• ই-পেপার

বসুন্ধরায় ৫৬০ ইঞ্চির মেগা স্ক্রিনে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখার সুযোগ

২০৩০ বিশ্বকাপ সম্পর্কে কতটুকু জানেন আপনি

ক্রীড়া ডেস্ক
২০৩০ বিশ্বকাপ সম্পর্কে কতটুকু জানেন আপনি
প্রতীকী ছবি

স্পেনের শিরোপা জয়ের মধ্যে দিয়ে বিদায়ঘণ্টা বাজল ২৩ তম বিশ্বকাপের। এতে আরেকটি বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা হলো শুরু। ২৪তম বিশ্বকাপ আবার ফুটবলের জন্য বিশেষ। শতবর্ষী বিশ্বকাপ বলে কথা। চলুন জেনে নিই ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজকসহ আরও কিছু তথ্য—

২০৩০ বিশ্বকাপ কোথায়

২০৩০ বিশ্বকাপ হবে ৬ দেশে। মূলত টুর্নামেন্টের আয়োজক মরক্কো, পর্তুগাল ও স্পেন। তাদের সঙ্গে একটি করে ম্যাচ আয়োজন করবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে। তাই ৪ বছর পর হতে যাওয়া বিশ্বকাপটি ৩ মহাদেশে হচ্ছে। ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ায় পরবর্তী আসরে ম্যাচ পাচ্ছে উরুগুয়ে। অন্যদিকে উরুগুয়ের বিপক্ষে প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলে আর্জেন্টিনা। আর কনমেবলের সদর দপ্তর প্যারাগুয়েতে হওয়ায় ম্যাচ পাচ্ছে লাতিন আমেরিকার দেশটিও।

কখন শুরু হবে

ফিফার প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, বিশ্বকাপে শতবর্ষ উপলক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচ হবে ২০৩০ সালে ৮ ও ৯ জুন উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। অন্যদিকে ১৩ ও ১৪ জুন মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মরক্কো, পর্তুগাল ও স্পেনে। আর ২১ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অবশ্য পূর্ণাঙ্গ সূচি এখনো প্রকাশ করেনি ফিফা।

ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে যেসব দল

আয়োজক হওয়ায় বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত ৬ দলের। তারা হচ্ছে—স্পেন, পর্তুগাল, মরক্কো, উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে। বাকি ৪২ দল আসবে বাছাইপর্ব পেরিয়ে।

২০৩০ বিশ্বকাপের পর আবার কবে, কোথায়

২০৩০ শেষে পরের বিশ্বকাপ হবে ২০৩৪ সালে। আয়োজক সৌদি আরব। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সৌদি আরবকে আয়োজক হিসেবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় ফিফা। এর আগে বিডে অংশ নেওয়া একমাত্র আয়োজক দেশ ছিল সৌদি আরব।
 
তবে ২০৩০ বিশ্বকাপ ৬৪ দলেরও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী ৪৮ দলের হওয়ার কথা থাকলেও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, ৬৪ দলের প্রস্তাব পর্যালোচনায় আছে।

এসব শোরগোল না থাকলে তো মজা নেই : অবসর নিয়ে রোহিত

ক্রীড়া ডেস্ক
এসব শোরগোল না থাকলে তো মজা নেই : অবসর নিয়ে রোহিত
ক্যারিয়ারের ৩৪তম সেঞ্চুরির পর রোহিতের উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে রোহিত শর্মা। বয়স ৩৯ হওয়ায় এখন প্রায়ই অবসর নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে ভারতীয় ব্যাটারকে। তবে বরাবরই জবাবটা নিজের স্টাইলেই দিচ্ছেন তিনি। 

মুখের জবাব ব্যাটেই দিচ্ছেন রোহিত। ঠিক যেন বোলারদের পিটিয়ে বাউন্ডারি ছাড়া করার মতো। গতকালও সেটাই করলেন। ইংল্যান্ডের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারলেও ক্যারিয়ারের ৩৪ তম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। ১৩৯ রানের ইনিংস খেলে প্রথম ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে লর্ডসে সেঞ্চুরির কীর্তিও গড়েছেন তিনি।

