আয়াতের অর্থ
‘বলো, তোমরা ভেবে দেখেছ কি যদি এই কোরআন আল্লাহর কাছ থেকে অবতীর্ণ হয়ে থাকে আর তোমরা তাতে অবিশ্বাস করো, অথচ বনি ইসরাঈলের একজন এর অনুরূপ কিতাব সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছে এবং তাতে বিশ্বাস স্থাপন করল; আর তোমরা ঔদ্ধত্য প্রকাশ করো, তা হলে তোমাদের পরিণাম কি হবে?...আরবি ভাষায়, যেন তা জালিমদের সতর্ক করে এবং যারা সৎকর্ম করে তাদের সুসংবাদ দেয়।’ (সুরা : আহকাফ, আয়াত : ১০-১২)
আয়াতগুলোতে ইহুদি-খ্রিস্টানদের সত্যবিমুখতার নিন্দা করা হয়েছে।
শিক্ষা ও বিধান
১. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অদৃশ্যের জ্ঞান বিষয়ে এভাবে বলা উত্তম ‘আল্লাহ তাঁকে অদৃশ্যের অনেক জ্ঞান দিয়েছিলেন, যা অন্য কোনো নবী-রাসুলকে দান করেননি।’
২. ইহুদি-খ্রিস্টানদের মধ্যে যারা মুহাম্মদ (সা.)-এর নবুয়ত অস্বীকার করে তারা নিজেদের ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে অজ্ঞ। কেননা তাওরাত ও ইনজিলে তাঁর আগমন ও বৈশিষ্ট্যের বিবরণ রয়েছে।
৩. আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত বহু ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্ম-পণ্ডিত তাদের ধর্মগ্রন্থ পড়েই মুসলিম হয়েছে।
৪. অহংকার ও গর্ব মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধিকে বিকৃত করে দেয়। ফলে অহংকারী সত্যের সন্ধান পায় না।
৫. মুসলিম দাস-দাসীকে তাচ্ছিল্য করে কুরাইশ সর্দাররা বলত, ইসলাম ভালো হলে নিম্ন শ্রেণির মানুষরা তা গ্রহণ করত না। (মাআরেফুল কোরআন : ৭/৭৯১)


