• ই-পেপার

টানা ৫ দিন থাকবে বজ্রবৃষ্টির দাপট

কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে দেশে ফিরেছেন আরো ৫২ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে দেশে ফিরেছেন আরো ৫২ জন
ছবি : কালের কণ্ঠ

কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার আরো ৫২ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। আজ সোমবার দুপুর থাই এয়ারওয়েজের (TG-321) একটা ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন তারা। এ নিয়ে গত তিন দিনে সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে ১৪৩ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন। এ ঘটনায় তাদের একজন আজ বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেছেন। 

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানিয়েছে, আগের দুই দিনের মতো সোমবার ফেরত আসা সবাইকেও বিমানবন্দরে সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির সঙ্গে মিলে জরুরী সহায়তা ও বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য অর্থ সহায়তা করেছে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। এ ছাড়া বিদেশে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ছাড়পত্র দিয়ে তাদের সবাইকে কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশি দালাল চক্রের মাধ্যমে তাদেরকে অর্থের বিনিময়ে চীনা নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন সাইবার স্কাম কম্পাউন্ডে হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার ফেরত আসা ভুক্তভোগীদের একজন জানান,  শারীরিক নির্যাতন করে স্ক্যাম সেন্টারে কাজ করতে তাদের বাধ্য করা হতো। কাজ করতে না চাইলে তাদের টর্চার সেলে নিয়ে ইলেক্ট্রনিক শক দেওয়া হতো। কম্বোডিয়ার আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সম্প্রতি স্ক্যাম সেন্টার বিরোধী অভিযান পরিচালনা করলে চাইনিজরা পালিয়ে যায়। এরপর সেখান থেকে তারা মুক্তি পান।

আরেজন ভুক্তভোগী জানান, সেদেশে থাকা বাংলাদেশি দালাল আব্দুল আল মামুন অপু সেখানে বিয়ে করে দীর্ঘ সময় ধরে কম্বোডিয়াতে থাকেন। কোম্পানিতে চাকুরী কথা বলে তিনি একাই কয়েক হাজার  বাংলাদেশিকে স্কাম সেন্টারে বিক্রি করেছেন। 

ভুক্তভোগীরা জানান, এসব কম্পাউন্ডে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে বাধ্য করা হতো। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত সাইবার স্কাম কার্যক্রমে অংশ নিতে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হতো। নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো।

এর আগে গত ১২ জুন কম্বোডিয়া থেকে ৩৭ জন ১৩ জুন ৫৪ ভুক্তভোগী দেশে ফেরত আসেন। একইভাবে এ বছরের ২২ জানুয়ারি মিয়ানমারের একটি সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে ৮জন এবং ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেন। তাদেরও ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে থাইল্যান্ডের সীমান্ত এলাকা মায়েসট হয়ে জোরপূর্বক মিয়ানমারে প্রবেশ করানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পরই তাদের পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বিদেশের মাটিতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। ভয়াবহ নির্যাতন করে নানা ধরনের সাইবার জালিয়াতির কাজ করানো হতো।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগি পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের ফলে কয়েকটি স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তিনদিন মিলে ১৪৩ জন বাংলাদেশির ফেরত আসা প্রমাণ করে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি এভাবে প্রতারণা ও নির্যাতনের শিকার। মঙ্গলবারও আরেকদলের আসার কথা রয়েছে। 

শরিফুল হাসান জানান, সাইবার স্ক্যাম মানবপাচারের ভয়াবহ একটা ধরন। ফেরত আসা এক ভুক্তভোগী মানব পাচার ও অভিবাসন চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। যেহেতু মামলা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা। বিশেষ করে কোন প্রক্রিয়ায় তাদের কম্বোডিয়া পাঠানো হলে সেই চক্রকে চিহ্নিত করা জরুরী। 

ব্র্যাক জানিয়েছে, কম্পিউটার, কলসেন্টার অপারেটরসহ বিভিন্ন পদে আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দিয়ে নিয়োগের লক্ষ্যে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে (ভুয়া ওয়েবসাইট, ইমেইল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ইত্যাদি) প্রচার চলে। এরপর তাদের সুকৌশলে স্ক্যাম সেন্টারের ভেতরে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক জিম্মি করে স্ক্যামের কাজে নিয়োজিত করা হয়। এ কারণেই সরকার এবং ব্র্যাকের পক্ষ থেকে একাধিকবার থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় যাওয়ার বিষয়ে সচেতন হতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কখন, জানালেন মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কখন, জানালেন মন্ত্রী

যথাসময়ে দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। রুমিন ফারহানা বলেন, ‘স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে যিনি মন্ত্রী আছেন, তার কাছে আমার প্রশ্ন যে, আমাদের স্থানীয় সরকারের যে নির্বাচনগুলো হওয়ার কথা ছিল—ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ—এই নির্বাচনগুলো কবে হবে?’

তিনি বলেন, ‘আমরা জেলাগুলোতে দেখেছি জেলা প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে এবং প্রতিটি জেলা প্রশাসকই দলীয়ভাবে মনোনীত। আমরা তো গণতন্ত্রের জন্য ১০ বছর ধরে লড়াই করেছি। আমাদের জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সেটাও দলীয় বিবেচনায়। অথচ এই গণতন্ত্রের জন্য ২০১৪ থেকে আরম্ভ করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে, বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে। কিন্তু এরপর যখন আমরা দেখি যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো… এখন প্রায় চার মাসের মতো হয়ে গেছে সরকার গঠিত হয়েছে, এর পরও কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে কিছু জানতে পারিনি।’

জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সংসদ সদস্য কয়েকজন বিভিন্ন বিষয়ের অবতারণা করেছেন। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ব্যাপারে আমি তাদের আশ্বস্ত করতে পারি যে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং আমরা সিদ্ধান্তে একমত হয়েছি। সেই সিদ্ধান্তে আমরা যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করব।’

ছেলেদের নামে ইউনিয়নের নাম, সংসদে ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ছেলেদের নামে ইউনিয়নের নাম, সংসদে ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী

নিজের দুই ছেলের নামে নতুন দুটি ইউনিয়নের নাম রাখা হয়েছে, এমন অভিযোগ নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা-সমালোচনার পর ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি অলৌকিকভাবে মিলে গেছে। যার সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই। এ রকম সীমান্ত ও দিগন্ত নামকরণ বহু নাম বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে। তিনি (সংসদ সদস্য মাসুদ) কেন এর সঙ্গে আমার সন্তানদের নাম জড়ালেন?’

আজ সোমবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সম্পূরক বাজেট পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার দুটি উপজেলায় নতুন কয়েকটি ইউনিয়ন গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি ইউনিয়নের নামকরণ করা হয়েছে তার পরিবার বা মীর বংশের নামে এবং দুটি ইউনিয়নের নাম রাখা হয়েছে, তার দুই সন্তানের নামে।’

পরে কার্যপ্রণালি বিধির ২৭৪ বিধিতে ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দিয়ে অভিযোগের জবাব দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তার নির্বাচনী এলাকা মোকামতলার সৈয়দপুর ও দেউলী ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরেই আয়তনে বড় এবং প্রশাসনিকভাবে পরিচালনা করা কঠিন ছিল। এ কারণে স্থানীয় প্রশাসনের সুপারিশ এবং গণশুনানির ভিত্তিতে ইউনিয়ন দুটি বিভক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসক যাচাই-বাছাই ও গণশুনানি করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

সৈয়দপুর ইউনিয়নের একটি অংশ গাবতলী ও সোনাতলা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় হওয়ায় নতুন ইউনিয়নের নাম রাখা হয়েছে ‘সীমান্ত ইউনিয়ন’।

অন্যদিকে দেউলী ইউনিয়নের একটি অংশ গাইবান্ধার সীমানার কাছাকাছি এবং ভৌগোলিকভাবে বিস্তৃত হওয়ায় স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে নতুন ইউনিয়নের নাম রাখা হয়েছে ‘দিগন্ত ইউনিয়ন’ বলেও জানান তিনি।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ নাম ব্যবহারের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, “এ ধরনের নাম বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় আগে থেকেই প্রচলিত রয়েছে। মিরাক্যালি আমার সন্তানদের নামের সঙ্গে মিলে গেছে ঠিকই। আমার সন্তানের নাম হচ্ছে মীর সীমান্ত ও মীর দিগন্ত। তবে ইউনিয়নের নামকরণে তার কোনো ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য ছিল না। আমার যদি ইনটেনশন থাকত সন্তানের নামে ইউনিয়নের নামকরণ করার, তাহলে তো আমি প্রশাসনকে বলতাম ‘মীর সীমান্ত’ ও ‘মীর দিগন্ত’ রাখার। কিন্তু ইউনিয়নের নামের আগে তো ‘মীর’ নাই।”

ধর্ষণের ক্ষেত্রে ছোট-বড় বলে কিছু নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ধর্ষণের ক্ষেত্রে ছোট-বড় বলে কিছু নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ফাইল ছবি

ধর্ষণের ঘটনায় কোনো ছোট-বড় বিভাজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, আইনের দৃষ্টিতে সব ধর্ষণই সমান অপরাধ এবং প্রতিটি ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে মন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ষণ ছোটও নয়, বড়ও নয়, সবই সমান। সোহেল রানা আর জিসান— ধর্ষণের ক্ষেত্রে সবাই সমান। একটির বিচার চাইব, আরেকটির বিচার চাইব না, এটা হতে পারে না।’

সংসদে আলোচনার সূত্র টেনে মন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দলের একজন নেতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ধর্ষণের ঘটনায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, ১৯ ঘণ্টা পার হওয়ার পরও সরকার ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করতে পারবে কি না। মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে, সে বিষয়ে আমরা বিবৃতি দিয়েছি। এরপরও যেসব বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, জনগণই মূল্যায়ন করবে সেগুলো ধর্ষণের বিরুদ্ধে ছিল, নাকি রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল।’

এ সময় স্পিকার মন্ত্রীকে আলোচ্য বিষয়ের দুর্নীতি দমন কমিশন মধ্যে থাকার অনুরোধ জানালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্নীতি ও ধর্ষণের প্রসঙ্গের তুলনা টানেন। তিনি বলেন, ‘আইনে উচ্চ বা নিম্ন দুর্নীতি বলে কোনো পৃথক সংজ্ঞা নেই। দুর্নীতি মানেই দুর্নীতি। একইভাবে ধর্ষণের ক্ষেত্রেও ছোট বা বড় বলে কোনো বিভাজন নেই। সব ঘটনাই সমান গুরুত্বের।’

এর আগে দুদক সংক্রান্ত আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘একটি শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের লক্ষ্যেই আগের অধ্যাদেশটি কার্যকর করা হয়নি। বর্তমানে সার্চ কমিটির মাধ্যমে দ্রুত কমিশনকে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে সংসদে নতুন বিল উত্থাপনের মাধ্যমে আরো শক্তিশালী দুদক আইন প্রণয়ন করা হবে।’

দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপিত শ্বেতপত্রে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচারের তথ্য উঠে এসেছে।’ তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে লুটপাট ও রাজনৈতিক বিবেচনায় দেওয়া ঋণের অর্থ দিয়ে ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হতো। পাচার হওয়া এই বিপুল অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে।’