• ই-পেপার

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা, বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

লেবাননে আমিরাতের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার , ইরান–ইরাকে বহাল

অনলাইন ডেস্ক
লেবাননে আমিরাতের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার , ইরান–ইরাকে বহাল
ছবি: রয়টার্স

প্রায় দুই মাসের বিরতির পর লেবাননে ভ্রমণের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। ফলে এখন থেকে দেশটির নাগরিকরা আবারও লেবানন সফর করতে পারবেন। আজ মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

ইউএই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লেবাননে যাত্রার আগে সকল আমিরাতি নাগরিককে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধন করতে হবে। নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই এই শর্ত রাখা হয়েছে।

গত ৩০ এপ্রিল আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরান, লেবানন ও ইরাকে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। একই সময়ে ওই তিন দেশে অবস্থানরত আমিরাতি নাগরিকদের দ্রুত দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে শুধু লেবাননের ক্ষেত্রে এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে ইরান ও ইরাকের ওপর আগের বিধিনিষেধ এখনো বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। 

এদিকে আঞ্চলিক উত্তেজনা কিছুটা কমে আসার প্রেক্ষাপটে এরই মধ্যে প্রথমবারের মতো ইরান ও দুবাইয়ের মধ্যে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল পুনরায় চালু হয়েছে।

‘অপারেশন সিঁদুরে’ নিহতদের তথ্য গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের সমালোচনায় কংগ্রেস

অনলাইন ডেস্ক
‘অপারেশন সিঁদুরে’ নিহতদের তথ্য গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের সমালোচনায় কংগ্রেস
ছবি : রয়টার্স

২০২৫ সালের মে মাসে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাত চলাকালে ভারতীয় সেনা সদস্যদের মৃত্যুর তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধী দল কংগ্রেস সরাসরি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের পদত্যাগ দাবি করেছে এবং একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার দিনের ওই সংঘাতের সময় পরিচালিত ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ সেনা হতাহতের প্রকৃত তথ্য সংসদে গোপন বা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ওই সংঘাতে মোট ছয়জন ভারতীয় সেনা সদস্য নিহত হন। তাদের মধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাঁচজন এবং ভারতীয় বিমানবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। তবে কংগ্রেসের দাবি, নিহত সেনা সদস্যদের বিষয়ে তথ্য গোপন করা হয়েছে এবং তাদের প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। 

এক সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেসের সেনা সদস্য বিষয়ক বিভাগের সাবেক প্রধান অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল রোহিত চৌধুরী এবং অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার অনূমা আচার্য এ বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। অনূমা আচার্য বলেন, অতীতে যেকোনো সরকার দায়িত্ব পালনকালে নিহত সেনা সদস্যদের প্রকাশ্যে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষায়, সরকার বারবার সেনাবাহিনী ও দেশের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।

অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল রোহিত চৌধুরী দাবি করেন, ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি রাজনৈতিক ফায়দা নিতে সেনাবাহিনীর নাম ব্যবহার করছে। তার অভিযোগ অনুযায়ী, সংসদে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছিলেন, কোনো সেনা সদস্য নিহত হননি। আর সেই বক্তব্যের পর বিজেপি সদস্যরা করতালি দেন। তিনি বলেন, এই বক্তব্য সেনাবাহিনী ও নিহত সদস্যদের প্রতি অসম্মানজনক। এ কারণে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছে কংগ্রেস। তিনি আরো প্রশ্ন তোলেন, নিহত সেনা সদস্যদের নাম প্রকাশ করতে সরকারের ১৩ মাস সময় কেন লাগল।

কংগ্রেস জানিয়েছে, তারা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে সংসদে বিশেষ অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনার বিষয়টিও বিবেচনা করছে।


 

নিয়োগের তৃতীয় দিনেই চাকরির ‘প্রস্তাব বাতিল’, সামাজিক মাধ্যমে ‘হাস্যকর’ অভিজ্ঞতা জানালেন কর্মী

অনলাইন ডেস্ক
নিয়োগের তৃতীয় দিনেই চাকরির ‘প্রস্তাব বাতিল’, সামাজিক মাধ্যমে ‘হাস্যকর’ অভিজ্ঞতা জানালেন কর্মী
সংগৃহীত ছবি

