• ই-পেপার

ট্রাম্পকে ফোনে বললেন সৌদি বাদশা

ফিলিস্তিন সঙ্কট সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক নয়!

বিজ্ঞাপনে শিশু যৌন হয়রানির উপাদান, মেটাকে তলব ভারত সরকারের

অনলাইন ডেস্ক
বিজ্ঞাপনে শিশু যৌন হয়রানির উপাদান, মেটাকে তলব ভারত সরকারের
সংগৃহীত ছবি

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ৩ ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত বিজ্ঞাপনে শিশু যৌন হয়রানির উপাদান থাকছে, এমন অভিযোগে উদ্বিগ্ন ভারত সরকার। তারা বিষয়টির ব্যাখ্যা দিতে ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাকে ডেকে পাঠাচ্ছে। ভারতের কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে।

কীভাবে তাদের প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচারের অনুমতি দেওয়া হলো এবং এ ধরনের কনটেন্ট বন্ধ করতে মেটা কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা মেটার কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইবে সরকার।

বিবিসি এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানায়, ইনস্টাগ্রাম ভারতে শিশু যৌন নির্যাতনের উপাদান প্রচারকারী বিজ্ঞাপন দেখাচ্ছে। বিবিসি জানায়, তারা সেখানে অত্যন্ত আপত্তিকর শিরোনামের কিছু বিজ্ঞাপন দেখেছে, যেগুলোর মধ্যে ’ধর্ষণ ভিডিও’, ‘শিশু ভিডিও’র মতো শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, এই বিজ্ঞাপনগুলোর লিংক যুক্ত ছিল বিভিন্ন টেলিগ্রাম চ্যানেলের সাথে, যেখানে মাত্র ৯৯ টাকায় এসব কনটেন্ট কেনা যাচ্ছিল।

বিবিসি বিষয়টি জানানোর ২৪ ঘণ্টা পর ইনস্টাগ্রাম দাবি করে, এসব পোস্ট তাদের কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘন করেনি। তবে পরে মেটা বিবিসিকে জানায়, তারা এই ধরনের বেশ কিছু বিজ্ঞাপন নিষ্ক্রিয় করেছে এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলো স্থগিত করেছে। একই সাথে নীতি লঙ্ঘনকারী ইউআরএলগুলোও ব্লক করা হয়েছে।

ইনস্টাগ্রামের পাশাপাশি মেটা ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপেরও মালিক প্রতিষ্ঠান। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার মেটাকে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন নাম্বারের বদলে ‘ইউজারনেম’ ব্যবহারের ফিচারটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে বলেছিল। এই ফিচারের বিষয়ে তিন দিনের মধ্যে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল মেটাকে। সরকারের নোটিশে বলা হয়েছিল, ‘ধারণা করা হচ্ছে এই ফিচারের কারণে প্রতারক চক্র সহজেই সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলতে এবং মেসেজ পাঠাতে পারবে। ফলে অনলাইন জালিয়াতি, ফিশিং, ডিজিটাল অ্যারেস্ট স্ক্যাম এবং পরিচয় চুরির মতো অপরাধ অনেক বেড়ে যেতে পারে।’ 

নোটিশে আরো বলা হয়, ‘তাছাড়া এই ফিচারটি ব্যবহার করে আসল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে মিল রেখে ভুয়া ইউজারনেম তৈরি করা সম্ভব। এর ফলে সাধারণ মানুষ, সরকারি কর্তৃপক্ষ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সংস্থাগুলোর ছদ্মবেশ ধারণ বা পরিচয় জালিয়াতি করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।’ মেটার পাশাপাশি টেলিগ্রাম এবং সিগন্যাল অ্যাপকেও একই ধরনের নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
 

বাবার শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেবেন না মোজতবা খামেনি

অনলাইন ডেস্ক
বাবার শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেবেন না মোজতবা খামেনি
সংগৃহীত ছবি

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত থাকবেন না তার ছেলে দেশটির বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভারতে নিযুক্ত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি এমন তথ্য দিয়েছেন। খবর দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া

ওই প্রতিনিধি বলেছেন, মোজতবা খামেনিকে হত্যা করা হবে বলে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর প্রথম দিনেই (২৮ ফেব্রুয়ারি) খামেনি নিহত হন। খামেনিকে প্রথমে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দেওয়া হয়।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাষ্ট্রীয়ভাবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষবিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। সাত দিন ধরে এ আনুষ্ঠানিকতা চলবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শতাধিক দেশের প্রতিনিধিরা খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী ৯ জুলাই মাশহাদে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দাফন করা হবে।

