বিশ্বকাপে প্রথমবার সুযোগ পেয়েছে কেপ ভার্দে। অভিষেক ম্যাচে আবার প্রতিপক্ষ ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেন। বর্তমানে ফিফা র্যাংকিংয়ে ২ নম্বরে তারা। তবে শক্তি-সামর্থ্যে ঢের এগিয়ে থাকা স্পেনকে ঠিকই প্রথমার্ধে আটকিয়ে দিয়েছে আফ্রিকার দ্বীপ রাষ্ট্রটি।
আটলান্টা স্টেডিয়ামের প্রথমার্ধে কোন গোল হজম করেনি কেপ ভার্দে। তাতে বড় অবদান গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার। ম্যাচে ৩টি দুর্দান্ত সেভ দিয়েছেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক।
শুরু থেকেই বল পজিশন ধরে রেখে খেলা স্পেন ৩৬ মিনিটে গোলের সবচেয়ে ভালো সুযোগ পায়। পেদ্রির শট কর্নারের বিনিময়ে প্রতিহত করেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভজিনহা। তবে কুকুরেলা অফসাইড হওয়ায় কর্নার বাতিল হয়।
অবশ্য ৩৮ মিনিটে গোল পেয়েই গিয়েছিল স্পেন। তবে ফেরান তোরেসকে হতাশ করে ক্রসবার। ফিরতি সুযোগ পেয়েছিলেন মিকেল ওয়ারজাবাল। নিখুঁত এক হেডও নিয়েছিলেন তিনি, তবে দারুণ এক ক্ষিপ্রতায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে বল পাঠিয়ে দেন ভোজিনিয়া। ৪৫ মিনিটে আরেকটি দুর্দান্ত সেভ দেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক।
বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ে শট নিয়েছিলেন তোরেস। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ধরে ফেলেন ভোজিনিয়া। যোগ করা সময়ে নিজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার প্রমাণ দিলেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক। বিরতিতে যাওয়ার আগে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে কর্নার পেয়েছিল স্পেন। পেদ্রির নেওয়া কর্নারে দারুণ এক হেড নিয়েছিলেন আমেরিক লাপোর্তে। তবে জালে জড়ানোর আগেই ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে গতিপথ বদলে দেন ভাজিনহা। তাতে ২০১০ বিশ্বকাপজয়ীদের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে।




