• ই-পেপার

হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল হচ্ছে?

আর্জেন্টিনার জার্সিতে ট্রাইব্যুনালে পলক, ভিডিও ভাইরাল

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনার জার্সিতে ট্রাইব্যুনালে পলক, ভিডিও ভাইরাল

সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি পরা অবস্থায় ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে দেখা গেছে। সোমবার (১৫ জুন) এসংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি পরা অবস্থায় পলক পুলিশের প্রিজন ভ্যান থেকে নেমে  ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে হাঁটছেন। এ সময় তার সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও ছিলেন। ট্রাইব্যুনাল এলাকায় উপস্থিত কয়েকজনকে মোবাইল ফোনে ওই দৃশ্য ধারণ করতে দেখা যায়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিও প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ভাইরাল হয়ে যায়। অনেক ব্যবহারকারী বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন।

২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে থাকাবস্থায় ১৪ আগস্ট খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন পলক। বর্তমানে তিনি একাধিক হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে রয়েছেন। এসব মামলার শুনানির অংশ হিসেবেই তাকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন তিনি। 

ড. আসিফ নজরুলের ক্ষমা চাওয়া উচিত : মাসুদ কামাল

অনলাইন ডেস্ক
ড. আসিফ নজরুলের ক্ষমা চাওয়া উচিত : মাসুদ কামাল
সংগৃহীত ছবি

সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেছেন, ড. আসিফ নজরুল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন পাওয়ারফুল উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি ‘বাংলাদেশে ২৬ লক্ষ ভারতীয় আছে’ বলে মন্তব্য করেছেন। ওনাকে বিভিন্ন সময় অনেকে এই ২৬ লক্ষ্যের হিসাব চাইলেও তিনি দিতে পারে নাই।  ওনার ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

সম্প্রতি এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 
 
তিনি বলেন, ভারত পৃথিবীর যে কয়েকটি দেশ থেকে রেমিট্যান্স আনে তার মধ্যে ১০ এর মধ্যে বাংলাদেশ আছে। মানে বাংলাদেশের অনেক প্রতিষ্ঠানে ভারতীয়রা উচ্চ বেতনের চাকরি করেন। তার রেমিট্যান্স নিয়ে যান। অনেকে হুন্ডি করে নিয়ে যান। কিন্তু বাংলাদেশের লোক ভারতে চাকরি করে টাকা নিয়ে আসে এটা প্রমাণ করা কঠিন। তবে আসিফ নজরুল যে কথা বলেছেন এটা একটা জাস্ট ব্লেম।

দেশে না ফিরলে আওয়ামী লীগ ‘মুসলিম লীগ’ হয়ে যাবে : গোলাম মাওলা রনি

অনলাইন ডেস্ক
দেশে না ফিরলে আওয়ামী লীগ ‘মুসলিম লীগ’ হয়ে যাবে : গোলাম মাওলা রনি
ফাইল ছবি

ক্ষমতা হারানোর পর বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে আওয়ামী লীগ। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে হলে দলটির নেতাকর্মীদের বিদেশে বসে রাজনীতি না করে দেশে ফিরে আসতে হবে। তা না হলে আওয়ামী লীগ একসময় রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে ‘মুসলিম লীগ’-এ পরিণত হবে বলে বন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি।

গোলাম মাওলা রনি বলেন, নব্বইয়ের দশকে এরশাদ সরকারের পতনের পর জাতীয় পার্টি কিংবা বিভিন্ন সময়ে বিএনপির ওপর বড় ধরনের রাজনৈতিক বিপর্যয় এসেছিল। জিয়াউর রহমানের মৃত্যু, এরশাদ সরকারের আমলে ক্ষমতাচ্যুতি কিংবা এক-এগারোর (১/১১) পটপরিবর্তনের সময়ও বিএনপি কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়েছিল।

তিনি উল্লেখ করেন, সে সময় বিএনপির তারেক রহমানকে চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রটোকল দিয়ে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল। তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও দলের শীর্ষ নেতারা দেশেই ছিলেন, অনেকে জেল খেটেছেন। কিন্তু দলটির তৃণমূল ও নেতৃত্ব মাঠ ছাড়েনি। একইভাবে জাসদ, সর্বহারা পার্টি বা জামায়াতে ইসলামীর মতো দলগুলোও চরম বিপদে কৌশলগত কারণে নেতৃত্ব বদল করলেও তাদের বড় একটি অংশ মাঠেই ছিল।

আওয়ামী লীগের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সাবেক এই সাংসদ বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারিয়েছে প্রায় দু বছর হতে চলল। কিন্তু এই সময়ে দলটির ভেতর কোনো ইতিবাচক বিবর্তন বা নেতৃত্বের পরিমার্জন দেখা যাচ্ছে না। 

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ ও মাঝারি সারির সিংহভাগ নেতাই এখন ভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। দিল্লি, কলকাতা, নিউইয়র্ক বা কানাডায় বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন তারা। এভাবে দূর দেশে বসে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে ফাঁকা আওয়াজ বা হুমকি দিয়ে বাংলাদেশে রাজনীতি টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

গোলাম মাওলা রনি বলেন, আওয়ামী লীগকে কাগজে-কলমে নিষিদ্ধ করা হলো কি না—সেটি বড় বিষয় নয়। মূল সংকট হলো দলটির মাঠপর্যায়ের অনুপস্থিতি। তিনি বলেন, সব পরিণতি মেনে নিয়ে আওয়ামী লীগ যদি সাহস করে বাংলাদেশে ফিরে না আসে, তবে দলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ‘মুসলিম লীগ’-এর মতো বিলুপ্তির পথে হেঁটে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের অনেক নেতার বিরুদ্ধে মামলা থাকলেও আদালতের মাধ্যমে জামিন পাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, সাবেক সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানসহ কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, দীপু মনি, শাহজাহান খান বা আনিসুল হকদের মতো নেতাদেরও ভবিষ্যতে জামিন হয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

গোলাম মাওলা রনি বলেন, যারা স্রেফ আতঙ্কের কারণে দেশ ছেড়েছেন, তাদের ভয় ও দুর্নাম দিন দিন বাড়তেই থাকবে। বিদেশে বসে থাকলে একসময় রাজনৈতিক অস্তিত্বের পাশাপাশি তাদের অর্জিত সম্পদও শেষ হয়ে যাবে। তাই এ দেশে রাজনীতি করতে হলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সব ঝুঁকি নিয়ে দেশেই ফিরে আসতে হবে।

গোলাম মাওলা রনি

রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ার চেষ্টা করলে কপাল পুড়বে

অনলাইন ডেস্ক
রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ার চেষ্টা করলে কপাল পুড়বে

রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ার চেষ্টা যারা করবেন, তাদের সকলেরই কপাল পুড়বে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি। তিনি বলেন, ‘যারা রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ার চেষ্টা করবেন, তারা দলের ভেতরে মার খাবেন, দলের বাইরেও মার খাবেন। যারা নিয়োগ দিয়েছে তাদের হাতেও মার খাবেন, পাবলিকের হাতেও মার খাবেন।’

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে ‘তিনতন্ত্র’ নামের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন তিনি।

গোলাম মাওলা রনি বলেন, ‘পরিশুদ্ধ রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ আসলে হয় না। গৃহপালিত কখনো বিরোধী দল হয় না। বৃহৎ শক্তির সঙ্গে ছোট শক্তি যেভাবে আপনি যুক্ত করেন না কেন, মুহূর্তের মধ্যে সেটা শেষ হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে এভাবে যারা তাঁবেদারি করার চেষ্টা করেছে, জাতীয় পার্টি, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন, মইন উদ্দীন খান বাদল- এ সমস্ত বড় বড় নেতার দল, রাজনীতি, ব্যক্তিত্ব সব শেষ হয়ে গেছে। সেই তুলনায় বর্তমান সরকারের সঙ্গে যারা তেলবাজি করছেন, যারা সরকারের পার্ট হয়েছেন, বর্তমান সরকারের সঙ্গে যারা দালালি করছেন, তারা কিছুই না। মাছিও না মশাও না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিজেদেরকে যত কথাই বলুক না কেন- সেটা রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ হোক, সেটা ডিজিএফআইয়ের কথা হোক, এনএসআইয়ের কথা হোক, ভারতের রয়ের দালালিতে হোক, রয়ের প্রলোভনে হোক, তারেক রহমান সাহেবের দয়ায় হোক, কোনোভাবে নিজেদেরকে রিফাইনড পরিচয় দিয়ে তারা যদি ক্ষমতায় আসতে চায়, কারো কাছে দস্তখত দিয়ে যদি ক্ষমতায় ফিরতে চায়, কারো কাছে শৃঙ্খলিত হয়ে যদি ক্ষমতায় ফিরতে চায়, রাজনীতিতে ফিরতে চায়- এটা হবে না। এটা বরং আরো শেষ হয়ে যাবে।’

গোলাম মাওলা রনি বলেন, ‘যখন কোনো কিছু রিফাইন্ড করেন, তখন আর সেটার অরিজিনালিটি থাকে না। আপনি ধরেন পানি- পানিকে আপনি যখন ডিস্টিল ওয়াটার করেন, সেটাকে আর মিনারেল ওয়াটার বলে না, সেটা ডিস্টিল ওয়াটার হয়ে যায়। ডিস্টিল ওয়াটার খাওয়া যায় না। প্রত্যেকটা রিফাইন্ড জিনিস এরকম- এগুলোর মধ্যে যে প্রাকৃতিক ইনগ্রেডিয়েন্টস থাকে, সেই ইনগ্রেডিয়েন্টস থাকে না। প্রাকৃতিক যে বৈশিষ্ট্য, সেটা থাকে না। সেদিক থেকে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কতগুলো প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সেটা যদি না থাকে আওয়ামী লীগের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’