• ই-পেপার

এইচএসসির প্রস্তুতি : বহু নির্বাচনী মডেল প্রশ্ন

  • সাধন সরকার, সহকারী শিক্ষক, লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

বানানচর্চা

বানানচর্চা

বিসর্গ (ঃ)-এর ব্যবহার

ক. কোথায় বসে

বিসর্গ (ঃ) বাংলা বর্ণমালার স্বতন্ত্র ব্যঞ্জনবর্ণ নয়; এটি একটি ধ্বনি-চিহ্ন। এর উৎস হলো সংস্কৃত ভাষা। সংস্কৃতে বিসর্গের উচ্চারণ ছিল হালকা ‘হ্’-ধ্বনির মতো। বাংলা ভাষায় সেই উচ্চারণ প্রায় লোপ পেলেও অনেক তৎসম শব্দে বিসর্গের বানান আজও বজায় আছে।

উদাহরণ : দুঃখ, দুঃসহ, স্বতঃস্ফূর্ত, নিঃশ্বাস, নিঃসঙ্গ, প্রাতঃকাল, অন্তঃপুর, বহিঃপ্রকাশ, বহিঃবিশ্ব, দুঃস্বপ্ন, নিঃস্ব, অন্তঃসার।

 

বিসর্গ-সন্ধির প্রভাব : সংস্কৃত ভাষায় কোনো শব্দের শেষে বিসর্গ থাকলে, তার পরবর্তী ধ্বনির ওপর নির্ভর করে বিসর্গের উচ্চারণ ও রূপ পরিবর্তিত হতো।

আধুনিক বাংলা ভাষায় বিসর্গের সেই উচ্চারণগত নিয়ম প্রায় অনেকটাই লোপ পেয়েছে। অর্থাৎ, আমরা দৈনন্দিন কথ্য ভাষায় বিসর্গকে আলাদা ধ্বনি হিসেবে উচ্চারণ করি না। তবে তৎসম শব্দের বানানে সংস্কৃতের সেই ঐতিহ্য ও সন্ধিজনিত রূপটি এখনো সংরক্ষিত রয়েছে।

উদাহরণ : নিঃ + শব্দ = নিঃশব্দ, নিঃ + স্ব = নিঃস্ব, দুঃ + সংবাদ = দুঃসংবাদ , দুঃ + সাধ্য = দুঃসাধ্য, অন্তঃ + পুর = অন্তঃপুর, বহিঃ + বিশ্ব = বহিঃবিশ্ব

 

খ. কোথায় বসে না

বাংলা ভাষার দেশজ, তদ্ভব এবং বেশির ভাগ বিদেশি উেসর শব্দে বিসর্গ ব্যবহৃত হয় না। কারণ, এসব শব্দ সংস্কৃতের মূল রূপ থেকে সরাসরি গৃহীত নয়; বরং ধ্বনিগত পরিবর্তন, ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন কিংবা অন্য ভাষা থেকে আগমন হওয়ার ফলে গঠিত হয়েছে। তাই এসব শব্দে বিসর্গের কোনো স্থান নেই।
উদাহরণ : মানুষ, সকাল, রাস্তা, হাসপাতাল, স্কুল, বাজার (এগুলোর কোনোটিতেই বিসর্গ নেই।)

 

‘উ’ ও ‘ঊ’-এর ব্যবহার

বাংলা ভাষায় ‘উ’ ও ‘ঊ’-দুই বর্ণের উচ্চারণ প্রায় একই হওয়ায় বানান লেখার সময় বিভ্রান্তি দেখা যায়। অনেকে মনে করেন, শব্দের শুরুতে উচ্চারণে একটু জোর থাকলে ‘ঊ’ হবে, যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, যেসব তৎসম (সংস্কৃত) শব্দে ‘উ’ ও ‘ঊ’ উভয় বানানই সংস্কৃতে গ্রহণযোগ্য ছিল, সেসব ক্ষেত্রে ‘উ’ ব্যবহৃত হবে।
উদাহরণ : উষা (শুদ্ধ), ঊষা (অশুদ্ধ), উর্ণা (শুদ্ধ), ঊর্ণা (অশুদ্ধ), উরু (শুদ্ধ), ঊরু (অশুদ্ধ), উর্মি (শুদ্ধ), ঊর্মি (অশুদ্ধ), উর্মিলা (শুদ্ধ), ঊর্মিলা (অশুদ্ধ)।

এ ছাড়া পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যার সব বানানে ‘উ’ ব্যবহার করা হয়।
যেমন : উনিশ, উনত্রিশ, উনপঞ্চাশ ইত্যাদি।

তবে ক্রমবাচক বা পূরণবাচক সংখ্যায় ‘ঊ’ ব্যবহৃত হয়।
যেমন : ঊনবিংশ, ঊনত্রিংশ ইত্যাদি।

 

‘স’, ‘শ’ ও ‘ষ’-এর ব্যবহার

বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, ‘স’, ‘শ’ ও ‘ষ’-এর ব্যবহার মূলত শব্দের উৎস (ব্যুৎপত্তি), বিশেষ করে তৎসম শব্দের মূল সংস্কৃত বানানের ওপর নির্ভরশীল। 

সংস্কৃত ভাষায় ‘স’, ‘শ’ ও ‘ষ’—এই তিন ধ্বনির উচ্চারণই আলাদা ছিল। ‘স’ = দন্ত্য ‘স’, ‘শ’ = তালব্য ‘শ’ ও ‘ষ’ = মূর্ধন্য ‘ষ’। বাংলা ভাষায় এসে এই তিনটি ধ্বনির উচ্চারণের পার্থক্য প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। কিন্তু বানান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যাতে শব্দের ব্যুৎপত্তিগত পরিচয় অক্ষুণ্ন থাকে।

‘স’ সাধারণত দেশজ, তদ্ভব ও অনেক বিদেশি শব্দে বেশি ব্যবহৃত হয়। যেসব শব্দ তৎসম নয় বা সংস্কৃত মূলের বানান অনুসরণ করে না, সেসব ক্ষেত্রে সাধারণত ‘স’ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। উদাহরণ : সকাল, সাত, সোনা, সহজ, সমান, স্কুল, স্টেশন, বাস, অফিস, সংসার, সংবাদ, সমুদ্র, সরল, সন্তান ইত্যাদি।

‘শ’ প্রধানত তৎসম, তদ্ভব এবং কিছু দেশি ও বিদেশি উেসর শব্দে ব্যবহৃত হয়। তবে তৎসম শব্দে ‘শ’ ব্যবহারের পেছনে সংস্কৃতের মূল বানান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সংস্কৃত শব্দে যেখানে (শ) ছিল, বাংলা তৎসম শব্দেও সাধারণত সেখানে ‘শ’-ই বজায় থাকে।
যেমন : শিক্ষা, শিল্প, শান্তি, শোক, শিষ্য, শীত, শরীর, শিশু, শিক্ষক ইত্যাদি। শুধু তা-ই নয়, আরবি, ফারসি ও ইংরেজি থেকে আগত অনেক শব্দেও উচ্চারণের সুবিধা ও প্রচলিত রীতির কারণে ‘শ’ ব্যবহৃত হয়েছে।

যেমন : শহর (ফারসি), শার্ট (ইংরেজি), শ্যাম্পু (ইংরেজি), শেরওয়ানি (ফারসি)।

তৎসম (সংস্কৃত) যেসব শব্দে ‘ষ’ ছিল বাংলা প্রমিত বানানেও সেখানে ‘ষ’ ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ : কষ্ট, দোষ, ভাষা, বর্ষা, কৃষক, পুষ্টি, নিষ্ঠা, ওষুধ, বিষ, বিশেষ, উষ্ণ, শিষ্য।

মনে রাখা আবশ্যক, বাংলায় ‘ষ’ দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের সংখ্যা খুবই কম। বেশির ভাগই তৎসম।
যেমন : ষাট, ষোলো, ষণ্ড, ষড়ঋতু, ষষ্ঠী, ষড়ঙ্গ, ষড়যন্ত্র, ষড়ানন ইত্যাদি।

অন্যদিকে অনেক তৎসম শব্দে ‘ষ’ অন্য ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, যুক্তব্যঞ্জনে ‘ষ’ বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। উদাহরণ : কষ্ট (ষ্ট), নিষ্ঠা (ষ্ঠ), পুষ্টি (ষ্ট), কৃষ্ণ (ষ্ণ), উষ্ণ (ষ্ণ), ভাষ্য (ষ্য), নিষ্কাশন (ষ্ক), নিষ্প্রাণ (ষ্প), উষ্ম (ষ্ম)।

 

♦ সামিন ইয়াসার

 

 

 

 

সপ্তম শ্রেণি : ক্যাপিটাল লেটার অ্যান্ড পাংকচুয়েশন মার্কস

ইকবাল খান, প্রভাষক (ইংরেজি), বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, পিলখানা, ঢাকা

সপ্তম শ্রেণি : ক্যাপিটাল লেটার অ্যান্ড পাংকচুয়েশন মার্কস

ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র

Capital letter and punctuation marks. 

