• ই-পেপার

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ‘সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ আছেন’

যুদ্ধে ইরানের গ্যাস উৎপাদন কমেছে ২৩ কোটি ঘনমিটার

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধে ইরানের গ্যাস উৎপাদন কমেছে ২৩ কোটি ঘনমিটার
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে ইরানের গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৩ কোটি (২৩০ মিলিয়ন) ঘনমিটার কমে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

এক প্রতিবেদনে গালফ নিউজ বলছে, মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের সরকারি মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, যুদ্ধের কারণে দেশের জ্বালানি খাত উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

এর আগে গত এপ্রিলে তেহরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল।

ইরানি কর্মকর্তাদের পূর্ববর্তী হিসাব অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধে দেশটির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সর্বশেষ গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা হ্রাসের তথ্য সেই ক্ষয়ক্ষতির মাত্রাকেই আরো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।

হরমুজ নিয়ে ওমানের নতুন প্রস্তাবে কী রয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
হরমুজ নিয়ে ওমানের নতুন প্রস্তাবে কী রয়েছে
ছবি : রয়টার্স

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি যৌথভাবে পরিচালনার জন্য ইরানের কাছে একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ওমান। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে দফায় দফায় চলমান উত্তেজনার মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি।

প্রস্তাব অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না; বরং আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তিতে এটি পরিচালিত হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি সূত্র জানিয়েছেন, আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের সমর্থন পাওয়া এ প্রস্তাব গত সপ্তাহান্তে তেহরানে ইরানি কর্মকর্তাদের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের একক নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

প্রস্তাবটি মালাক্কা প্রণালির ব্যবস্থাপনা কাঠামো অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে। ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্তকারী ওই প্রণালি ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর যৌথভাবে পরিচালনা করে।

ওমানের প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলো স্বেচ্ছাভিত্তিতে একটি তহবিলে অর্থ প্রদান করবে। সেই অর্থ নৌ-চলাচল ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সুরক্ষা, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন সেবার ব্যয় মেটাতে ব্যবহার করা হবে।

প্রসঙ্গত, বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সংঘাতের আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করত। বর্তমানে ইরান যুদ্ধের অবসান নিয়ে চলমান আলোচনায় এই প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা অন্যতম প্রধান অচলাবস্থার কারণ হয়ে উঠেছে।

তবে এ বিষয়ে ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধের আগের মতো অবাধ নৌ-চলাচলের পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিকে আর ফিরিয়ে নেওয়া যাবে না। অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলো জোর দিয়ে বলছে, ইরানকে কোনো বাধ্যতামূলক ফি পরিশোধের ব্যবস্থা তারা মেনে নেবে না।

যদিও গতকাল সোমবার হরমুজ প্রণালির বিষয়টি নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ওমান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, আরাগচি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের’ কারণে হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট নিরাপত্তাহীনতা দূর করতে যৌথ কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের ‘ভালো আলোচনা’ চলছে এবং একটি সমঝোতার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা শুরু করবে।’

পশ্চিম তীরে ৭ মাসে ১৩৩০ হামলা চালাল ইসরায়েলি বসতিরা

অনলাইন ডেস্ক
পশ্চিম তীরে ৭ মাসে ১৩৩০ হামলা চালাল ইসরায়েলি বসতিরা
ছবি : রয়টার্স

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থা (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, গত সপ্তাহ থেকে চলমান সহিংসতায় এক শিশুসহ অন্তত ৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া বহু মানুষ আহত হয়েছেন।

এক প্রতিবেদনে ওসিএইচএ বলছে, এই সহিংসতার কারণে অন্তত ১০টি ফিলিস্তিনি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর, মসজিদ, গাছপালা এবং কৃষি অবকাঠামোতে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের কঠোর চলাচল নিষেধাজ্ঞার কারণে বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ এবং জীবিকা নির্বাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ওসিএইচএর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত অর্থাৎ গত ৭ মাসে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের জড়িত অন্তত ১ হাজার ৩৩০টি সহিংস ঘটনার নথি সংরক্ষণ করা হয়েছে।

জাতিসংঘ বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অধিকৃত অঞ্চলে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছে।

সাইবার প্রতারণায় দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস করল মিয়ানমার

অনলাইন ডেস্ক
সাইবার প্রতারণায় দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস করল মিয়ানমার
ছবি : রয়টার্স

যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারে অনলাইন প্রতারণা ঠেকাতে কঠোর নতুন আইন পাস করা হয়েছে। নতুন আইনে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন প্রতারণার কেন্দ্রগুলো সক্রিয়। 

এসব চক্র প্রেমের ফাঁদ, ভুয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন কৌশলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এই অবৈধ ব্যবসা থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার আয় হচ্ছে। অনেক বিদেশি নাগরিক জানিয়েছেন, তাদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে জোর করে প্রতারণা কেন্দ্রে কাজ করানো হয় এবং অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ বিভিন্ন দেশের চাপের মুখে মিয়ানমারের সরকার এই অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান বাড়লেও প্রতারণাকারীরা শুধু এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় সরে গিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার রাজধানী নেপিদাওয়ে সংসদের যৌথ অধিবেশনে ‘অনলাইন প্রতারণা বিরোধী বিল’ পাস হয়। একজন আইনপ্রণেতা জানান, আইনের চূড়ান্ত সংস্করণে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এর আগে প্রকাশিত খসড়া আইনে বলা হয়েছিল, কাউকে জোর করে অনলাইন প্রতারণার কাজে বাধ্য করতে গিয়ে নির্যাতন, বেআইনি আটক বা সহিংসতা চালানো হলে ১০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

এ ছাড়া অনলাইন প্রতারণার কারণে কারো মৃত্যু হলে দোষীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। নতুন আইনে অনলাইন প্রতারণা কেন্দ্র পরিচালনা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণায় দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

নতুন আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান

অনলাইন প্রতারণা দমনে পাস হওয়া নতুন আইনটি সাবেক সামরিক জান্তা প্রধান ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম আইন। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিন অং হ্লাইং অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। এরপর থেকেই দেশটিতে গৃহযুদ্ধ চলছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে ব্যাপক সমালোচিত একটি নির্বাচনের পর মিন অং হ্লাইং বেসামরিক প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। ওই নির্বাচনে কারাবন্দি নোবেলজয়ী অং সান সু চি বা তার দল অংশ নিতে পারেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক-সমর্থিত আইনপ্রণেতাদের আধিপত্য থাকায় দেশটির সংসদ কার্যত সরকারের সিদ্ধান্ত অনুমোদনের কাজই করে। পশ্চিমা দেশ ও গণতন্ত্র পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোও নির্বাচনটিকে অবাধ ও সুষ্ঠু নয় বলে সমালোচনা করেছে।

প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মিন অং হ্লাইং তার প্রথম সিদ্ধান্তগুলোর একটি হিসেবে এপ্রিলে সাধারণ আদেশ জারি করে সব মৃত্যুদণ্ডের সাজা মওকুফ করেন। তবে এর আগে তার নেতৃত্বাধীন সামরিক সরকার কয়েক দশক পর আবারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু করেছিল।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলনে জড়িত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করেই এসব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সাল পর্যন্ত ১৩০ জনের বেশি মানুষকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে, গত দুই বছরে প্রতারণার কারণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতির কথা জানানো চীনও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। চলতি বছর মিয়ানমারের প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত জালিয়াতির অপরাধে দোষী সাব্যস্ত অন্তত ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। গৃহযুদ্ধের সুযোগে বেড়েছে অনলাইন প্রতারণা, চ্যালেঞ্জের মুখে মিয়ানমার।

বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। দীর্ঘদিনের এই সংঘাত ও অস্থিতিশীলতার সুযোগে দেশটিতে অনলাইন প্রতারণা চক্র আরো শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক সংস্থা (ইউএনওডিসি) এ মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, চীনা বংশোদ্ভূত অপরাধী চক্রগুলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাইবার প্রতারণা নেটওয়ার্কের প্রধান চালিকাশক্তি। তারা মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও লাওসের সীমান্ত এলাকা এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় আকারের প্রতারণা কেন্দ্র পরিচালনা করছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় সক্রিয় কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীও এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত। মিয়ানমার সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে মিলে অনলাইন প্রতারণা দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে ইউএনওডিসির মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান প্রতারণা চক্রগুলোকে পুরোপুরি ধ্বংস করতে পারেনি। বরং তারা এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় সরে গিয়ে নতুন করে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে কে কে পার্ক ও শ্বে কোক্কো এলাকার প্রতারণা কেন্দ্রগুলোতে অভিযান চালানোর পর অনেক চক্র কম্বোডিয়ায় গিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।

মিয়ানমারের উচ্চকক্ষের সদস্য নও ইউজানা ওয়াহ বলেন, আন্তর্জাতিক চাপের কারণে সরকার অনলাইন প্রতারণা দমনে আরো সক্রিয় হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, এই অপরাধে অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী ও সংগঠন জড়িত থাকায় এটি মোকাবিলা করা খুবই কঠিন। তার ভাষায়, ‘এই সমস্যা সমাধানে আমাদের অনেক বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।’

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ‘সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ আছেন’ | কালের কণ্ঠ