• ই-পেপার

ইরানের বিরুদ্ধে ‘জাতীয় জরুরি অবস্থা’ এক বছর বাড়ালেন বাইডেন

চীনের বিরুদ্ধে যেভাবে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে তাইওয়ান

অনলাইন ডেস্ক
চীনের বিরুদ্ধে যেভাবে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে তাইওয়ান
রয়টার্স ছবি

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের মূল ভূখণ্ডের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ ও অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করলেও তাইওয়ান নিজেদের একটি স্বায়ত্তশাসিত ও গণতান্ত্রিক সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করে। এ নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিপরীতমুখী অবস্থানের মধ্যে দিনি দিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে তাইওয়ান। 

তারই অংশ হিসেবে এবার সম্ভাব্য চীনা আগ্রাসন মোকাবেলায় বিশ্বের অন্যতম কার্যকর দূরপাল্লার রকেট ব্যবস্থা ব্যবহার করে সামরিক মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ান। যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি অত্যাধুনিক হিমার্স (হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম) রকেট ব্যবস্থা ব্যবহারের মাধ্যমে দ্বীপটিকে এমন এক প্রতিরক্ষা বলয়ে পরিণত করা হচ্ছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, বুধবার দেশটির পশ্চিম উপকূলে অনুষ্ঠিত এই মহড়ায় দ্রুত আঘাত হেনে অবস্থান পরিবর্তনের সক্ষমতা বা ‘শুট-অ্যান্ড-স্কুট বা গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার’ কৌশল প্রদর্শন করা হয়।

তাইওয়ানের সামরিক বাহিনী জানায়, মধ্যাঞ্চলের তাইচুং এলাকায় পরিচালিত এই মহড়ার উদ্দেশ্য ছিল হিমার্স-এর গতিশীলতা ও যুদ্ধক্ষেত্রে টিকে থাকার সক্ষমতা তুলে ধরা। রকেট নিক্ষেপের পর দ্রুত স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে শত্রুপক্ষের রাডার ও পাল্টা হামলা এড়ানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।

মহড়ার পর ইউনিট কমান্ডার কো মিং-পিন বলেন, ‘আমাদের হিমার্স ইউনিট শক্তিশালী যুদ্ধ সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে এবং সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে।’

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হিমার্স বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম কার্যকর দূরপাল্লার রকেট ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। তাইওয়ান গত বছর প্রথমবারের মতো পূর্ব উপকূলে এই অস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছিল। তবে পশ্চিম উপকূলে এবারই প্রথম এটি মোতায়েন করা হলো।

প্রসঙ্গত, চীনের মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে তাইওয়ানের পশ্চিম উপকূল, যা যেকোনো আক্রমণের ক্ষেত্রে চীনা সেনাবাহিনীর অবতরণের প্রচেষ্টার জন্য সবচেয়ে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে দেখা হয়। ফলে ওই এলাকায় এই মহড়ার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

বর্তমানে নিজেদের প্রতিরক্ষা কৌশল আধুনিকায়ন করছে তাইওয়ানের সামরিক বাহিনী। তাদের লক্ষ্য ছোট হলেও অত্যন্ত কার্যকর ও গতিশীল অস্ত্রব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে দ্বীপটিকে এমন এক প্রতিরক্ষা বলয়ে পরিণত করা হচ্ছে, যা আক্রমণ করা কঠিন এবং দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম। যাকে ‘পর্কুপাইন স্ট্র্যাটেজি বা সজারু কৌশল’ নামে অভিহিত করেছেন সামরিক বিশ্লেষকেরা।

প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পাল্লার হিমার্স রকেট ব্যবস্থার মাধ্যমে চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশের উপকূলীয় লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানা সম্ভব।

এছাড়াও তাইওয়ানের নিজস্বভাবে উন্নত থান্ডারবোল্ট-২০০০ রকেট লঞ্চার ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এটি ব্যবহার করা হবে বলে সামরিক সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে, তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে চীন। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দ্বীপটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ারও হুমকি দিয়েছে।

তবে চীনের সার্বভৌমত্বের দাবি প্রত্যাখ্যান করে তাইওয়ান সরকার বলেছে, দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার শুধুমাত্র তাইওয়ানের জনগণেরই রয়েছে।

সাম্প্রতিক এই মহড়া তাইওয়ান প্রণালি ঘিরে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

