• ই-পেপার

প্রতি বছরই বাজেটে ১০–২০% ঘাটতি থাকে : ড. হেলাল উদ্দিন

শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি নেতাকর্মীদের ভালোবাসা কমেনি, বরং বেড়েছে : গোলাম মাওলা রনি

অনলাইন ডেস্ক
শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি নেতাকর্মীদের ভালোবাসা কমেনি, বরং বেড়েছে : গোলাম মাওলা রনি
গোলাম মাওলা রনি। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, যারা সরাসরি আওয়ামী লীগ করে, এদের মধ্যে রাগ আছে, অভিমান আছে, ক্রোধ আছে, পরস্পরের প্রতি বিক্ষোভ আছে, অন্তর্দ্বন্দ্ব আছে, কলহ আছে, বিবাদ আছে, কিন্তু দলের প্রতি আর দলের নেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তাদের যে সমর্থন বা ভালোবাসা, সেটা একটুও কমেনি, বরং আরো বেড়ে গেছে।

সম্প্রতি ফেসবুক ভিত্তিক একটি প্ল্যাটফর্মে এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি বা জামায়াত এখন ক্ষমতায় আছে। এদের মধ্যে অনেকগুলো সমস্যা তৈরি হয়ে গেছে। যেগুলো তারা যখন বিরোধীদলে ছিল তখন ছিল না। আবার এখন আওয়ামী লীগের মধ্যে যে মমতাবোধ, প্রেম-ভালোবাসা তৈরি হয়েছে এবং এখন তারা যেভাবে দলের জন্য কাজ করতে এবং বাংলাদেশে ফিরে আসতে যেভাবে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যায় যায় অবস্থা থেকে যেভাবে পকেটের টাকা খরচ করছে, সেটি দল ক্ষমতায় থাকতে তারা কখনো পারেনি।

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য আওয়ামী লীগকে বলবো এটি মাইলস্টোন, এটি হিমালয়, এটি সমুদ্র, এটি বঙ্গোপসাগর, এটি পদ্মা-মেঘনা-যমুনা। আপনি যা-ই বলেন না কেনো, আপনি যদি বাংলাদেশ ধরেন, তাহলে এদেশের কেউক্রাডং বা আপনি যদি উত্তরবঙ্গে যান, সেখান থেকে যে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়, সে কাঞ্চনজঙ্ঘা রূপ, কিংবা আপনি যদি কক্সবাজার যান তাহলে বঙ্গোপসাগরের রূপ, পদ্মা-মেঘনা-যমুনার রূপ, এগুলো ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনা করা যায় না। একই ভাবে রাজনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ এখন এরকম একটা অবস্থায় তৈরি করে ফেলেছে, প্রায় ৭০ বছরে তাদের যে সুদীর্ঘ রাজনীতির ইতিহাস, সে ইতিহাসে তারা যে লিগ্যাসি তৈরি করে ফেলেছে, এই কারণে বাংলাদেশে যদি মিলিটিরি শাসন আসে, ডিক্টেটরশিপ আসে, একজন মুসলেনি আসে, একজন হিটলার আসে, তখন হয়তো আওয়ামী লীগের নাম সেইভাবে উচ্চারিত হবে না। কিন্তু যখন আপনি রাজনীতির কথা বলবেন, দলের কথা বলবেন, বিএনপি-এনসিপির কথা বলবেন, আওয়ামী লীগের কথা বলবেন না, কিন্তু জামায়াত, এনসিপি ও বিএনপির কথা বলবেন, তা হবে না।  এখানে আওয়ামী লীগের নাম আসবেই।’

আ. লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ : রাশেদ

অনলাইন ডেস্ক
আ. লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ : রাশেদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

তার অভিযোগ, আওয়ামী লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ। বুধবার (৩ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ। 

কালের কণ্ঠের পাঠকের জন্য রাশেদ খাঁনের ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো : 

গণঅভ্যুত্থানের পরে সমন্নয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামী লীগের নেতাদের দিয়ে। আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকত। একবার আওয়ামী লীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে। আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা পয়সার দরকার আছে! এ কথা শুনে একপ্রকার স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান! হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান। 

২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সাথে এই ছেলেটি ছিল। তিনজন সমন্বয়কের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পিছনের মানুষটিই এই আবদুল গফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিগ্যেস করলেও উত্তর পাবেন। জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসুদের বন্ধু, সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। হান্নান মাসুদের সাথে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছু দিন জিসান ছিল। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান ‘হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সাথে থাকত। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে সে আর হান্নান মাসুদের সাথে থাকেনি।

রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্ট

নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিল হান্নান মাসুদের এমপি হওয়ার পথেরকাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যত আওয়ামী লীগ আছে, কারো সাথে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নাই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সাথে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।

রূপসায় পুলিশি পাহারায় জুয়ার আসর, ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে তোপের মুখে সাংবাদিক

অনলাইন ডেস্ক
রূপসায় পুলিশি পাহারায় জুয়ার আসর, ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে তোপের মুখে সাংবাদিক
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

