• ই-পেপার

জৈন ধর্মের রীতি মানতে গিয়ে টানা ৮ দিন না খেয়ে তরুণীর মৃত্যু

ওয়াশিংটনে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইলামের স্মরণে শোকসভা শুক্রবার

অনলাইন ডেস্ক
ওয়াশিংটনে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইলামের স্মরণে শোকসভা শুক্রবার
সংগৃহীত ছবি

গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রসারে নিবেদিত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা রাইট টু ফ্রিডমের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলামের স্মরণে শোকসভার আয়োজন করা হবে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে এ শোকসভার আয়োজন করবে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ‘রাইট টু ফ্রিডম’।

যারা সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারবেন না, তাদের জন্য অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার এবং রেকর্ড করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রদূত মাইলাম এ বছরের শুরুতে ৮৯ বছর বয়সে মারা যান। সাত দশক ধরে জনসেবা, গবেষণা ও বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রসারে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন তিনি। ১৯০৬ সালে অ্যারিজোনার বিসবিতে জন্মগ্রহণকারী তিনি ১৯৫৯ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তা হিসেবে একটি বিশিষ্ট কর্মজীবন শুরু করেন।

কর্মজীবনে রাষ্ট্রদূত মাইলাম আফ্রিকা, ইউরোপ ও দক্ষিণ এশিয়ায় বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৯০ সালে বাংলাদেশে এবং পরবর্তীতে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত হন, যেখানে তিনি ২০০১ সালে অবসর নেওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯৪ সালের মরুকরণ প্রতিরোধ চুক্তির আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এবং পারমাণবিক অপ্রসারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে ব্যাপকভাবে কাজ করেন। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর আফগানিস্তানের জন্য একটি অর্থনৈতিক পুনর্গঠন কর্মসূচি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতে তাকে পুনরায় জনসেবায় ডাকা হয়।

অবসর গ্রহণের পর রাষ্ট্রদূত মাইলাম উড্রো উইলসন সেন্টারে সিনিয়র স্কলার হিসেবে লেখালেখি ও গবেষণা চালিয়ে যান এবং ২০১০ সালে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে তার বই ‘বাংলাদেশ অ্যান্ড পাকিস্তান: ফ্লার্টিং উইথ ফেইলিয়ার ইন সাউথ এশিয়া’ প্রকাশ করেন। তিনি রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীর সঙ্গে মিলে ‘রাইট টু ফ্রিডম’ প্রতিষ্ঠা করেন। ‘রাইট টু ফ্রিডম’ এমন একটি সংগঠন, যা নিজ নিজ দেশে যাদের কণ্ঠস্বর শোনা যায় না, তাদের পক্ষে কথা বলার জন্য গঠিত হয়েছিল।

রাইট টু ফ্রিডমের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জন ড্যানিলোভিচ বলেন, ‘শোক ও কৃতজ্ঞতায় পূর্ণ হৃদয় নিয়ে আমরা জনসাধারণকে রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি. মিলামের অসাধারণ জীবন উদযাপনে আমাদের সাথে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, আমাদের অনেকের কাছে তিনি একজন বিশিষ্ট কুটনীতিকের চেয়েও বেশি কিছু ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন অবিচল বন্ধু একজন উদার পরামর্শদাতা এবং সকল মানুষের জন্য স্বাধীনতা ও মর্যাদার স্থায়ী শক্তিতে বিশ্বাসী একজন মানুষ।

এই স্মরণসভায় বিশ্বজুড়ে থাকা পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী ও গুণগ্রাহীরা একত্রিত হয়ে রাষ্ট্রদূত মাইলামের অসাধারণ জীবন ও উত্তরাধিকার নিয়ে স্মৃতিচারণ করবেন।

তেহরানের বিলবোর্ডে ট্রাম্পকে কফিনে দেখিয়ে হত্যার হুমকি

অনলাইন ডেস্ক
তেহরানের বিলবোর্ডে ট্রাম্পকে কফিনে দেখিয়ে হত্যার হুমকি
সংগৃহীত ছবি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দিয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি বড় বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। বিলবোর্ডে ট্রাম্পকে একটি খোলা কফিনে শায়িত অবস্থায় দেখানো হয়েছে। কফিনের গায়ে ফারসি ও ইংরেজি ভাষায় লেখা রয়েছে, ‘উই উইল কিল ট্রাম্প’ (আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব)। এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস

বিলবোর্ডটির পাশেই রয়েছে আলী খামেনির একটি বিশাল মুষ্টিবদ্ধ হাতের ভাস্কর্য। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের শুরুতে বিমান হামলায় নিহত এই নেতাকে ঘিরে শোক ও প্রতিশোধের প্রতীকী বার্তা তুলে ধরা হয়েছে।

বিলবোর্ডে কালো রঙের খোলা কফিনে ট্রাম্পকে এলোমেলো চুল, বন্ধ চোখ ও মুখে দেখানো হয়েছে। লাল টাইয়ের ওপর রাখা দুই হাত এবং কফিনের ওপরে সোজা উঁচু হয়ে থাকা দুই পা ছবিটিকে আরো প্রতীকী করে তুলেছে।

কফিনজুড়ে সাদা অক্ষরে লেখা রয়েছে ‘উই উইল কিল ট্রাম্প’। একই সঙ্গে ফারসি ভাষায় শহীদ আলী খামেনিকে স্মরণ করে বিভিন্ন বার্তা লেখা হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিলবোর্ডে মিনাবের শিশুদের স্মরণে লেখা একটি বার্তাও রয়েছে। দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে যুদ্ধের শুরুতে এক বিমান হামলায় ১৬৮ জন শিশু মারা যায়।

ইরানে জনপরিসরকে রাজনৈতিক বার্তা প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টি নতুন নয়। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাজধানীর ব্যস্ততম সড়কে যুদ্ধ, শহীদদের স্মরণ এবং বিভিন্ন আদর্শিক বার্তা নিয়ে অসংখ্য বড় বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। এসব বিলবোর্ডকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বৃহত্তর রাজনৈতিক ও আদর্শিক প্রচারকৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ট্রাম্পবিরোধী এ ধরনের বিলবোর্ড নতুন নয়। গত মে মাসে একটি দ্বিভাষিক বিলবোর্ডে ট্রাম্পের মুখের ওপর হরমুজ প্রণালির প্রতীকী চিত্র বসিয়ে তার ঠোঁট সেলাই করা অবস্থায় দেখানো হয়। সেখানে ইংরেজিতে লেখা ছিল ‘দ্য ব্রেকিং পয়েন্ট’।

আরেকটি বিলবোর্ডে পারস্য উপসাগরের ওপর বিশাল একটি মাছ ধরার জালে মার্কিন যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও নৌযান আটকা পড়ার প্রতীকী চিত্র তুলে ধরা হয়। এর মাধ্যমে মূলত ইরানের সামরিক সক্ষমতার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

তবে এই বিলবোর্ডটির ভাষা আগেরগুলোর তুলনায় একটু ভিন্ন। অনেক বেশি উসকানিমূলক ও আক্রমণাত্মক। এর মধ্যে গত কয়েক সপ্তাহে ইরানের রক্ষণশীল মহলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত আলী খামেনিসহ অন্য নেতাদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার দাবিও জোরালো হয়েছে।

সম্প্রতি ইরানের একটি রক্ষণশীল সংবাদপত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রতিশোধের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ১৩ জন বিদেশি নেতার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারসহ কয়েকজন পশ্চিমা নেতার ছবি স্থান পায়।

এর আগে, বাবার দাফনের দুই দিন পর দেওয়া প্রথম বার্তায় ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। লিখিত ওই বার্তায় তিনি বলেন, এই প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা শুধু তার বা সরকারের নয়, বরং পুরো ইরানি জাতির দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ইচ্ছার প্রতিফলন। তিনি দাবি করেন, এ প্রতিশোধ অবশ্যম্ভাবীভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং তার বাবার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবেই।