1.   the man said can you give me some food I’ve been starving for two days the maid said Why do you beg          

​      Answer : The man said, “Can you give me some food? I’ve been starving for two days.” The maid said, “Why do you beg?”

 

2.   the teacher said to the boy why are you making a noise in the class be quiet

​      Answer : The teacher said to the boy, “Why are you making a noise in the class? Be quiet.”

 

​3.   rahim said to karim brother why did you not go to school yesterday karim said i was ill

​      Answer : Rahim said to Karim, “Brother, why did you not go to school yesterday?” Karim said, “I was ill.”

 

​4.   standard foods like rice bread and vegetables give us energy but fast foods like burgers and pizza make us fat

​      Answer : Standard foods like rice, bread, and vegetables give us energy, but fast foods like burgers and pizza make us fat.

 

​5.   what kind of stories do you like best said roni i like fairy tales replied rupa

​      Answer : “What kind of stories do you like best?”, said Roni. “I like fairy tales,” replied Rupa.

 

​6.   may i come in sir said the student the teacher replied yes come in and take your seat

​      Answer : “May I come in, sir?”, said the student. The teacher replied, “Yes, come in and take your seat.”

 

7.   how dare you wake me up roared the lion i will kill you now please let me go said the mouse

      ​Answer : “How dare you wake me up!” roared the lion. “I will kill you now.” “Please let me go”, said the mouse.

 

8.   ​oh what a beautiful scenery it is said he can we stay here for a while

​      Answer : “Oh, what a beautiful scenery it is!” said he. “Can we stay here for a while?”

 

9.   well done my boy said the father you have passed the examination excellently

​      Answer : “Well done, my boy!”, said the father. “You have passed the examination excellently.”

 

10. mina said to her mother i am going to school now will you give me ten taka

​      Answer : Mina said to her mother, “I am going to school now. Will you give me ten taka?”

 

11. down by the river side lived a poor fisherman who was old blind and weak

​      Answer : Down by the riverside lived a poor fisherman who was old, blind, and weak.

 

​12. do you know bangladesh is a small country but she has a large population

​      Answer : Do you know Bangladesh is a small country, but she has a large population?

 

13. my friend said to me lets go to dhaka next friday to buy some books

​      Answer : My friend said to me, “Let’s go to Dhaka next Friday to buy some books.”

14. alas i am undone said the poor woman i have lost everything in the river erosion

      ​Answer : “Alas! I am undone”, said the poor woman. “I have lost everything in the river erosion.”

 

15. whose book is this asked the librarian it is mine said kamal

​      Answer : “Whose book is this?”, asked the librarian. “It is mine”, said Kamal.

16. the boy said to the traveler sir can you tell me the way to the nearest hotel

​      Answer : The boy said to the traveler, “Sir, can you tell me the way to the nearest hotel?”

 

​17. no i can’t do this work now replied subroto i am very busy with my homework

      ​Answer : “No, I can’t do this work now,” replied Subroto. “I am very busy with my homework.”

 

18. hurrah we have won the match shouted the boys of our school team

​      Answer : “Hurrah! We have won the match”, shouted the boys of our school team.

 

​19. dr yunus the noble laureate of bangladesh is known all over the world

​      Answer : Dr. Yunus, the Nobel laureate of Bangladesh, is known all over the world.

 

20. don’t run in the sun my son said the mother you may fall ill

​      Answer : “Don’t run in the sun, my son”, said the mother. “You may
fall ill.”

 

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি : উৎপাদন ব্যবস্থাপনা

মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, সহকারী অধ্যাপক, সিদ্ধেশ্বরী কলেজ, ঢাকা

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি : উৎপাদন ব্যবস্থাপনা
অঙ্কন : মাসুম

উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন প্রথম পত্র

পঞ্চম অধ্যায়

[পূর্বপ্রকাশের পর]

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

৯। সেবার প্রামাণিকীকরণ বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

   উত্তর : অদৃশ্যমান কাজ বা সুবিধা, যা এক পক্ষ অন্য পক্ষকে অফার করতে পারে, অথচ কোনো মালিকানা সৃষ্টি হয় না, তাকে সেবা বলে।

   এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন তথ্য, চিত্র, পাই চার্ট, হিস্টোগ্রাম বা অন্য কোনো গ্রাফের মাধ্যমে সেবার বিভিন্ন দিক প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়। যেমন : বিভিন্ন কম্পানি তাদের বিক্রয়ের পরিমাণ এক নজরে পাই চার্ট বা হিস্টোগ্রামের মাধ্যমে তুলে ধরে। আবার ISO 9002 সনদের প্রাপ্তি দেখিয়ে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জনসাধারণের আস্থা অর্জন করার চেষ্টা করছে।

১০।          ‘সেবা অবিভাজ্য’ ব্যাখ্যা করো।

   উত্তর : অদৃশ্যমান কাজ বা সুবিধা, যা এক পক্ষ অন্য পক্ষকে অফার করতে পারে, অথচ কোনো মালিকানা সৃষ্টি হয় না, তাকে সেবা বলে।

   সেবার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর অবিভাজ্যতা। সেবা সাধারণত যেখানে সৃষ্টি করা হয়, সেখানে ভোগও করা হয়। সেবা প্রথমে বিক্রয়, তারপর একই সঙ্গে উৎপাদন ও ভোগ করা হয়।

   সেবাদাতা সেবার অংশ হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ উৎপাদকের সঙ্গে সেবার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। যেমন : ডাক্তারের কাছে রোগীকে উপস্থিত করতে হয়; বিনোদন অনুষ্ঠানের নায়ক-নায়িকার সেবা হস্তান্তরযোগ্য নয়।

১১।          ‘সেবার ফলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়’—ব্যাখ্যা করো।

   উত্তর : অদৃশ্যমান কাজ বা সুবিধা, যা এক পক্ষ অন্য পক্ষকে অফার করতে পারে, অথচ কোনো মালিকানা সৃষ্টি হয় না তাকে সেবা বলে।

   মুনাফা ও উন্নয়ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগকারীরা অধিক বিনিয়োগে উৎসাহিত হয়। সেবা হচ্ছে তেমনি একটি বিকশিত খাত। এ খাতে উদ্যোক্তারা বর্তমানে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করছে।

১২।          ‘সেবা পরিবর্তনশীল’ ব্যাখ্যা করো।

   উত্তর : অদৃশ্যমান কাজ বা সুবিধা, যা এক পক্ষ অন্য পক্ষকে অফার করতে পারে অথচ কোনো মালিকানা সৃষ্টি হয় না, তাকে সেবা বলে।

   সেবা খুব পরিবর্তনশীল। এর পরিবর্তন নির্ভর করে কে, কখন, কোথায় সেবা প্রদান করে তার ওপর। অর্থাৎ ব্যক্তি, স্থান ও সময়ভেদে সেবা পরিবর্তনশীল। যেমন : Grameen Phone, Robi, Tele Talk ইত্যাদি মোবাইল ফোন কম্পানিগুলোর সেবা ভিন্ন ভিন্ন। আবার একই কম্পানির মোবাইল ফোনে একেক সময় একেক ধরনের সেবা পাওয়া যায়। সেবা প্রদানকারীর শরীর, মন ও পরিবেশের কারণেও সেবার মানের পার্থক্য হয়। আবার সেবার মানে ক্রেতার সহযোগিতা, কর্মীর নৈতিকতা ও কর্মীর কর্মের চাপের ওপরও প্রভাব বিস্তার করে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানের উচিত কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, দক্ষতার সঙ্গে সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করা এবং ক্রেতাদের পরামর্শ ও অভিযোগ শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।

১৩।          ‘সেবা পচনশীল’ ব্যাখ্যা করো।

   উত্তর : অদৃশ্যমান কাজ বা সুবিধা যা এক পক্ষ অন্য পক্ষকে অফার করতে পারে অথচ কোনো মালিকানা সৃষ্টি হয় না তাকে সেবা বলে।

   সেবার অন্য একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর পচনশীলতা। কারণ সেবাকে পরবর্তীতে বিক্রয় বা ব্যবহারের জন্য মজুদ বা সংরক্ষণ করা যায় না। যেমন : কেউ যদি বিমানে বা ট্রেনে ভ্রমণের জন্য কোনো নির্দিষ্ট টিকিট কেনে এবং সময়মতো যাত্রা না করে, তাহলে ওই টিকিট আর কার্যকরী হবে না। সেবার বাজার মিনিটে মিনিটে, দিনে-রাতে, ঋতুতে ঋতুতে পরিবর্তিত হচ্ছে। এ জন্য বাজারজাতকারীকে বাজারজাত করার সময় চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হয়। খারাপ মৌসুমে মূল্য কমিয়ে গ্রাহক আকৃষ্ট করতে হয় এবং পিক আওয়ারে সেবা দেওয়ার জন্য পার্টটাইম কর্মী নিয়োগ করতে হয়।

১৪।          ‘সেবা জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখে’—ব্যাখ্যা করো।

   উত্তর : অদৃশ্যমান কাজ বা সুবিধা, যা এক পক্ষ অন্য পক্ষকে অফার করতে পারে, অথচ কোনো মালিকানা সৃষ্টি হয় না তাকে সেবা বলে।

   মানুষের জীবনযাত্রার মান ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে। জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সূচক হচ্ছে বিনিয়োগ, আয়, সঞ্চয় ও ভোগপ্রবণতা। ভোগপ্রবণতা বাড়লে ক্রয় ক্ষমতা ও ভোগ ব্যয় বাড়ে। ফলে সেবার গুরুত্বও বৃদ্ধি পায়।

১৫।          ‘সেবা কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির সহায়ক’—ব্যাখ্যা করো।

   উত্তর : অদৃশ্যমান কাজ বা সুবিধা, যা এক পক্ষ অন্য পক্ষকে অফার করতে পারে, অথচ কোনো মালিকানা সৃষ্টি হয় না তাকে সেবা বলে।

   সেবা খাতের দ্রুত বিকাশ হওয়ায় নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে মোট কর্মসংস্থানের ৮০ শতাংশ হচ্ছে সেবাজাতীয়। কৃষি এবং শিল্পের চেয়ে বর্তমানে সেবা বেশ অগ্রসরমান খাত। ব্যাংক, বিমা, পরিবহন, পর্যটন, তথ্য-প্রযুক্তি, শিক্ষা, চিকিৎসা, গৃহস্থালি, মেরামত সর্বত্র প্রায়ই লোক কাজ করছে।

১৬।          ‘সেবা জীবন ধাঁচে আমূল পরিবর্তন আনে’—ব্যাখ্যা করো।

   উত্তর : অদৃশ্যমান কাজ বা সুবিধা, যা এক পক্ষ অন্য পক্ষকে অফার করতে পারে, অথচ কোনো মালিকানা সৃষ্টি হয় না তাকে সেবা বলে।

   সাম্প্রতিক মানুষের জীবন-ধাঁচে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন, পর্যটন, ভ্রমণ, সৌন্দর্য, রূপচর্চা জীবনের অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মানুষ এখন ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন-এর মতো শ্রম-সংক্ষেপ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে। ফলে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে সেবার গুরুত্ব বেড়েই চলেছে।

১৭। ‘সেবা খাতে আকর্ষণীয় সম্মানী পাওয়া যায়’—ব্যাখ্যা করো।

   উত্তর : অদৃশ্যমান কাজ বা সুবিধা, যা এক পক্ষ অন্য পক্ষকে অফার করতে পারে, অথচ কোনো মালিকানা সৃষ্টি হয় না তাকে সেবা বলে।

সেবা খাতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত লোক নিয়োগ দেওয়া হয় বলে এরা অন্যান্য খাতে কর্মীদের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি সম্মানি পায়। মোবাইল ফোন, টিভি, ঘড়ি, ফ্রিজ, গাড়ি, এসি ইত্যাদি মেরামতকারীদের সম্মানি কৃষি ও শিল্পে নিয়োজিতদের চেয়ে অনেক বেশি।

 

 

 

সপ্তম শ্রেণি : সমান্তরাল সরলরেখা

সাধন সরকার, সহকারী শিক্ষক, লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

সপ্তম শ্রেণি : সমান্তরাল সরলরেখা
ছবি : কালের কণ্ঠ

গণিত

অষ্টম অধ্যায়

[পূর্বপ্রকাশের পর]

বহু নির্বাচনী প্রশ্ন

৫।       কোনো নির্দিষ্ট সরলরেখার উপর অবস্থিত নয় এরূপ বিন্দুর মধ্য দিয়ে ঐ সরলরেখার সমান্তরাল করে কয়টি সরলরেখা আঁকা যায়?

  ক. ১টি  খ. ২টি

  গ. ৩টি         ঘ. ৪টি

৬।       দুইটি রেখাকে একটি রেখা ছেদ করলে উৎপন্ন অনুরূপ কোনগুলোর বৈশিষ্ট্য হলো

  i. ছেদকের একই পাশে অবস্থিত

  ii. ছেদকের বিপরীত পাশে অবস্থিত

  iii. কৌণিক বিন্দুগুলো আলাদা

  নিচের কোনটি সঠিক?

  ক. iii       খ. iiii   

  গ. iiiii              ঘ. i, iiiii

৭।       জ্যামিতিতে যে সকল বিষয়ের আাালোচনা করা হয় সাধারণভাবে তাদের কী বলে?

  ক. উপাত্ত       খ. প্রতিজ্ঞা  

  গ. স্বতঃসিদ্ধ         ঘ. শর্ত

৮।       নিচের কোনটি উপপাদ্যের অংশ নয়?

  ক. অঙ্কন        খ. উপাত্ত  

  গ. বিশেষ নির্বচন      ঘ. সাধারণ নির্বচন

সপ্তম শ্রেণি : সমান্তরাল সরলরেখা

১১।      সম্পাদ্যে যা দেওয়া থাকে তাকে কী বলে?

  ক. প্রমাণ            খ. উপাত্ত

  গ. প্রতিজ্ঞা      ঘ. অঙ্কন

১২।      প্রতিজ্ঞা কত প্রকার?

  ক. ৫          খ. ৪

  গ. ৩          ঘ. ২

১৩।      যুক্তি দ্বারা অঙ্কনের  নির্ভুলতা যাচাই করাকে কী বলা হয়?

  ক. সম্পাদ্য         খ. অঙ্কন  

  গ. উপপাদ্য     ঘ. প্রমাণ

১৪।      দুইটি সমান্তরাল সরললেখা থেকে যেকোনো দুটি রেখাংশ নিলে, রেখাংশ দুটি পরস্পর কিরূপ হয়?

  ক. পরস্পরচ্ছেদী   খ. লম্ব  

  গ. একই            ঘ. সমান্তরাল

১৫।      দুইটি সমান্তরাল রেখা ও তাদের ছেদকের কয়টি প্রধান ধর্ম আছে?

  ক. ৩         খ. ৪  

  গ. ৫         ঘ. ৬

১৬।      একটি সরলরেখা অঙ্কনের জন্য কমপক্ষে কতটি বিন্দু প্রয়োজন?

  ক. চারটি            খ. তিনটি

  গ. দুইটি            ঘ. একটি    

  নিচের তথ্যের আলোকে ১৭ থেকে ১৯ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও :

সপ্তম শ্রেণি : সমান্তরাল সরলরেখা

  চিত্রে AB।। CD এবং PQ তাদের ছেদক।

১৭। (<X+<Y)  এর মান নিচের কোনটি?

  ক. 1200 খ. 900
গ. 1800           ঘ. 2700     

১৮।     3<X  এর মান নিচের কোনটি?

  ক. 1800 খ. 2700

  গ. 1200 ঘ. 900

১৯। <Y এর মান নিচের কোনটি?

  ক. 1500                খ. 3600 

  গ. 1200 ঘ. 900

২০।      একান্ত কোণের বৈশিষ্ট্য

  i. সরলরেখা দুইটির মধ্যে অবস্থিত

  ii. কোণের কৌণিক বিন্দু আলাদা

  iii. কৌণিক বিন্দু একই রকম

  নিচের কোনটি সঠিক?

  ক. iii       খ. iiii   

  গ. iiiii              ঘ. i, iiiii

২১।      দুইটি রেখাকে একটি রেখা ছেদ করলে কত জোড়া অনুরূপ কোণ পাওয়া যাবে?

  ক. ২          খ. ৩  

  গ. ৪          গ. ৫

২২।      দুইটি সরলরেখাকে একটি সরলরেখা দ্বারা ছেদ করলে কত শ্রেণির কোণ উৎপন্ন হয়?

  ক. ৫          খ. ৪

  গ. ৩          ঘ. ২

  নিচের তথ্যের আলোকে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও :

সপ্তম শ্রেণি : সমান্তরাল সরলরেখা

২৩।      চিত্রে X-এর মান কত?

  ক. 800     খ. 700 

  গ. 1200 ঘ. 900

২৪।      চিত্রে M-এর মান কত?

  ক. 800            খ. 600

  গ. 500   ঘ. 800

 

    উত্তর : ৫. ক ৬. খ ৭. খ ৮. খ ৯. গ ১০. খ ১১. খ ১২. ঘ ১৩. ঘ  ১৪. ঘ
১৫. ক ১৬. গ ১৭. গ ১৮. ঘ ১৯. ক  ২০. ক ২১. গ  ২২. খ  ২৩. খ  ২৪. গ।