাতালটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছয় নবজাতকের  মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটির লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা ৭ জুন বিকেল ৫টার মধ্যে জানাতে বলা হয় নোটিশে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আরো ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বুধবার বলেছিলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নোটিশের যে জবাব দিয়েছে, তা সন্তোষজনক নয়। এ ঘটনায় ২৮ মে মৃত নবজাতকদের একজনের বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির রবিবার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে।

আদ-দ্বীন উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ও স্বত্বাধিকারী ডা. শেখ মহিউদ্দিনকে সম্বোধন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক স্মারকে বলা হয়েছে, গত ২৭ মে ছয় নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাঠানো জবাব ও ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় ১৯৮২ সালের দ্য মেডিক্যাল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্সের ১১(২)(খ) ধারা অনুযায়ী হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

লাইসেন্স বাতিলের পর বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীদের করণীয় সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, লাইসেন্সবিহীন হাসপাতালে কোনো রোগীর চিকিৎসা নেওয়া উচিত নয়। বর্তমানে যাঁরা সেখানে চিকিৎসাধীন, তাঁদের নিকটবর্তী উপযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে। রোগীদের কোনো ধরনের সহায়তার প্রয়োজন হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানাতে বলা হয়েছে।