• ই-পেপার

সিএনএনের বিশ্লেষণ

মার্কিন সেনাদের মৃত্যু নিয়েও হিসাব কষছেন ট্রাম্প!

দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ

যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি পারমাণবিক চুক্তি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উদ্বেগ

চুক্তিটিতে সৌদি ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণের পথ খোলা রাখা হয়েছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি পারমাণবিক চুক্তি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উদ্বেগ

সৌদি আরবের সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ৩০ বছর মেয়াদি এই চুক্তির আওতায় মার্কিন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সৌদি আরবকে পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণ এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চুক্তিটি ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং আব্রাহাম চুক্তিতে সৌদি আরবের যোগদানের ওপর নির্ভর করছে।

এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্য ও ওয়াশিংটনের রাজনীতিতে বড় ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে এক নতুন পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ইসরায়েল।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, চুক্তিটির মূল উদ্দেশ্য সৌদি আরবের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পরমাণুশক্তি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে, যাতে উদ্বৃত্ত খনিজ তেল রপ্তানি করে আয় বাড়ানো যায়। অন্যদিকে কোটি কোটি ডলারের এই চুক্তির মাধ্যমে রিয়াদে চীন ও রাশিয়ার প্রভাব ঠেকিয়ে নিজেদের প্রাধান্য বজায় রাখতে চায় ওয়াশিংটন।

সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় হলো, চুক্তিটিতে সৌদি ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণের পথ খোলা রাখা হয়েছে। ইরানকে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ থেকে বিরত রাখতে মার্কিন নীতি কঠোর হলেও সৌদিকে এই ছাড় দেওয়ার ব্যাখ্যা দিয়েছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের মতে, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচির আড়ালে সরাসরি বোমা তৈরির চেষ্টা করছিল এবং দেশটি মার্কিনবিরোধী। পক্ষান্তরে, সৌদিকে দেওয়া এই চুক্তি কেবল বেসামরিক বিদ্যুৎ তৈরির উদ্দেশ্যে করা। এ ছাড়া সৌদিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ হলেও মার্কিন সংস্থাগুলো সরাসরি এর ব্যবহৃত জ্বালানি ও পুরো প্রক্রিয়ার ওপর পূর্ণ নজরদারি রাখবে, যাতে তারা বোমার উপাদান তৈরি করতে না পারে।

তবে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে কাজ করা গোষ্ঠীগুলো সতর্ক করেছে যে এটি সৌদি আরবকে ভবিষ্যতে পরমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে উৎসাহিত করতে পারে। অতীতে রিয়াদও জানিয়েছিল, প্রতিদ্বন্দ্বী ইরান পারমাণবিক বোমার অধিকারী হলে তারাও পিছিয়ে থাকবে না। এ ছাড়া জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কঠোর পরিদর্শন নীতি না থাকায় উদ্বেগ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

ইসরায়েল ও মার্কিন ডেমোক্র্যাট সংসদ সদস্যরা আশঙ্কা করছেন, রিয়াদকে এই সুযোগ দিলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে বিপজ্জনক অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হবে। মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি বলেন, এটি ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচি থেকে বিরত রাখা কঠিন করে তুলবে।

জাপানে গরম মোকাবেলায় ‘টোকিও কুল বিজ’ উদ্যোগ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
জাপানে গরম মোকাবেলায় ‘টোকিও কুল বিজ’ উদ্যোগ

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ থেকে স্বস্তি দিতে টোকিও মেট্রোপলিটন সরকার পুরুষ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোট-টাই ছেড়ে টি-শার্ট ও হাফপ্যান্ট পরে অফিসে আসতে উৎসাহিত করেছে। টোকিওর গভর্নর ইউরিকো কোইকে জ্বালানি সাশ্রয় ও গরম মোকাবেলার জন্য এই টোকিও কুল বিজ উদ্যোগ চালু করেছেন।

তবে এই নতুন নিয়ম ঘিরে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ কাজের পরিবেশে আরামদায়ক পোশাককে স্বাগত জানালেও, অনেকেই অস্বস্তির প্রশ্ন তুলছেন। নারীদের পা উন্মুক্ত রাখলে এখনো  আঁটসাঁট পোশাক পরা বাধ্যতামূলক, যা তাঁরা বৈষম্যমূলক মনে করেন। সূত্র : বিবিসি

আইএলওপ্রধান হতে চান স্পেনের শ্রমমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
আইএলওপ্রধান হতে চান স্পেনের শ্রমমন্ত্রী

জাতিসংঘের শ্রম সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের (আইএলও) পরবর্তী প্রধান হওয়ার লড়াইয়ে নেমেছেন স্পেনের শ্রমমন্ত্রী ইয়োলান্দা দিয়াজ। সংস্থাটির ১৮৭টি সদস্য রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণী এই শীর্ষ পদের নির্বাচন চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্য স্পেন তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছে।

স্পেন সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দিয়াজ সম্প্রতি শ্রম সংস্কার এবং সামাজিক আলোচনার মাধ্যমে ৩০টিরও বেশি সফল চুক্তি করেছেন। তিনি আইএলওর বর্তমান ডিরেক্টর জেনারেল টোগোর গিলবার্ট হুংবোর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে আইএলও মারাত্মক আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছে, কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী অর্থবছরের জন্য তাদের চাঁদা না দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। সূত্র : রয়টার্স

 

ফ্রান্সে দাবানল, সরিয়ে নেওয়া হলো ১২ হাজার মানুষকে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
ফ্রান্সে দাবানল, সরিয়ে নেওয়া হলো ১২ হাজার মানুষকে

ইউরোপজুড়ে তীব্র দাবদাহের মধ্যে ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বোর্দো শহরে ছড়িয়ে পড়ছে দাবানল বোর্দো বিমানবন্দরের কাছে দুই দমকল কর্মীর মৃত্যুর পর পুরো জিরোন্দ অঞ্চলে জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। এরই মধ্যে পুড়ে ছাই হয়েছে চার হাজার একরের বেশি বনভূমি। দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ বনাঞ্চলে যানবাহন চলাচল ও প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আগুন থেকে বাঁচাতে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ। পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ আর্কাকন বে-র কাছাকাছি পৌঁছে গেছে দাবানল। সূত্র : রয়টার্স