খারাপ সময়ে মমতা দিদির সঙ্গ ছাড়ায় অপরাধবোধ হচ্ছে : শতাব্দী রায়

অনলাইন ডেস্ক
খারাপ সময়ে মমতা দিদির সঙ্গ ছাড়ায় অপরাধবোধ হচ্ছে : শতাব্দী রায়

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেছেন, তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করায় কোনো অপরাধবোধ নেই। শুধু একটি বিষয়েই অপরাধবোধ কাজ করছে—খারাপ সময়ে দিদির সঙ্গত্যাগ। কলকাতাভিত্তিক ‘এই সময় অনলাইন’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

এখনো তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে মানসিকভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে উল্লেখ করে শতাব্দী রায় বলেন, ‘এই মুহূর্তে নেত্রী মমতার পাশে থাকা কষ্টের কিন্তু দিদিই সেই জায়গায় নিয়ে গেল আমাদের। আমার দুঃখটা যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে কেয়ার করতেন, তাহলে এটা হতো না।’

কোন পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া—তা জানিয়েছে এই সাংসদ বলেন, ‘ভোটের রেজাল্টের পরে যখন কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠক ডাকা হলো, আমরা গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানেও হার নিয়ে কোনো বিশ্লেষণ নেই। দিদির মনে হচ্ছে, উনি হারেননি। 

কিন্তু দলের ভেতরে হার নিয়ে কথা বলতেই হবে। কিন্তু সেখানে তো উনি জিজ্ঞেস করবেন, তোমার এলাকার কেন এ রকম ফল হলো। সে রকম কোনো আলোচনা নেই। শুধু বলছেন, চিঠি লেখো। দু-একজন বলতে গেল। থামিয়ে দেওয়া হলো বলে যোগ করেন তিনি।

গত সোমবার তৃণমূলের যে কজন সাংসদ লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শতাব্দী অন্যতম। 

অস্ট্রেলিয়ার ৫০ বছরের জনপ্রিয় বারবিকিউ ব্র্যান্ডের 'দুঃখজনক' পরিসমাপ্তি

অনলাইন ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ার ৫০ বছরের জনপ্রিয় বারবিকিউ ব্র্যান্ডের 'দুঃখজনক' পরিসমাপ্তি
ছবি : রয়টার্স

অস্ট্রেলিয়ার পরিচিত বারবিকিউ ও আউটডোর ফার্নিচার বিক্রেতা ‘বার্বিকিউস গ্যালোর’ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এতে প্রায় ৫০০ জন কর্মী চাকরি হারিয়েছেন।

১৯৭৭ সালে ম্যাক্স ম্যাসন এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। ধীরে ধীরে এটি অস্ট্রেলিয়ায় বারবিকিউ ও আউটডোর জীবনযাপনের পণ্যের একটি বড় ব্র্যান্ডে পরিণত হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিক্রি কমে যাওয়া, ব্যাবসায়িক চাপ এবং অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে কম্পানিটি সংকটে পড়ে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটি স্বেচ্ছায় প্রশাসনের (ভলান্টারি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) অধীনে যায়। এরপর ব্যবসা বাঁচানোর জন্য একটি উদ্ধার পরিকল্পনা তৈরি করা হয় এবং বিনিয়োগকারী ও বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আলোচনা সফল হয়নি।

কম্পানি জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে ভাড়া মালিক ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধানে পৌঁছানো যায়নি। ফলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহ থেকে কম্পানির মালিকানাধীন ৬২টি স্টোর ধাপে ধাপে বন্ধ করা শুরু হবে। পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকানাধীন ২৭টি স্টোরের জন্য কিছু ‘ট্রানজিশনাল ব্যবস্থা’ রাখা হবে, যাতে তারা সীমিতভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।

কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব কর্মীর বেতন, সুবিধা ও পাওনা সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ করা হবে। এছাড়া কর্মীদের বকেয়া অধিকার নিয়ে কোনো সমস্যা থাকবে না বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

গ্রাহকদের জন্যও কিছু নিয়ম রাখা হয়েছে। গিফট ভাউচার এখনও জুন মাসের শেষ পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। তবে শর্ত হলো, ভাউচারের প্রতি ১ ডলারের জন্য গ্রাহককে নিজে ২ ডলার অতিরিক্ত খরচ করতে হবে। অর্থাৎ, ৫০ ডলারের ভাউচার ব্যবহার করতে হলে গ্রাহককে নিজের পক্ষ থেকে ১০০ ডলার খরচ করে মোট ১৫০ ডলারের কেনাকাটা করতে হবে।

