• ই-পেপার

সূচকের উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

যুদ্ধবিরতির খবরে দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থান

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধবিরতির খবরে দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থান

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির খবরে সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৮ এপ্রিল) দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে।

এ দিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন বেড়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আজ ডিএসই প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৬১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

অন্য দুই সূচকের মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৩০ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৫৪ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১০৭৫ ও ২০২৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এ দিন ডিএসইতে ৯৯১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৩৯৪ কোটি টাকা বেশি। আগের দিন ডিএসইতে ৫৯৭ কোটি ১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছিল।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এ দিন ৩২৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ৮১৮ পয়েন্টে। এ দিন সিএসইতে ৩১ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৫ কোটি টাকা বেশি। আগের দিন সিএসইতে ২৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছিল।

পুঁজিবাজার : সূচকের উত্থানে চলছে লেনদেন

অনলাইন ডেস্ক
পুঁজিবাজার : সূচকের উত্থানে চলছে লেনদেন

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৬ মার্চ) সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে। লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩৪৯ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএসইর শরীয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১০৭৬ ও ২০৫০ পয়েন্টে রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে লেনদেন হয়েছে ৭৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার এ সময়ে লেনদেন হওয়া কম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩৭টির, কমেছে ৫৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৮টি কম্পানির শেয়ার।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি কম্পানি হলো- ইনটেক লিমিটেড, ফ্যামিলিটেক্স, লাভেলো আইসক্রিম, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, পিপলস লিজিং, জেনারেশন নেক্সট, সিটি ব্যাংক, প্রিমিয়ার লিজিং, এ্যাপোলো ইস্পাত ও ওরিয়ন ইনফিউশন।

এর আগে সোমবার লেনদেন শুরুর প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ২০ পয়েন্ট।

সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আগের অবস্থান থেকে আরও ৯ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিট পর অর্থাৎ সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩৫৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অপরদিকে লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সিএএসপিআই সূচক ২৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৬ পয়েন্টে অবস্থান করে। এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এই সময়ের মধ্যে ২৬টি কম্পানির দাম বেড়েছে, কমেছে ৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টি কম্পানির শেয়ারের দর।

পুঁজিবাজার : সূচকের উত্থানে চলছে লেনদেন

অনলাইন ডেস্ক
পুঁজিবাজার : সূচকের উত্থানে চলছে লেনদেন

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সূচকের বড় উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে। 

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিন লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৭৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২১৯ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএসইর শরীয়াহ সূচক ১৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২৭ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১০৪৮ ও ২০০৩ পয়েন্টে রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে লেনদেন হয়েছে ১২০ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

মঙ্গলবার এ সময়ে লেনদেন হওয়া কম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩১৬টির, কমেছে ১৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫০টি কোম্পানির শেয়ার।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো- সিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, প্রগতি লাইফ, খান ব্রাদার্স, রবি, ব্যাংক এশিয়া, ওরিয়ন ইনফিউশন, আইএফআইসি ব্যাংখ ও শাইনপুকুর সিরামিক।

এর আগে মঙ্গলবার লেনদেন শুরুর প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ৬০ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আগের অবস্থান থেকে আরও ৩০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিট পর অর্থাৎ সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের চেয়ে ১১২ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৫৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অপরদিকে লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সিএএসপিআই সূচক ৬২ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৫৫০ পয়েন্টে অবস্থান করে। এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এই সময়ের মধ্যে ২১টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, কমেছে ৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দর।

আতঙ্কে শেয়ারবাজারে ধস

অনলাইন ডেস্ক
আতঙ্কে শেয়ারবাজারে ধস

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে দেশের শেয়ারবাজারে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। একদিকে জ্বালানি সংকটে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে। এই প্রভাবে গতকাল শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধস হয়েছে। এক দিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক হারিয়েছে ২৩১ পয়েন্ট। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক কমেছে ৪১৯ পয়েন্ট। 

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বিনিয়োগকারীরা চরম হতাশ। গত দেড় বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কর্তৃপক্ষ ভালো কিছু দিতে পারেনি। এই কারণে বাজারে ধস নেমেছে।

জানতে চাইলে ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান বলেন, বিনিয়োগকারীরা বিধ্বস্ত। এই বাজারে কেউ বিনিয়োগ করতে চায় না। গত দেড় বছর বিনিয়োগকারীদের শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বিনিয়োগ নিরাপত্তার জন্য কিছুই করা হয়নি। এই সময়েও তারা কিছু করবে-এমন আলামত কেউ দেখছে না। বিশ্বব্যাপী যে যুদ্ধ উন্মাদনা শুরু হয়েছে তাতে মনে হয় বিনিয়োগকারীদের নিয়তি বিপক্ষে কাজ করছে। সবাই আগ্রহ হারিয়েছে। তেল আতঙ্ক তৈরি করায় শেয়ারবাজারে তার প্রভাব পড়েছে। দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর আশা কেউ করতে পারছে না। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে শেয়ারবাজার দাঁড়াবে কীভাবে? 

জানা গেছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসেই দরপতন হয়। এতে এক সপ্তাহেই ডিএসইর প্রধান সূচক ৩৫৯ পয়েন্ট কমেছে। বাজার মূলধন কমেছে ২০ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার মাধ্যমে। লেনদেনের শুরুতে সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। ধস দিয়েই শেয়ারবাজারের লেনদেন শেষ হয়। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে মাত্র ১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের। বিপরীতে দাম কমেছে ৩৭১টির। ৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। 

অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২৩১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৩১ কোটি ৮৮ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪৫৯ কোটি ৪২ টাকা। লেনদেনের শীর্ষে ছিল সিটি ব্যাংকের শেয়ার। প্রতিটি ২ টাকা ২০ পয়সা কমে ২৭ টাকা ৯০ পয়সায় কম্পানিটির ২৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৪৮ লাখ টাকার। ২১ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে ছিল ওরিয়ন ইনফিউশন। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ৪১৯ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৬৪ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৪৫টির এবং ২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন