• ই-পেপার

ভারতে ভুয়া আধার কার্ড ঠেকাতে আট রাজ্যে সমীক্ষার পরিকল্পনা

ইরানি বিমান ইস্যুতে সৌদি স্থাপনায় হামলার হুমকি হুথিদের

অনলাইন ডেস্ক
ইরানি বিমান ইস্যুতে সৌদি স্থাপনায় হামলার হুমকি হুথিদের
ছবি: রয়টার্স

ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিরা দাবি করেছে, সৌদি আরবের যুদ্ধবিমান একটি ইরানি বেসামরিক বিমানকে সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়া এ অভিযোগ করেন।

তার দাবি, ইরানি বিমানটি ইয়েমেনের রাজধানী সানার উদ্দেশে উড়ে আসার সময় হুথি বাহিনী সৌদি যুদ্ধবিমানের মুখোমুখি হয়। এ ঘটনাকে তিনি ইয়েমেনের আকাশসীমা লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন। এ ঘটনার জেরে সৌদি আরবকে কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী। তারা বলেছে, সৌদি আরব যদি ভবিষ্যতেও ইয়েমেনের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে, তাহলে সৌদি আরবের বিমানবন্দর, স্থলভাগ ও সমুদ্রে থাকা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। ইয়াহিয়া সারিয়া আরো বলেন, যেকোনো ধরনের ঝুঁকি থাকলেও সানা ও তেহরানের মধ্যে বিমান চলাচল চালু থাকবে। এই রুটে ফ্লাইট বন্ধ করা হবে না বলেও তিনি জানান। এর আগে শুক্রবার হুথি-নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন চ্যানেল আল মাসিরাহ জানায়, একটি ইরানি যাত্রীবাহী বিমান সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেছে। পরে একই বিমান হুথিদের একটি সরকারি প্রতিনিধিদলকে নিয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানের উদ্দেশে রওনা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই প্রতিনিধিদল ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নিতে তেহরানে গেছে। এছাড়া বিমানে ২০০ জনের বেশি রোগীও ছিলেন, যারা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ইরানে যাচ্ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ইরান-সমর্থিত হুথিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকেই ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। এদিকে হুথিদের অভিযোগ ও হুমকির জবাবে শনিবার ভোরে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট একটি বিবৃতি দেয়। সেখানে বলা হয়, সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হুথিদের দেওয়া এসব বক্তব্য আসলে ইয়েমেনের সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে তাদের বিভিন্ন লঙ্ঘনের ঘটনা থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা। জোটটি আরো জানায়, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের হামলার চেষ্টা কিংবা ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনায় তারা কঠোর জবাব দেবে। প্রয়োজনে এমন শক্তি ব্যবহার করা হবে, যা এর আগে কখনো দেখা যায়নি বলেও সতর্ক করেছে তারা।

ইয়েমেনের চলমান যুদ্ধে হুথিরা একাধিকবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। এর আগে তারা সৌদি আরবের তেল স্থাপনা, বিমানবন্দর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে।

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, দ্রুত সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, দ্রুত সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শুক্রবারের (৩ জুলাই) এই ফোনালাপে দুই নেতা অদূর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে সশরীরে সাক্ষাৎ করতে সম্মত হয়েছেন বলে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে যাননি। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে নানা টানাপোড়েন চললেও, এই ফোনকলের মাধ্যমে বরফ গলতে শুরু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফোনালাপে নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বৈশ্বিক স্বাধীনতার রক্ষাকর্তা’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং দুই দেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি এক পডকাস্টে নেতানিয়াহুর সাথে তার সম্পর্ক ভালো দাবি করে বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে খুব ভালো কাজ করেছি। আমি বিবিকে (নেতানিয়াহু) খুব পছন্দ করি। আমি একজন যুদ্ধকালীন রাষ্ট্রপতি এবং তিনি একজন যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী।’

গত ১ জুন লেবাননে হামলার জন্য নেতানিয়াহুকে ‘পুরোপুরি পাগল’ বলেছিলেন ট্রাম্প। একটি মার্কিন সূত্র অনুযায়ী, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে ট্রাম্প পাশে না থাকলে নেতানিয়াহু জেলে থাকতেন এবং তার কারণেই সবাই এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করছে। পরে ট্রাম্প ‘দ্য পোস্ট’ পত্রিকার কাছে স্বীকার করেন যে তিনি এই ধরণের কড়া ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। এই উত্তেজনার পর, গত ২৬শে জুন লেবানন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করে ইসরায়েল, যার লক্ষ্য ছিল অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনা। গত ৮ই জুন আরেকটি ফোনালাপে ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন যে, তেহরানের সাথে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু করলে ইসরায়েল মার্কিন সমর্থন হারাতে পারে এবং তাকে একা ফেলে রাখা হতে পারে। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পর এই অসন্তোষ অনেকটাই কমে এসেছে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেতানিয়াহু। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, গত ৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি আলোচনার সময় ইরানের শীর্ষ আলোচকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল ইসরায়েল। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু একে ‘বাস্তবতার সম্পূর্ণ মনগড়া বিবরণ’ বলে উল্লেখ করেন।

আঞ্চলিক সূত্রগুলোর মতে, গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফার আলোচনার সময় ইরানি প্রতিনিধিদল নিরাপত্তার অভাব বোধ করছিল, তবে ওয়াশিংটনের আশ্বাসে তারা আশ্বস্ত হয়। শুক্রবারের এই সর্বশেষ ফোনালাপ নিয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। তবে একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পূর্বের মতবিরোধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্ক এখনও অত্যন্ত শক্তিশালী রয়েছে।

বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা

কয়েক দশকে বিশ্বব্যাপী ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেড়েছে। ২০২৪ সালে এটি ইতিহাসের সবোর্চ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এ বছর বিশ্বজুড়ে ১ কোটি ৪৬ লাখেরও বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং অন্তত ১২ হাজার মানুষ এ রোগে প্রাণ হারিয়েছেন।

এক প্রতিবেদনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিশ্বের ৯৭টি দেশ থেকে ৪০ লাখেরও বেশি রোগী এবং তিন হাজারেরও বেশি মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। ডেঙ্গু এখন আর কেবল গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি ইউরোপ এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের মতো নতুন নতুন এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়ছে। ২০২৪ সালে ইউরোপের তিনটি দেশ—ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডেঙ্গুর লক্ষণ মৃদু হয় এবং ১-২ সপ্তাহের মধ্যে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে, যা মৃত্যুঝুঁকি তৈরি করে। ডেঙ্গুর সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

* উচ্চমাত্রার জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট পর্যন্ত) * তীব্র মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা * মাংসপেশি ও হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা * বমি বমি ভাব ও শরীরে র‍্যাশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার পর অনেকেরই বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে শারীরিক দুর্বলতা থাকতে পারে। তবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে:

* তীব্র পেটে ব্যথা ও অনবরত বমি হওয়া * দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস ও মাড়ি বা নাক দিয়ে রক্তপাত * রক্তবমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া * প্রবল তৃষ্ণা, দুর্বলতা এবং ত্বক ফ্যাকাশে বা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ডেঙ্গুর কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ নেই। আক্রান্ত ব্যক্তিকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে এবং প্রচুর তরল খাবার পান করতে হবে। ব্যথানাশক হিসেবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কেবল ‘প্যারাসিটামল’ সেবন করা যাবে। তবে আইবুপ্রোফেন বা অ্যাসপিরিনের মতো নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ সেবন করা থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এগুলো রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়া। যেহেতু ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা দিনের বেলায় বেশি সক্রিয় থাকে, তাই দিনেও সতর্ক থাকতে হবে।

* শরীর ঢেকে রাখে এমন পোশাক পরুন। * দিনের বেলা ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করুন। * জানালায় নেট লাগান এবং মশারি তাড়ানোর স্প্রে বা কয়েল ব্যবহার করুন। * মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে ঘর ও আঙিনায় জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখুন।

বর্তমানে একটি টিকা (QDenga) কিছু দেশে অনুমোদিত হলেও, এটি শুধু ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তি সচেতনতার পাশাপাশি সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ইরানের স্পিকার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ইরানের স্পিকার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠান ঘিরে তেহরানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত শোকানুষ্ঠানে ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আবেগে আপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন

কয়েক দিনব্যাপী চলা এই বিদায় অনুষ্ঠানে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন (দেড় থেকে দুই কোটি) মানুষের সমাগম ঘটবে বলে ধারণা করছে দেশটির প্রশাসন তেহরানের গভর্নর মোহাম্মদ সাদেক মোতামাদিয়ান জানিয়েছেন, শহীদ নেতার বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করতে সর্বোচ্চ স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই)
সকাল ৬টায় তেহরানের প্রার্থনা ময়দানের (মোসাল্লা) ফটক জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় এর আগেও দরজা খোলা হতে পারে। লোকজনকে সময় মেনে প্রার্থনা স্থলে আসার জন্য বলা হয়েছে।

খামেনির মৃত্যুর পর এটিই ইরানে আয়োজিত অন্যতম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সমাবেশ। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ কর্মকর্তা, রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিদল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেন মোহসেনি এজেই এবং এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আয়াতুল্লাহ সাদেক আমোলি লারিজানি। এ ছাড়া রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির, ইরাকের রাষ্ট্রপতি নিজার আমেদি, আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান এবং তাজিকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ইমোমালি রাহমনসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। 

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশ থেকে সরকারি প্রতিনিধিদল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন। তবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনকে সমর্থন করা ইউরোপীয় দেশগুলোকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

ভারতে ভুয়া আধার কার্ড ঠেকাতে আট রাজ্যে সমীক্ষার পরিকল্পনা | কালের কণ্ঠ