বর্তমান সময়ে চাকরির বাজারে ধীরগতি চলছে। এমন পরিস্থিতিতে একটি চাকরি পাওয়া অনেকের কাছেই বড় সাফল্য হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু সম্প্রতি এক চাকরিপ্রার্থীর হাস্যকর অভিজ্ঞতা সামনে এসেছে, যেখানে তিনি চাকরিতে যোগ দেওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায় ই-মেইলের মাধ্যমে চাকরির প্রস্তাব বাতিলের খবর পান।

এই ঘটনার কথা তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন। রেডিটে পোস্টের শিরোনামে তিনি লেখেন, ‘চাকরির প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে, কিন্তু আমি তো ইতিমধ্যেই কাজ করছি।’ সেখানে তিনি জানান, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়।

রেডিটে করা পোস্টে ওই ব্যক্তি জানান, কয়েক সপ্তাহ আগে শুক্রবার তিনি একটি চাকরির জন্য সাক্ষাৎকার দেন। তার মতে, সাক্ষাৎকারটি ভালো হয়েছিল। এরপর সোমবার তাকে একটি দক্ষতা পরীক্ষা দিতে ডাকা হয়। সেই সময়েই তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি কি পরের দিন—অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই কাজ শুরু করতে পারবেন।

তিনি কোনো দ্বিধা না করে রাজি হয়ে যান। কারণ চাকরিটি তার কাছে ভালো লেগেছিল। এরপর তিনি মঙ্গলবার, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার- এই তিন দিন অফিসে কাজ করেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার কাজ শেষ করে বাসায় ফেরার প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি একটি ই-মেইল পান। ই-মেইলের বিষয় ছিল- ‘চাকরির প্রস্তাব বাতিল।’

ই-মেইলে লেখা ছিল, আরো বিবেচনার পর সোমবার দেওয়া চাকরির প্রস্তাবটি বাতিল করা হয়েছে। তবে সেখানে এটাও বলা হয়, এটি চাকরি থেকে বরখাস্ত নয়, বরং শুধু চাকরির প্রস্তাব বাতিল। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, তিনি নাকি ওই প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেননি। ই-মেইলে তার প্রাপ্য বেতন পাঠানোর জন্য তার ঠিকানাও চাওয়া হয়। এই বার্তা পেয়ে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, তিনি চাকরির প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলেন এবং ইতিমধ্যেই অফিসে কাজও শুরু করেছিলেন। তার দাবি, তিনি কম্পানির বেতন তালিকাতেও ছিলেন এবং নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বেতন পাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। তার ভাষায়, প্রতিষ্ঠানটি খুবই ছোট, যেখানে মালিকসহ মাত্র একজন বা দুইজন কর্মী আছেন। তাই এটি কোনো স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা বা ভুল হওয়ার সুযোগ কম বলেই তিনি মনে করেন। 

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই বিভিন্ন মতামত দেন। একজন মন্তব্য করেন, এটি সম্ভবত কোনো ভুল হতে পারে, অথবা নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমন ই-মেইল চলে গেছে। আরেকজন পরামর্শ দেন, তার উচিত ছিল পরের দিন অফিসে গিয়ে বিষয়টি সরাসরি জিজ্ঞেস করা। তৃতীয় একজন বলেন, বিষয়টি আগে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কারো সঙ্গে নিশ্চিত করা দরকার ছিল, বিশেষ করে যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি ছোট এবং সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব। চতুর্থ একজন মন্তব্য করেন, এমনও হতে পারে যে নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাগজপত্র বন্ধ করার সময় ভুলভাবে এই বাতিলের বার্তা চলে গেছে। তবে ই-মেইলে নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ থাকায় বিষয়টি আরো জটিল মনে হচ্ছে।

যৌন নির্যাতন মামলা

সুপ্রিম কোর্টে হারলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
সুপ্রিম কোর্টে হারলেন ট্রাম্প

যৌন নির্যাতন মামলার রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলে হেরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির সুপ্রিম কোর্ট তার আপিল শুনতে রাজি না হওয়ায় আগের রায় বহাল থাকছে। ফলে ট্রাম্পকে লেখক ও সাংবাদিক ই. জিন ক্যারলকে ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