খুলনার রূপসা উপজেলায় পুলিশি পাহারায় জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগ উঠেছে। এ সময় জুয়ার আসরের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের তোপের মুখে পড়েন এক সাংবাদিক। মঙ্গলবার (২ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। 

ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় কিছু যুবকের ছত্রচ্ছায়ায় শিশু-কিশোররা জুয়ার আসর বসিয়েছে। এ সময় ওই সাংবাদিক ভিডিও ধারণ করতে গেলে কিছু যুবক ওই সাংবাদিকের  দিকে তেড়ে আসেন। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে ওই সাংবাদিকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়।

ভিডিওতে আরো দেখা য়ায়, ওই সাংবাদিক পুলিশের কাছে জানেত চান, তারা এ জুয়ার আসর বন্ধ করছেন না কেন? এ সময় পুলিম তাকে ক্যামেরা বন্ধ করতে বলেন। পুলিশকে বলতে শোনা য়ায়, তাদের পক্ষে থেকে বলে দেওয়া হয়েছে। এক পর্যায়ে পুলিশক ওই সাংবাদিকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ‘আপনি কে? আপনাকে নিষেধ করছি না এগুলো করতে।’ পরে পুলিশ ওই সাংবাদিককে বলেন, ‘আপনার এটুকুই তো ক্ষমতা। এ ছাড়া তো আর কোনো ক্ষমতা নেই।’

ভিডিওর শেষে দেখা যায়, স্থানীয়রা ওই সাংবাদিকরে ঘিরে ধরে তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডা করছে। পরে ওই সাংবাদিককে বলতে শোনা যায়, জুয়া খেলার ভিডিও করায় স্থানীয় জনতা ও পুলিশ সবাই তার ওপর ক্ষিপ্ত।

মশা মারার সফর বাতিলে হতাশ চসিক মেয়র, ‘ভুল তথ্য ও ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
মশা মারার সফর বাতিলে হতাশ চসিক মেয়র, ‘ভুল তথ্য ও ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

মশক নিধনসংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্র সফরের অনুমোদন না পাওয়ার পেছনে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, মশক নিধনের জৈবিক প্রযুক্তি উৎপাদনের সম্ভাবনা যাচাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র সফরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘ভুল, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য’ দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন
বসুন্ধরার নাম ভাঙিয়ে ভয়ংকর প্রতারণা, জাহিদ গ্রেপ্তার

বসুন্ধরার নাম ভাঙিয়ে ভয়ংকর প্রতারণা, জাহিদ গ্রেপ্তার

 

মেয়র লেখেন, ‘সব প্রস্তুতি যখন চূড়ান্ত, ঠিক তখনই একটি স্বার্থান্বেষী মহল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই সফরের বিষয়ে সম্পূর্ণ ভুল, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে। ফলে দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সফরটি এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।’

পোস্টে তিনি জানান, গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত চসিক এলাকায় মার্কিন প্রতিষ্ঠান ভ্যালেন্ট বায়োসায়েন্সেস এলএলসির মশার লার্ভা নিধনের জৈবিক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে। এর ইতিবাচক ফলাফলের পর বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি উৎপাদন কারখানা স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

তার দাবি, এ প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানটি তার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলকে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ও ফ্লোরিডায় তাদের কারখানা ও গবেষণাগার পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানায়। সফরের সব ব্যয়ও প্রতিষ্ঠানটির বহন করার কথা ছিল।

আরো পড়ুন
মিটিংয়ে আর নোট নয়, কথা শুনেই সারাংশ লিখবে মেটার ‘এআই পেনডেন্ট’

মিটিংয়ে আর নোট নয়, কথা শুনেই সারাংশ লিখবে মেটার ‘এআই পেনডেন্ট’

 

মেয়রের ভাষ্য, বাংলাদেশে এ ধরনের কারখানা স্থাপিত হলে দেশে মশার লার্ভা নিধনের রাসায়নিক উৎপাদন, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হতো।

চসিক মেয়র ও কয়েকজন কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্র সফরের একটি প্রস্তাব সম্প্রতি সরকারের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছিল। তবে সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওই সফরের অনুমোদন দেননি।

অনুমোদন না দিয়ে নোটে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘মশক নিধন শেখা বা দেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যাওয়ার দরকার নেই। দেশেই সন্ধ্যার পর যেকোনো ডোবার পাশে দুই-তিন ঘণ্টা অবস্থান করলেই মশক নিধনের অনেক উদ্ভাবনী পদ্ধতি বের করা সম্ভব হবে।’

সোমবার সন্ধ্যা থেকে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঠিকাদারের অর্থায়নে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর আগেও নিরুৎসাহিত করা হচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তথ্য মতে, মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ও ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে একটি কারখানা ও একটি গবেষণাগার পরিদর্শনের পরিকল্পনা ছিল প্রতিনিধিদলের।

এই প্রতিনিধিদলে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ছাড়াও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির চৌধুরী এবং ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলামের থাকার কথা ছিল। তাদের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তাকেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।