kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩ আগস্ট ২০২১। ২৩ জিলহজ ১৪৪২

উপমহাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষার সূচনা ও বিকাশ

আল আমিন আশরাফি

১১ নভেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



উপমহাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষার সূচনা ও বিকাশ

ভারতবর্ষে মাদ্রাসা শিক্ষার সূচনা হয় ৭১১ সালে, মুহাম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের পর পরই। সিন্ধু বিজয়ের হাত ধরে ভারতে মাদ্রাসা শিক্ষা বা ইসলামী শিক্ষার যাত্রা শুরু হলেও প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয় এরও বেশ কিছুকাল পর। মুহাম্মদ ঘুরী ১২০০ শতকের শেষদিকে ভারতে তুর্কি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। ১১৯১ সালে তিনি আজমীরে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর মোগল আমলে ভারতবর্ষে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার বিস্তার ঘটে। ভারতবর্ষে মুসলিম শাসকদের শাসনামলে শিক্ষাব্যবস্থা ও ধর্ম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত ছিল। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত UNESCO-i Studies on Compulsory Education-এ উল্লেখ করা হয়েছে : ‘মুসলিম শাসনামলে শিক্ষা ও ধর্মকে অত্যন্ত অঙ্গাঙ্গিভাবে বিবেচনা করা হতো।’ সে আমলে মুসলিম পরিবারের শিশুদের হাতেখড়ি হতো পবিত্র কোরআনের শিক্ষার মাধ্যমে। ইতিহাসবিদ এ আর মল্লিক লিখেছেন : ‘বাংলার মুসলমানদের অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে যখন কোনো সন্তানের বয়স চার বছর চার মাস চার দিন পূর্ণ হতো, তখন তার বিদ্যাশিক্ষার সূচনা হতো। একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পবিত্র কোরআনের কিছু অংশ শিশুকে পাঠ করে শোনানো হতো। শিশু তা পুনরাবৃত্তি করত। এ ছিল প্রতিটি মুসলিম পরিবারের অপরিহার্য প্রথা।’ (A. R. Mallic, British policy And Muslim in Bengal, p.149)

সুলতানি আমলে মাদ্রাসা শিক্ষা

তেরো শতকের প্রারম্ভে ১২০৫ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খিলজির বাংলার একটি সীমান্তবর্তী অঞ্চল নদিয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় প্রথমবারের মতো মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়। পরবর্তী সময়ে প্রায় শত বছরের মধ্যেই সারা বাংলায় মুসলিম শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। ১২৫৩ খ্রিস্টাব্দে সারা বাংলাকে একত্র করে সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ স্বাধীন বাংলার মুসলিম রাষ্ট্র গঠন করেন। পরবর্তী সময়ে এটি প্রায় কয়েক শ বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকে থাকে। ভারতে ‘দিল্লি সুলতানাত’ স্থায়ী হয় প্রায় ৩২৫ বছর (১২০১-১৫২৮)। কারো কারো মতে, ৩২০ বছর (১২০৬-১৫২৬)। চারজন তুর্কি ও একজন আফগান বংশোদ্ভূত সুলতান এই সময় দিল্লি ও এর আশপাশের এলাকা নিয়ে সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। এ সময় ভারতে ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশে ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই উদ্যোগের একটি প্রধান দিক ছিল মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ। দিল্লিতে প্রথম মাদ্রাসা স্থাপিত হয় শামসুদ্দিন ইলতুিমশের আমলে (১২১১-১২৩৬)। তাঁর শাসনামলে গোটা দিল্লি নগরী তদানীন্তন ভারতের জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে গৌরব ও মর্যাদা লাভ করেছিল। দিল্লি সুলতানাতের পাঁচটি রাজবংশের মধ্যে তুঘলকদের আমলে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয় সবচেয়ে বেশি। মুহাম্মদ বিন তুঘলকের ২৫ বছরের শাসনামলে কেবল দিল্লিতেই প্রায় এক হাজার মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। ফিরোজশাহ তুঘলক (১৩৫১-১৩৮৮ খ্রিস্টাব্দ) তাঁর রাজত্বকালে শিক্ষা খাতে মোট ১,৩০,০০,০০০ তংকা ব্যয় করেছেন। এ থেকে আলিম ও শিক্ষকরা পেয়েছেন ৩৬,০০,০০০ তংকা। অবশিষ্ট অর্থ প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, গ্রন্থ সংগ্রহ, গ্রন্থ প্রকাশনা ইত্যাদি কাজে ব্যয় করা হয়।