এদিকে খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা ঘিরে যেকোনো ধরনের মার্কিন-ইসরায়েলি দুরভিসন্ধির বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের এক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার আলী আবদোল্লাহি এ হুঁশিয়ারি দেন।

আবদোল্লাহি বলেন, ‘আমরা ইরানের শত্রুদের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী সরকারকে (ইসরায়েল) ভুল হিসাব-নিকাশ না করার জন্য সতর্ক করছি। আমাদের দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি বা আগ্রাসনের জবাবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যে কঠোর প্রতিশোধ নেবে, সেটি তাদের মাথায় রাখা উচিত।’

আইআরজিসি কমান্ডার

ইরান কখনো আত্মসমর্পণ করবে না—শত্রুরা সেই স্বপ্ন কবরে নিয়ে যাবে

অনলাইন ডেস্ক
ইরান কখনো আত্মসমর্পণ করবে না—শত্রুরা সেই স্বপ্ন কবরে নিয়ে যাবে
সংগৃহীত ছবি

ইরানি জাতিকে আত্মসমর্পণ করতে দেখার যে স্বপ্ন শত্রুরা দেখছে, সেই স্বপ্ন তারা কবর পর্যন্ত সঙ্গে নিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদ বাহিদি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম প্রেস টিভি বলছে, তেহরানে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আইআরজিসির উপ-প্রধান বাহিদি এ মন্তব্য করেন।

খামেনির আদর্শ ও উত্তরাধিকার চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা কখনো শহীদ বিপ্লবী নেতার থেকে বিচ্ছিন্ন হব না। কারণ তিনি আমাদের হৃদয়, আত্মা ও অস্তিত্বের অংশ হয়ে আছেন।’

ইরানের প্রতিপক্ষদের উদ্দেশে আইআরজিসির এই কমান্ডার বলেন, ‘যারা আমাদের এই ভূখণ্ডকে সহ্য করতে পারে না, তারা জেনে রাখুক—আমাদের শহীদ নেতার পবিত্র রক্ত বিশ্বব্যাপী অবিশ্বাসের ওপর প্রিয় ইসলামের বিজয়ের এক নতুন মোড় তৈরি করবে।’

শেষে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই জাতিকে আত্মসমর্পণ করতে দেখার স্বপ্ন আপনারা কবর পর্যন্ত সঙ্গে নিয়ে যাবেন। কারণ এই পবিত্র রক্তের আত্মত্যাগে আমাদের জাতি প্রতিদিন শক্তির আরো উচ্চ শিখরে পৌঁছে যাচ্ছে।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ৪০ দিনের যুদ্ধের পর তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদল ইরানে পৌঁছানোর মধ্যেই বাহিদির এ বক্তব্য আসে। যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল এবং ইরানের পাল্টা সামরিক অভিযানের পর যুদ্ধবিরতি ও একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে শেষ হয়।

ইন্দোনেশিয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
ইন্দোনেশিয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা
ছবি : রয়টার্স

ইন্দোনেশিয়ার অশান্ত পাপুয়া অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহীদের গুলিতে নিহত এক মার্কিন পাইলটের মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।

সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, হাইল্যান্ড পাপুয়া প্রদেশের ইয়াহুকিমো এলাকায় অবতরণের পর মার্কিন পাইলট নিকোলাস এফ. গোসেলিনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হামলার পর তার বিমানেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

ওয়েস্ট পাপুয়া ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিপিএনপিবি) হামলার দায় স্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটির মুখপাত্র সেবি সামবোম দাবি করেন, বিমানটি নিয়মিত ইন্দোনেশিয়ার সেনাসদস্য পরিবহন করছিল এবং তাদের সতর্কবার্তা অমান্য করেছিল।

তিনি আরো বলেন, পাপুয়ার সংঘাতের মূল কারণগুলোর সমাধান না হওয়ায় এই হামলা ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি বার্তা।

পাপুয়ার সামরিক মুখপাত্র উইরিয়া আরতাদিগুনা হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পাইলটের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের খুঁজে বের করার অভিযান চলছে। বিমানের সাতজন পাপুয়ান যাত্রী নিরাপদে ফিরেছেন বলেও তিনি জানান।

পাপুয়ার পশ্চিমাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতার দাবিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন চলছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদ্রোহীদের হামলা ঘন ঘন ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। নিহত পাইলট যে বিমানে ছিলেন, সেটি পিটি এএমএ নামে একটি বিমান সংস্থার মালিকানাধীন। প্রতিষ্ঠানটি পাপুয়ার দুর্গম এলাকায় খাদ্য, জ্বালানি ও ডাক পরিবহন সেবা দিয়ে থাকে।

ফিলিস্তিন সঙ্কট সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক নয়! | কালের কণ্ঠ