• ই-পেপার

গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে মার্কিন নাগরিককে আটক করেছে চীন

পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন ও রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক
পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন ও রাশিয়া
ছবি : রয়টার্স

ইউক্রেন ও রাশিয়া শুক্রবার ভোর পর্যন্ত পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইউক্রেন তেল শোধনাগার ও একটি পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে হামলা চালায়, অন্যদিকে রাশিয়া রেল স্টেশন ও বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে হামলা চালায়। 

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় তাতারস্তানের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে তিনজন আহত হয়েছেন এবং রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের সুমি অঞ্চলে একজন রেলকর্মী নিহত হয়েছেন। বর্তমানে ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার বড় ধরনের বিমান হামলার পর এই হামলাগুলো ঘটল।

অন্যদিকে, কিয়েভ রাশিয়ার তেল স্থাপনাগুলোতে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা জোরদার করেছে। ফলে ক্রিমিয়া ও অন্যান্য স্থানে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দিয়েছে। 

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা রাতে তাতারস্তানের নিজনেকামস্ক শহরে অবস্থিত তাতনেফটের তেল শোধনাগার টানেকোতে হামলা চালিয়েছে। তাদের মতে, এটি রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম শোধনাগার, যার বার্ষিক নকশা ক্ষমতা ১৬ মিলিয়ন টনেরও বেশি।

টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে দেওয়া এক বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, তারা নিজনেকামস্কের তাইফ-এনকে শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে এবং উভয় শোধনাগারে আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তাতারস্তানের আঞ্চলিক প্রধান আগে বলেছিলেন, তাতারস্তানের শিল্প স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার সামারা অঞ্চলের তোলিয়াত্তি শহরের টোগলিয়াটিকাউচুক উদ্ভিদ কারখানায় হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এই কারখানাটি সিন্থেটিক রাবার উৎপাদনে বিশেষায়িত। এটি ক্ষেপণাস্ত্রের কঠিন জ্বালানি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

সামারা অঞ্চলের গভর্নর এর আগে জানান, মস্কো থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ভলগা নদীর তীরে অবস্থিত টোলিয়াটি শহরেও ড্রোন হামলা হয়েছে। এ ছাড়া রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ব্রায়ানস্ক ওব্লাস্ট অঞ্চলে ইউক্রেনের আরেক হামলায় দুজন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার রাতে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত আঞ্চলিক গভর্নর।

সংবাদ সংস্থাগুলো রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, রাশিয়া রাতারাতি ২৩১টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষই ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে। 

শুক্রবার ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে সংস্থা ‘উকরজালিজনিৎসিয়া’ প্রধান নির্বাহী জানান, রাশিয়ার ড্রোন উত্তরাঞ্চলীয় সুমি ওব্লাস্ট অঞ্চলের একটি রেল স্টেশন, বৈদ্যুতিক সংকেত কেন্দ্র এবং সাবস্টেশনে হামলা চালিয়েছে। এতে একজন রেলকর্মী নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে একই অঞ্চলের কোনোটপ শহরে আরেকটি হামলায় একজন রেলকর্মী নিহত এবং চারজন আহত হন।

ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাশিয়া ১১৭টি ড্রোন ছুড়েছে। এর মধ্যে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো ১০২টি ড্রোন ভূপাতিত বা নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ টেলিগ্রামে জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মাইকোলাইওভ গত রাতে একটি ড্রোন হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন এবং ১৪টি ব্যক্তিগত ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা আরো জানায়, শুক্রবার ভোরে আরেকটি হামলায় একজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

ব্রিটিশ অর্থনীতিতে ইরান যুদ্ধের ধাক্কা

অনলাইন ডেস্ক
ব্রিটিশ অর্থনীতিতে ইরান যুদ্ধের ধাক্কা
সংগৃহীত ছবি

ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যে এপ্রিল মাসে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে।

দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস (ওএনএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য থেকে এ চিত্র উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে আলজাজিরা

ওএনএসের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে যুক্তরাজ্যের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ০.১ শতাংশ কমেছে। এর আগে মার্চ মাসে অর্থনীতি ০.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানের পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হয়ে পড়েছে।

অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশের পর ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী র‍্যাচেল রিভস বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শুরুর আগে প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ছিল এবং মূল্যস্ফীতি কমছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘এটি এমন একটি যুদ্ধ নয়, যা আমরা চেয়েছিলাম বা যাতে আমরা অংশ নিয়েছি। কিন্তু এর প্রভাব আমাদের দেশেও পড়বে।’

অর্থনীতিবিদদের মতে, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি যুক্তরাজ্যের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা এবং জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে নতুন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শুধু তাই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। যা দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার নীতি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে এবং বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আগামী মাসগুলোতে অনেকটাই নির্ভর করবে জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের গতিপ্রকৃতির ওপর।