মোগল আমলে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা

১১৯৭ সালে বখতিয়ার খিলজির সামরিক অভিযানের পর থেকে মাদ্রাসা ও মক্তব শাসকদের অনুদান পেতে থাকে। বখতিয়ার খিলজি নিজে এবং তাঁর পরবর্তী শাসকরাও বেশ কিছু মাদ্রাসা স্থাপন করেন।

মোগল আমলে মাদ্রাসার সংখ্যা বহু গুণ বেড়ে যায়। সম্রাট বাবরের আমলের (১৫২৬-১৫৩০) রাজদরবারের কাগজপত্র থেকে জানা যায়, বাবরের প্রশাসন মনে করত, জনগণের শিক্ষা হচ্ছে শাসকের দায়িত্ব। আকবরের আমলে শিক্ষাব্যবস্থাকে উন্নত করার জন্য একটি বিশেষ বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে (১৬০৫-১৬২৭) একটি বিশেষ আইন জারি ছিল যে যখন কোনো বিদেশি নাগরিক বা কোনো দেশীয় ব্যবসায়ী কোনো উত্তরাধিকারী না রেখে মৃত্যুবরণ করতেন, তখন তার রেখে যাওয়া ভবনগুলো মেরামত করে মাদ্রাসা কিংবা অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হতো।

মাদ্রাসায় শিক্ষিত উলামাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে মোগল শাসকদের। এমনকি কোনো কোনো সম্রাট আলেমদের যুদ্ধক্ষেত্রেও নিয়ে যেতেন প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য।

মোগল আমলে আলেমরা প্রধানত তিনটি বিশেষ কাজে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করতেন—এক. রাজপরিবারের শিক্ষাদীক্ষা দেওয়া, দুই. আদালতে কাজিগিরি বা বিচারকের দায়িত্ব পালন এবং তিন. সম্রাটদের বিভিন্ন রকমের দাতব্য কাজকর্মের তদারকি করা।

এ বিষয়ে ইংরেজ ইতিহাসবিদ উইলিয়াম হান্টার লিখেছেন, ‘কাজি অথবা মুসলমান আইনজ্ঞরা দেওয়ানি আদালতে বিচার করতেন। এমনকি আমরা যখন সর্বপ্রথম শিক্ষিত আহলে বিলাতি দিয়ে এ দেশের বিচারকাজ চালানোর চেষ্টা করলাম, তখনো মুসলমান আইনজ্ঞরা আইনের পরামর্শদাতা হিসেবে তাদের সঙ্গে রীতিমতো উঠাবসা করতেন। ইসলামী বিধিব্যবস্থাই এ দেশের আইন-কানুন ছিল এবং সরকারি ছোটখাটো অফিসগুলো মুসলমানদেরই সম্পত্তি ছিল। তারাই সরকারি ভাষা বলতে পারত এবং প্রচলিত ফারসি অক্ষরে লেখা সরকারি নথিপত্র একমাত্র তারাই পড়তে পারত।’ (উইলিয়াম হান্টার, দি ইন্ডিয়ান মুসলমানস, আবদুল মওদুদ অনূদিত, আহমদ পাবলিশিং হাউস, বাংলাবাজার, ঢাকা, চতুর্থ মুদ্রণ, জুন ২০০৮, পৃ. ১০৯)

ইংরেজদের আমলে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা

১৭৫৭ সালে পলাশী যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়, ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিপ্লবের পর গোটা পাক-ভারত উপমহাদেশে ব্রিটিশ বেনিয়াদের চূড়ান্ত আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশরা এসেই মুসলমানদের সমূলে উৎপাটনের জন্য সর্বশক্তি প্রয়োগ করে। তারা চিন্তা করে, রাজ্যহারা মুসলমানদের অর্থনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও ধর্মীয় দিক থেকে পঙ্গু ও সর্বস্বান্ত করতে না পারলে মুসলমানরা সুযোগ পেলেই ক্ষমতা দখলের লড়াই শুরু করবে। তাই তারা মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থা আমূল পরিবর্তনে মনোযোগ দেয়।

প্রথমেই তারা তৎকালীন সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী শিক্ষামাধ্যম কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা বন্ধ করার ফন্দি বের করে। গবেষক এ জেড এম শামসুল আলম লিখেছেন : ‘বখতিয়ার খিলজির বাংলা জয়ের পর থেকে প্রায় ৫০০ বছর পর্যন্ত সুবে বাংলা ছিল জ্ঞানচর্চার একটি কেন্দ্র। মুসলিম সুবাদার, সুলতান, নায়েব, নাজিমগণ মাদ্রাসা ও খানকার জন্য উদার হস্তে দান করতেন। নগদ অর্থ যা দিতেন, লাখেরাজ সম্পদ দিতেন তার চেয়ে অনেক বেশি।

পলাশীর যুদ্ধ, উদয়নালা-বক্সারের পরাজয়ের পর ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির নামেমাত্র মোগল বাদশা শাহ আলম সুবে বাংলার দেওয়ানি বা রাজস্বব্যবস্থার দায়িত্ব বার্ষিক ২৬ লাখ টাকার নজরানার বিনিময়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির হাতে তুলে দিতে বাধ্য হন। ১৭৬৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সম্পাদিত নবাব মীরজাফর ও রবার্ট ক্লাইভ চুক্তিমূলে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি নবাব মীরজাফরকে আদায়কৃত রাজস্ব থেকে প্রদান করত ৫৩,৮৬,১৩১ টাকা। এ সামান্য টাকার বিনিময়ে বাংলার জনগণের ভাগ্য বিক্রয় হয়ে গেল ইংরেজদের হাতে। ইংরেজরা সুবে বাংলার খাজনা আদায়ের দায়িত্ব পেয়ে লক্ষ করে যে ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় ৮০ হাজার মক্তব ও মাদ্রাসা ছিল। এই ৮০ হাজার মক্তব, মাদ্রাসা ও খানকার জন্য বাংলার চার ভাগের এক ভাগ জমি লাখেরাজভাবে বরাদ্দ ছিল। ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি ক্রমেই এই লাখেরাজ সম্পত্তি আইন, বিধিবিধান প্রণয়ন ও জোরজবরদস্তি করে দেশের হিন্দু জমিদার ও প্রজাদের ইজারা দিতে থাকে। এ-সংক্রান্ত তিনটি বিধান হলো : (১) ১৭৯৩ সালের রেগুলেশন—১৯, (২) ১৯১৮ সালের রেগুলেশন—২, (৩) রিজামসান ল অব ১৮২৮ (লাখেরাজ ভূমি পুনঃ গ্রহণ আইন)। ফলে মাদ্রাসার আয় কমতে থাকে। বহু মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে যায়। গুটি কয়েক মাদ্রাসা কোনো রকমে অস্তিত্ব বজায় রাখতে সক্ষম হয়। ১৭৬৫ সালে বাংলায় মাদ্রাসার সংখ্যা ছিল আশি হাজার। ২০০ বছর পর ১৯৬৫ সালে এ সংখ্যা দুই হাজারের নিচে নেমে আসে।’ (এ জেড এম শামসুল আলম, মাদ্রাসা শিক্ষা, বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ বুক সোসাইটি লিমিটেড, চট্টগ্রাম-ঢাকা, দ্বিতীয় সংস্করণ : মে-২০০২, পৃ. ৩-৪)