জফরা আর্চার-জশ টাংদের পিটিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া রোহিত পরে অবসরের গুঞ্জন নিয়ে কথা বলেছেন। ভারতীয় ওপেনার জানান, এসব শোরগোল না থাকলে তো আর মজা নেই। সমালোচকদের এক হাত নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বাইরে কোনো আলোচনা বা শোরগোল না থাকলে তো মজাই নেই! আমার কাজ মাঠের ভেতরে, আর ওদের কাজ মাঠের বাইরে। আমি বিষয়টাকে এভাবেই দেখি।'

অভিষেকের পর থেকেই এমন কিছু শুনতে হচ্ছে বলে জানান রোহিত। বাইরের এসবে কান দিয়ে তিনি শুধু মাঠেই মনোযোগ দিতে চান। ভারতের সাবেক ওপেনার বলেছেন, ‘আমার কাজ হলো ব্যাট হাতে পারফর্ম করা। মাঠে নামার পর খেলা এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করা। অভিষেকের পর থেকেই আমাকে এটাই করতে বলা হয়েছে। আমি এটাই করতে থাকব।’

টি-টোয়েন্টি ও টেস্টকে আগেই বিদায় জানিয়েছেন রোহিত। এখন শুধুই খেলছেন ওয়ানডে। গুঞ্জনে কান না দিয়ে যতদিন খেলবেন ততদিন দলের জয়ে অবদান রাখতে চান জানিয়ে ভারতীয় ওপেনার বলেছেন, ‘অভিষেকের সময় থেকেই চারপাশের এই আলোচনা বা গুঞ্জন ছিল। যতদিন খেলব ততদিন এই গুঞ্জন থাকবে। এ নিয়ে আমি ভাবছি না। মাঠে কী করছি, সেটাই আসল। শুধু দলের জয়ে অবদান রাখতে চাই। আমার পুরো মনোযোগ শুধুই মাঠে।’

নেইমারকে বিশ্বকাপ উৎসর্গ করলেন স্পেনের স্ট্রাইকার

ক্রীড়া ডেস্ক
নেইমারকে বিশ্বকাপ উৎসর্গ করলেন স্পেনের স্ট্রাইকার
নেইমারকে বিশ্বকাপ ট্রফি উৎসর্গ করেছেন নিকো উইলিয়ামস। ছবি : রয়টার্স

ক্যারিয়ারের আজন্ম স্বপ্ন বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলেন নেইমার। ৪ বার খেলার সুযোগ পেয়েও স্বপ্ন পূরণ করতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান তারকা। প্রতিবারই চোখের জলে স্বপ্নকে বিসর্জন দিতে হয়েছে তাকে। 

২০৩০ বিশ্বকাপে নেইমার খেলবেন কি না তার নিশ্চয়তা নেই। শেষ পর্যন্ত যদি শতবর্ষী বিশ্বকাপে দেখা না যায়, তাহলে সোনালি ট্রফিটা আক্ষেপ হয়েই থাকবে ৩৪ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের কাছে। 

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও নেইমারকে সেই ‘স্বাদ’ দিচ্ছেন নিকো উইলিয়ামস। আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেন বিশ্বকাপ জিতেই সোনালি ট্রফিটা নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন উইলিয়ামস। এটি যেন নেইমারের জন্য ‘দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো’।

 

নেইমারকে আদর্শ হিসেবে মানেন উইলিয়ামস। সেদিক থেকেই প্রিয় খেলোয়াড়ের প্রতি অর্ঘ্য প্রদান করলেন স্পেনের স্ট্রাইকার। ফাইনাল শেষে মেটলাইফ মাঠে সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘আমি খুবই খুশি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। নেইমার আমার আইডল। আশা করি, তিনি আমাদের খেলা দেখেছেন। এই শিরোপা তার জন্যও।’

ট্রফি জয়ের মুহূর্তটা আরো স্মরণীয় করার সুযোগ পেয়েছিলেন উইলিয়ামস। অতিরিক্ত সময়ে গোল করে সুযোগটা কাজেও লাগিয়েছিলেন। তবে আর্জেন্টিনার এক খেলোয়াড়কে মিকেল মেরিনো ফাউল করায় গোলটি বাতিল হয়। জয়ে অবশ্য ঠিকই অবদান রেখেছেন। তার অ্যাসিস্ট থেকেই জয়সূচক গোল করেন ফেরান তোরেস। বাতিল হওয়া গোল নিয়ে উইলিয়ামস বলেছেন, ‘গোল বাতিল হওয়ায় কোনো সমস্যা নেই। আমরা তো জিতেছি!’

গাভি-পারেদেসের ধাক্কাধাক্কির বিপরীতে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলিঙ্গন মেসি-ইয়ামালের

ক্রীড়া ডেস্ক
গাভি-পারেদেসের ধাক্কাধাক্কির বিপরীতে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলিঙ্গন মেসি-ইয়ামালের
একে-অপরকে বুকে টেনে নিয়েছেন মেসি-ইয়ামাল। ছবি : রয়টার্স

ম্যাচ হারার পর স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ থাকে পরাজিত দলের। বিশ্বকাপের ফাইনাল হারলে তো কথাই নেই। বিষণ্ণ সময়েই কেউ উসকানিমূলক কিছু বললে রাগ হওয়াটাই স্বাভাবিক।

তবে মন্তব্য শুনে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়িও কাম্য নয়। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গতকাল রাতে তা-ই করেছেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারার পর এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন পারদেস। পরমুহূর্তেই স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাঠে ফেলে দেন তিনি। তাকে মারতে বেশ উদ্যত হন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার।

 

পারেদেসের এমন কর্মকাণ্ডের আগে অবশ্য গাভি উসকানিমূলক কিছু একটা বলে হালকা ধাক্কাও দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডারকে। তবে কী মন্তব্য করেছিলেন বার্সেলোনার মিডফিল্ডার তা এখনো জানা যায়নি। পরে কোচ ও অন্য খেলোয়াড়রা এসে দ্বন্দ্বের মিটমাট করেন। তবে এই ঘটনার জন্য ঠিকই লাল কার্ড দেখতে হয়েছে পারেদেসকে।

 

গাভি-পারদেসের এমন অসৌজন্যমূলক ঘটনার ম্যাচেই সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাববিনিময় করেন লিওনেল মেসি-লামিনে ইয়ামাল। ফাইনাল হারার পর হতাশায় মাঠের এক জায়গায় একাকী বসেছিলেন মেসি। উদযাপনের এক ফাঁকে দৌড়ে এসে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের সঙ্গে বুক মেলান বার্সেলোনার প্লে মেকার। সঙ্গে একে-অপরে কিছু বাক্য বিনিময়ও সারেন।

ইয়ামালের আলিঙ্গনের বিষয়ে পরে মেসি বলেছেন, ‘সে আমাকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিচ্ছিল আর বারবার বলছিল আমি যেন না কাঁদি। ও আসলেই খুব দয়ালু আর নরম মনের এক ছেলে।’ ম্যাচ শুরুর আগেও দুজনকে হাসিমুখে দেখা গেছে।

 

মাঠে একে-অপরের প্রথম দেখা হলেও মেসি-ইয়ামালের প্রথম সাক্ষাৎ হয় ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে। সে সময় ইয়ামালের জ্ঞানই হয়নি। কেননা তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৫ মাস। সেদিন বার্সেলোনার এক স্টুডিওতে ছোট্ট ইয়ামালকে গোসল করিয়ে দিয়েছিলেন সে সময়কার ২০ বছরের তরুন মেসি। বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন ও কাতালান দৈনিক দিয়ারিও স্পোর্তের একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের অংশ হিসেবে সেদিন দুজনের দেখা হয়েছিল।