মার্কিন কূটনীতিককে দ্বিতীয়বার তলব করল ভারত

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন কূটনীতিককে দ্বিতীয়বার তলব করল ভারত

ওমানের উপকূলে বাণিজ্যিক জাহাজে মার্কিন সামরিক হামলার প্রতিবাদে ভারত শুক্রবার দিল্লিতে নিযুক্ত মার্কিন উপ-মিশন প্রধানকে তলব করেছে বলে একটি ভারতীয় সূত্র জানিয়েছে। গত তিন দিনে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার নয়াদিল্লি তার অসন্তোষ প্রকাশ করল।

গত বুধবার ওমানের উপকূলে ‘সেত্তেবেলো’ ট্যাংকারে মার্কিন হামলায় তিনজন ভারতীয় নাবিক নিহত হন এবং বৃহস্পতিবার ‘জলবীর’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলার পর ২১ জন নাবিককে উদ্ধার করা হয়। নিহত তিনজন নাবিক হলেন ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজ থেকে মোট ২১ জন ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে। ট্যাংকারটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রিসিশন মুনিশন’ দিয়ে হামলা চালানো হয়। প্রিসিশন-গাইডেড মুনিশন হলো, উন্নত প্রযুক্তির বোমা বা ক্ষেপণাস্ত্র।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, জাহাজটি ইরান থেকে তেল পরিবহনের চেষ্টা করে চলমান অবরোধ লঙ্ঘন করছিল। তাদের দাবি, পালাউ পতাকাবাহী এই ট্যাংকারটি ওমান উপসাগর অতিক্রম করার সময় নির্দেশনা না মানায় জাহাজের ইঞ্জিনকক্ষে বিমান হামলা চালানো হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তারা হামলার ভিডিওও প্রকাশ করেছে।

মেডিক্যাল হাবেই বেঁচে থাকবে এআই-১৭১-এর স্মৃতি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
মেডিক্যাল হাবেই বেঁচে থাকবে এআই-১৭১-এর স্মৃতি

মাত্র ৩২ সেকেন্ডের একটি ফ্লাইট বদলে দিয়েছে ভারতের এভিয়েশন খাতকে। শুধু ভারত নয়, গোটা বিশ্বের এভিয়েশন খাতেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-১৭১ ফ্লাইটের ৩২ সেকেন্ডের উড়ান।

ঠিক এক বছর আগে ভারতের আহমেদাবাদের সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ফ্লাই করার ৩২ সেকেন্ডের মধ্যে পাশের বিজে মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেল ও ক্যান্টিনের ওপর আছড়ে পড়েছিল। একজন যাত্রী ছাড়া পাইলট, যাত্রী, ক্রুসহ বিমানের ২৪১ জন, আর যেখানে আছড়ে পড়েছিল সেখানকার ১৯ জনসহ মোট ২৬০ জন মানুষ প্রাণ দিয়েছিল সেদিন।

দূরের অনেকের মনে হয়তো স্মৃতির ধুলার আস্তর জমেছে। কিন্তু ২৬০টি পরিবার এখনো দিন কাটায় স্বজন হারানোর সেই দগদগে ক্ষত নিয়ে। সিতাবেন পাটানি ঠেলাগাড়িতে একটি ভ্রাম্যমাণ চায়ের স্টল চালাতেন। তার ১৫ বছরের কিশোর ছেলে আকাশ পাটানি মায়ের জন্য দুপুরের খাবার নিয়ে এসেছিল। ঠিক তখনই তাদের মাথায় আকাশ মানে ড্রিমলাইনার ৭৮৭ এয়ারক্র্যাফটটি ভেঙে পড়েছিল। কিশোর আকাশ আকাশের তারা হয়ে যায়। আর সিতাবেন শরীরে থার্ড ডিগ্রি বার্ন নিয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছিলেন হাসপাতালে। নিজে যন্ত্রণায় কাতর হলেও বারবার সন্তানের খবর নিচ্ছিলেন। কিন্তু তাকে তখন সত্যিটা জানানো হয়নি।

প্রিয় নাতি আকাশের মৃত্যু শোক সইতে না পেরে ২০ দিন পর মারা যান তার দাদা বাবুভাই পাটানি। সন্তানের মৃত্যু, হাসপাতালে স্ত্রীর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, পিতার মৃত্যু এলোমেলো করে দেয় অটোরিকশাচালক সুরেশভাই পাটানির জীবন। এত দুঃখ বুকে চাপা দিয়ে তিনি স্ত্রীর চিকিৎসা চালিয়ে গেছেন। অসুস্থ শরীরে সিতাবেন শোকের এই ধাক্কা নিতে পারবেন না ভেবে তাকে কিছু জানানোই হয়নি। ছেলের মৃত্যুর এক মাস পর সিতাবেন জানতে পেরেছিলেন। ছেলেকে শেষবারের মতো দেখতে না পারার বেদনা এখনো তাকে কুড়ে কুড়ে খায়। প্রতিদিন ছেলের কথা ভেবে চোখের জল ফেলেন।