ইরানে হামলা

যুক্তরাষ্ট্র ‘যুদ্ধাপরাধ’ করেছে : আরাগচি

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র ‘যুদ্ধাপরাধ’ করেছে : আরাগচি
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ করার অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা এবং সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপরাধমূলক উদ্দেশ্য’ প্রকাশ করে।

টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা জাতিসংঘ সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তার দাবি, এসব হামলা ১৯৪৯ সালের চারটি জেনেভা কনভেনশনসহ আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের মৌলিক নীতির আওতায় গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

আরাগচি আরো বলেন, এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা সব রাষ্ট্রের দায়িত্ব। 

তিনি মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যকে ‘অযৌক্তিক বক্তব্য ও শয়তানি হুমকি’ বলে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইরানের জনগণ তাদের স্বাধীনতা, বৈধ অধিকার ও মানবিক মর্যাদার পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এই বৈরিতা প্রদর্শন করা হচ্ছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘যারা এসব কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী, তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কাজ করেছেন—এমন অজুহাত দেখিয়ে আইনি দায় এড়াতে পারবেন না।’

স্বামীর নিথর দেহ ও রক্তাক্ত সন্তান, পাশে শুয়ে ফোনে ব্যস্ত স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
স্বামীর নিথর দেহ ও রক্তাক্ত সন্তান, পাশে শুয়ে ফোনে ব্যস্ত স্ত্রী

একটি সুরক্ষিত আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাটে থেকে আহত সন্তানসহ এক চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে অন্য ঘটনায়। ঘটনাস্থলে স্বামীর নিথর দেহ পড়ে থাকলেও পাশে শুয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গেছে তার স্ত্রীকে।

ভারতের কর্ণাটকের ধারওয়াড়ে রাঙ্কা স্টেলো অ্যাপার্টমেন্টসে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি বলছে, নিহত চিকিৎসকের নাম ডা. কিরণ হোনান্নাভার (৪৫)। তিনি পেশায় অ্যানেস্থেটিস্ট ছিলেন।

পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রাত থেকে স্বজনদের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা ফ্ল্যাটে গিয়ে দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় জোর করে ভেতরে প্রবেশ করেন। ঘরে ঢুকে তারা দেখতে পান, ডা. কিরণ মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। তার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

আর অন্য একটি কক্ষে তার ৮ বছর বয়সী ছেলে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে ছেলেটিকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে।

কর্ণাটক বিশ্ববিদ্যালয় রোড এলাকায় অবস্থিত ভবনটিতে নিরাপত্তাবেষ্টিত হওয়ায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে বাইরের কেউ প্রবেশ করেনি। এ ঘটনায় নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. প্রিয়াঙ্কাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে হুবলি-ধারওয়াড় পুলিশের কমিশনার এন শশিকুমার বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের থাকতে পারে। তবে হত্যার সঠিক কারণ ও ঘটনার ধারাবাহিকতা এখনো নিশ্চিত নয়।

পুলিশের বরাতে এনডিটিভি বলছে, ঘটনার পর ফ্ল্যাটের ভেতরের একটি ভিডিওতে ডা. কিরণকে একটি কক্ষে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। অন্য একটি কক্ষে আহত ছেলেটিকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। একই কক্ষে ডা. প্রিয়াঙ্কাকে বিছানায় শুয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

স্বজনরা পুলিশকে জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকেই তারা ডা. কিরণের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন।

এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনার জানান, ফোন ঠিকই ধরেছিলেন ডা. প্রিয়াঙ্কা। তবে তিনি বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেন। প্রথমে বলেন, স্বামী বিশ্রাম নিচ্ছেন; পরে বলেন, তিনি বাইরে গেছেন।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ডা. প্রিয়াঙ্কাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মনে হয়েছে এবং তার বক্তব্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অ্যাপার্টমেন্টের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছে এবং উভয় পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

জৈন ধর্মের রীতি মানতে গিয়ে টানা ৮ দিন না খেয়ে তরুণীর মৃত্যু | কালের কণ্ঠ