কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের চালানো ড্রোন হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৬০ জন। স্থানীয় কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।
গতকাল বুধবারের এই হামলাকে ‘ইরানের অপরাধমূলক আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করেছেন কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। অন্যদিকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হামলার ফলে কূটনৈতিক মিশনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে, ইরানি একটি তেলের ট্যাংকার ও কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে হামলাটি চালানো হয়েছে। ইরান আরো বলেছে, তারা পারস্য উপসাগরে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, তারা ইরানের ওপর ‘আত্মরক্ষার্থে’ হামলা চালিয়েছে এবং কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। সর্বশেষ এই উত্তেজনা বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে হুমকির মুখে ফেলেছে। কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানি হামলায় নিহত ব্যক্তিটি একজন ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গেছে। এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এই ঘটনায় আরো বেশ কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘আমরা পক্ষগুলোকে এ ধরনের হামলা বন্ধ করার জন্য আবারও আহ্বান জানাচ্ছি।’
এদিকে এই হামলার পর কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুজন ইরানি কূটনীতিককে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। সূত্র : বিবিসি, আল জাজিরা

