আয়াতের অর্থ
‘মুত্তাকিরা থাকবে নিরাপদ স্থানে, উদ্যান ও ঝরনার মধ্যে, তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু রেশমি বস্ত্র এবং মুখোমুখি হয়ে বসবে। এরূপই ঘটবে, আমি তাদের সঙ্গিনী দান করব আয়তলোচনা হুর, সেখানে তারা প্রশান্তচিত্তে বিবিধ ফলমূল আনতে বলবে, প্রথম মৃত্যুর পর তারা সেখানে আর মৃত্যু আস্বাদন করবে না। আর তাদের জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করবেন তোমাদের প্রতিপালক নিজ অনুগ্রহে। এটাই মহাসাফল্য। আমি তাদের ভাষায় কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। সুতরাং তুমি প্রতীক্ষা করো, তারাও প্রতীক্ষমাণ।’ (সুরা : দুখান, আয়াত : ৫১-৫৯)
আয়াতগুলোতে জান্নাতের নিয়ামতগুলো বর্ণনা করা হয়েছে।
শিক্ষা ও বিধান
১. আয়াতে জান্নাতিদের প্রত্যাশিত ও প্রয়োজনীয় ছয়টি নিয়ামত প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
২. ছয়টি নিয়ামত হলো : ক. উত্তম বাসস্থান, খ. উত্তম পোশাক, গ. আকর্ষণীয় জীবনসঙ্গী, ঘ. সুস্বাদু খাবার, ঙ. নিয়ামতগুলোর স্থায়িত্বের নিশ্চয়তা, চ. দুঃখ-কষ্ট থেকে পরিপূর্ণ নিরাপত্তা।
৩. জান্নাতে জান্নাতিদের বিয়ে হবে সম্মানজনক, নতুবা সেখানে বিধি-বিধানের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না।
৪. জান্নাতে জীবনের স্বাদ বিনষ্টকারী মৃত্যু থাকবে না। কিয়ামত দিবসে পুনরুত্থানের পর মানুষের আর মৃত্যু হবে না।
৫. কোরআন থেকে উপদেশ গ্রহণ করা সহজ এবং কোরআন উপেক্ষা করার পরিণতি ভয়াবহ। (বুরহানুল কুরআন : ৩/৩৪১)