কাঁদতে কাঁদতেই সাংবাদিকদের বললেন, ‘আমি শেষবারের মতো ছেলেটাকে দেখতেও পারিনি। আমার স্মৃতিগুলো ১২ জুনেই থমকে গেছে, যখন আকাশ বেঁচে ছিল। এরপর থেকে আমার স্মৃতি আর সামনে এগোয়নি এবং আমি মনে করি না কোনোদিন এগোবে।’

সিতাবেনের মতো ২৬০টি পরিবারেই নিত্যদিনের হাহাকার। সরকারের ক্ষতিপূরণে আর্থিক সংকট মিটলেও প্রিয়জনের বিনিময় টাকায় হয় না কখনো।

এআই-১৭১ দুর্ঘটনার পর ভারতের দ্রুত বড় হতে থাকা এভিয়েশন খাত বড় ধাক্কা খায়। এয়ারলাইনস কম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম পড়ে যায়। তবে ২৬০ জন মানুষ জীবন দিয়ে ভারতের এভিয়েশন খাতের বড় উপকারও করে গেছেন। লোভের গ্রাস থেকে বেরিয়ে এয়ারলাইনস মালিকরা নিরাপত্তা খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে, সতর্কতা আরো নিখুঁত হয়েছে। 
নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সত্যিকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ‘সেফটি ফার্স্ট’ যেন কথার কথা না হয়, সেই চেষ্টাও আছে। তবে ৩২ সেকেন্ডের একটি ফ্লাইটের দুর্ঘটনার তদন্ত একবছরেও শেষ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ অনেকেই।

এআই-১৭১ ফ্লাইটটি আছড়ে পড়েছিল বিমানবন্দরের পাশের বিজে মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের হোস্টেল ও ক্যান্টিনের ওপর। তারপর থেকে ভবন দুটি পরিত্যক্ত, যেন অভিশপ্ত কোনো ভৌতিক বাড়ি। তবে দুর্ঘটনার এক বছর পর সেই পরিত্যক্ত  ছাত্রাবাস ও ক্যান্টিন নিয়ে দারুণ এক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন গুজরাটের স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল পানসারিয়া। 
নিহতদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি দুর্ঘটনার ক্ষত সারিয়ে সেখানেই সম্ভাবনার ফুল ফোটানোর ঘোষণা দিলেন। ৫৪৭ কোটি টাকা খরচ করে পুনর্নির্মাণ করা হবে বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যাম্পাস।

তিনি বলেন, ‘বিজে মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার হাব হিসাবে গড়ে তোলা হবে, যা মেডিক্যাল পড়ুয়াদের নতুন আশা দেবে।’ ভাঙা ও পোড়া ভবনগুলো সরিয়ে ফেলা হবে। ঠিক যে জায়গায় বিমানটি আছড়ে পড়েছিল, সেখানে প্যারাপ্লেগিয়া  স্পাইন হাসপাতাল তৈরি হবে। এর পাশে রিহ্য়াবিলেশন সেন্টার, ফিজিওথেরাপি কলেজ ও হোস্টেল তৈরি করা হবে। ১ লাখ ৭১ হাজার ১০০ স্কয়ার মিটার জমিতে শিক্ষকদের জন্য ছয়টি কোয়ার্টার তৈরি করা হবে, যেখানে ১২০টি ফ্ল্যাট থাকবে। এছাড়া স্নাতক স্তরের পডুয়াদের জন্য দুটি হোস্টেল ব্লক তৈরি করা হবে, যেখানে ৩৬৪টি রুম থাকবে। স্নাতকোত্তর স্তরের বিবাহিত শিক্ষার্থীদের জন্য ১৬১টি ইউনিট বরাদ্দ থাকবে। এ ছাড়া মেস, ক্যান্টিন থাকবে। নতুন ক্যাম্পাসে গুজরাটের ফার্মাসিউটিক্যাল টেস্টিংয়ের জন্য বিশ্বমানের ফুড অ্যান্ড ড্রাগস ল্যাবরেটরি তৈরি করা হবে।

বিজে হাসপাতালের নতুন ক্যাম্পাস আর মেডিক্যাল হাবেই হয়তো বেঁচে থাকবে ২৬০ জনের স্মৃতি। এই হাসপাতালে সেবাগ্রহীতারা ভালো সেবা পেলে নিশ্চয়ই শান্তি পাবে দুর্ঘটনায় নিহত ২৬০ জনের আত্মাও।