আরো পড়ুন
‘স্বর্ণের আকাশচুম্বী দামের কারণে চুরি-ডাকাতি বেড়ে গেছে’

‘স্বর্ণের আকাশচুম্বী দামের কারণে চুরি-ডাকাতি বেড়ে গেছে’

কোম্পানির সম্পদ বিক্রি শুরু হবে আগামী ১৬ জুন থেকে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক রজার মন্টগোমারি বলেছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দুর্বল ব্যবসাগুলোর জন্য টিকে থাকা কঠিন করে তুলেছে। তার ভাষায়, 'এটি একটি আইকনিক অস্ট্রেলিয়ান ব্র্যান্ডের দুঃখজনক শেষ অধ্যায়। যদি অস্ট্রেলিয়ানদের কাছেই বারবিকিউ বিক্রি না করা যায়, তাহলে আর কোথায় বিক্রি করা সম্ভব?'

যুদ্ধে কতটা সফল ইরান?

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধে কতটা সফল ইরান?
যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ড্রোন | সংগৃহীত ছবি

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান। এ নিয়ে চলমান যুদ্ধে তেহরানের পরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তুর প্রায় ৭০ শতাংশ সফলভাবে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির এক কর্মকর্তা।

বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, উত্তর পারস্য উপসাগরের আকাশপথ দিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রের কাছে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট ড্রোনটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং সেটি ভূপাতিত হয়।

এমকিউ-৯ ড্রোনটির বাজারমূল্য ৩০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি যা বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে ৩০০ কোটিরও বেশি। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অত্যাধুনিক এই ড্রোনটি দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করতে সক্ষম এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে হামলা চালাতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত নজরদারি ও নির্ভুল আক্রমণের কাজে এই ড্রোন ব্যবহার করে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় বুশেহের প্রদেশের জামে এলাকায় ড্রোনটি লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। ড্রোনটি ভূপাতিত করতে আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। ইরানি কর্তৃপক্ষ বলছে, হরমুজ প্রণালির কাছে মার্কিন বাহিনীর হামলার জবাবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 

এর আগে গত সোমবার হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। তখন হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, হেলিকপ্টারটি ইরান ভূপাতিত করেছে এবং এর জবাব দেওয়া হবে। ওই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ইরানের উপকূলীয় অঞ্চলে হামলা চালায়।

এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। তবে পরে দুই দেশই নিজেদের হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে সতর্কবার্তা দিয়ে ইরান জানিয়েছে, ভবিষ্যতে কোনো আগ্রাসন হলে তার জবাব আরও কঠোর হবে।

এদিকে বিভিন্ন আরব গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানি হামলার পর বাহরাইনে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, অন্তত ১৬টি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

এর আগে বুধবার ভোরে ইরান মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর এবং জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করে। 

এক ইরানি সামরিক সূত্রের মতে, প্রাথমিক মূল্যায়নে অভিযানের পরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তুর প্রায় ৭০ শতাংশে সফলভাবে আঘাত হানা হয়েছে।

অন্যদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, তারা হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, নজরদারি রাডার এবং কমান্ড স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

সেন্টকম দাবি করেছে, এসব হামলা ছিল ‘আত্মরক্ষামূলক’ এবং সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়া।

তবে ইরানের স্থানীয় সূত্রগুলো অভিযোগ করেছে, মার্কিন হামলায় হরমোজগান প্রদেশের সিরিক কাউন্টির বেমানি এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

প্রাদেশিক পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মতে, প্রায় ২০ হাজার মানুষের জন্য ব্যবহৃত দুটি বড় জলাধার এবং সংশ্লিষ্ট যান্ত্রিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা বর্তমানে বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছেন।

ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর চলমান পাল্টা হামলাকে শক্তিশালী ‘প্রতিশোধমূলক আঘাত’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে কোনো হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আরো ব্যাপক ও কঠোর হামলা চালানো হবে।

ইরানের বিরুদ্ধে ‘জাতীয় জরুরি অবস্থা’ এক বছর বাড়ালেন বাইডেন | কালের কণ্ঠ