এ ব্যাপারে হান্টারের বক্তব্য হলো, ‘শত শত মুসলমান পরিবার ধ্বংস হয়ে গেল এবং তাদের শিক্ষাপ্রণালী, যা এত দিন লাখেরাজ ওয়াকেফর জমিজমার ওপর নির্ভরশীল ছিল, মারাত্মক আঘাত পেল। মুসলমান আলিম-সমাজ (ওয়াকেফর জমিজমার মামলা নিয়ে) প্রায় আঠারো বছরের হয়রানির পর একেবারে ধ্বংস হয়ে গেল।’ (ইন্ডিয়ান মুসলমানস, পৃ. ১২১-১২২)

কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক ব্রিটিশ ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা কতটা শক্তিশালী ছিল, তা বোঝার জন্য হান্টারের মূল্যায়ন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি রাখে। হান্টার লিখেছেন : ‘এ দেশটা আমাদের হুকুমতে আসার আগে মুসলমানরা শুধু শাসন ব্যাপারেই নয়, শিক্ষা ক্ষেত্রেও ভারতের শ্রেষ্ঠ জাতি ছিল। ভারতের যে প্রসিদ্ধ (ইংরেজ) রাষ্ট্রনেতা তাদের ভালোভাবে জানেন, তাঁর কথায় : ভারতীয় মুসলমানদের এমন একটা শিক্ষাপ্রণালী ছিল, যেটা আমাদের আমদানি করা প্রণালীর চেয়ে নিম্ন হলেও কোনো ক্রমেই ঘৃণার যোগ্য ছিল না। তার দ্বারা উচ্চস্তরের জ্ঞান বিকাশ ও বুদ্ধিবৃত্তি পরিচ্ছন্ন হতো। সেটা পুরনো ছাঁচের হলেও তার ভিত্তিমূল সুদৃঢ় ছিল এবং সেকালের অন্য সব প্রণালীর চেয়ে নিঃসন্দেহে উত্কৃষ্ট ছিল। এই শিক্ষাব্যবস্থায়ই তারা মানসিক ও আর্থিক প্রাধান্য সহজেই অধিকার করেছিল।’ (ইন্ডিয়ান মুসলমানস, পৃষ্ঠা-১১৬)

এদিকে কওমি ধারার শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে ইংরেজরা মুসলমানদের ধর্ম শেখানোর জন্য কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে। এ জেড এম শামসুল আলম লিখেছেন : ‘ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৮০ সালে কলকাতা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। কলকাতা মাদ্রাসার মুসলিম অধ্যক্ষ ছিলেন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ১৪৭ বছর পর ১৯২৭ সালে নিযুক্ত শামসুল উলামা কামালুদ্দিন আহমদ। এর আগে প্রথম অধ্যক্ষ ড. এ স্পেনজার থেকে আলেকজান্ডার হেমিলটন হার্লি পর্যন্ত ২৫ জন অধ্যক্ষ ছিলেন ইংরেজ নাছারা। ১৭৮০ সালে মাদ্রাসা স্থাপিত হওয়ার পর ১৭৯০ পর্যন্ত ১০ বছর কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসার পাঠ্যতালিকায় দারসে নেজামিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল। অতঃপর মাদ্রাসা সিলেবাস থেকে হাদিস, তাফসির বাদ দেওয়া হয়। ১১৮ বছর পর ১৯০৮ সালে কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় হাদিস, তাফসির শিক্ষা চালু করা হয় এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রিকে নাম দেওয়া হয় টাইটেল।’ (মাদ্রাসা শিক্ষা, প্রাগুক্ত, পৃ. ৪)

ইংরেজদের দুই ধারার শিক্ষার বিপরীতে ১৮৬৬ সালে তৎকালীন আলেমসমাজের উদ্যোগে ভারতের দেওবন্দে বিশ্বের প্রথম কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। এভাবে উপমহাদেশে তিন ধারার শিক্ষাব্যবস্থা চালু হয়।

    লেখক : ইতিহাস গবেষক



সাতদিনের সেরা