২০২৩ সালে নিউ ইয়র্কের একটি জুরি রায় দেন, ১৯৯০-এর দশকে ট্রাম্প ক্যারলকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন এবং পরে সামাজিক মাধ্যমে ঘটনাটিকে গুজব বলে উল্লেখ করে তার মানহানি করেন। এ কারণে জুরি ক্যারলকে ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। ট্রাম্প সব সময়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

তার দাবি ছিল, মামলার বিচারক এমন কিছু প্রমাণ উপস্থাপনের অনুমতি দিয়েছিলেন, যা জুরিদের কাছে তার ভাবমূর্তিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে।

গত বছর একটি ফেডারেল আপিল আদালতও জুরির রায় বহাল রাখে এবং নতুন করে বিচারের প্রয়োজন নেই বলে জানায়। এরপর ট্রাম্প বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে যান। তবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট কেন মামলাটি গ্রহণ করেনি, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। এই আপিল ছিল জুরির সর্বসম্মত রায় বাতিলের জন্য ট্রাম্পের শেষ আইনি চেষ্টা। ফলে এখন তাকে ক্যারলকে নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পর ই. জিন ক্যারলের আইনজীবী রবার্টা কাপলান এক বিবৃতিতে বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে জুরি যে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, তা চূড়ান্তভাবে বহাল থাকল। তা হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যারলকে যৌন নিপীড়ন ও মানহানি করেছেন।

তিনি বলেন, ‘এই রায়ের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের একের পর এক আপিল ব্যর্থ হয়েছে। আজকের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তার কৃতকর্মের দায় এড়ানোর সব প্রচেষ্টার অবসান ঘটেছে।’ অন্যদিকে, রায় ঘোষণার পর ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন। সেখানে তিনি মামলাটিকে ‘হাস্যকর মানহানির দাবি’ এবং ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আইনি লড়াই’ বলে উল্লেখ করেন।

ট্রাম্প বলেন, তিনি এই মামলার বিরুদ্ধে সমস্ত শক্তি ও সামর্থ্য দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাবেন। তিনি আরো দাবি করেন, ‘এই মামলাটি শুধু আমার বিরুদ্ধে নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মূল্যবোধের বিরুদ্ধে। ভবিষ্যতে কোনো প্রেসিডেন্ট বা প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা ঘটতে দেওয়া উচিত নয়।’

ট্রাম্পের দাবি, তাকে লক্ষ্যবস্তু করার উদ্দেশ্যে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে একটি বিশেষ আইন ব্যবহার করা হয়েছে, যা বহু বছর আগের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করার সুযোগ দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই আইনটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছিল এবং এমন অবিচার চলতে দেওয়া যায় না।’

সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা আবেদনে ট্রাম্পের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, মামলার জুরিদের ২০০৫ সালের ‘অ্যাক্সেস হলিউড’ টেপটি দেখানো উচিত হয়নি। ওই টেপে ট্রাম্পকে নারীদের স্পর্শ করা ও চুম্বন করার বিষয়ে মন্তব্য করতে শোনা যায়।

এদিকে ক্যারল সম্পর্কে ট্রাম্পের পরবর্তী মন্তব্যের কারণে আরেকটি পৃথক মামলায় জুরি তাকে মানহানির জন্য ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ফেডারেল বিচারকদের একটি প্যানেল সেই রায়ের বিরুদ্ধে করা ট্রাম্পের আপিলও খারিজ করে দেন।

যদিও জুরি সিদ্ধান্তে ট্রাম্পকে ক্যারলের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ও মানহানির জন্য দায়ী বলা হয়, তবে নিউ ইয়র্কের ফৌজদারি আইনে সংজ্ঞায়িত ধর্ষণের অভিযোগটি তারা গ্রহণ করেনি। বর্তমানে ৮১ বছর বয়সী ক্যারল একজন সাবেক ম্যাগাজিন কলামিস্ট।

তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ম্যানহাটানের একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের ড্রেসিং রুমে ট্রাম্প তাকে যৌনভাবে আক্রমণ করেছিলেন। ২০২২ সালে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দিয়ে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। এরপরই ক্যারল তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন।