বিশ্বকাপ মাঠে নামার আগে স্পেন দলের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দুশ্চিন্তা এখন গোলকিপার পজিশন। একদিকে ইউরো ২০২৪ জয়ের নায়ক উনাই সিমন, অন্যদিকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ডেভিডি রায়া। এর সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছেন বার্সেলোনার হয়ে গত মৌসুমে দূর্দান্ত খেলা তরুণ গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া।
আর্সেনালের হয়ে গত কয়েক মৌসুমে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছেন ডেভিড রায়া। ২০২৫-২৬ মৌসুমে দলকে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিততে এবং চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। তবে এত কিছুর পরও স্পেনের প্রথম পছন্দের গোলকিপার হিসেবে এখনো এগিয়ে রয়েছেন অ্যাথলেটিক ক্লাবের উনাই সিমন।
রায়া অবশ্য প্রতিযোগিতাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা সবাই একে অপরকে আরও ভালো হতে সাহায্য করি। যে-ই মাঠে নামুক, সে দলের জন্য সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করবে।’
এদিকে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা হোয়ান গার্সিয়াও আলোচনায় রয়েছেন। গত মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এই তরুণ গোলরক্ষককে স্প্যানিশ ফুটবলের ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও বিশ্বকাপের শুরুতেই তার একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কম, তবে দলের ভেতরে প্রতিযোগিতা আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।
ফলে স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে এখন এমন এক পরিস্থিতিতে আছেন, যেখানে তিনজন মানসম্পন্ন গোলকিপারের মধ্যে বেছে নিতে হচ্ছে। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে এটি নিঃসন্দেহে একটি ‘মধুর সমস্যা’।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে উনাই সিমনকেই দেখা যেতে পারে স্পেনের গোলবারে। তবে বেঞ্চে ডেভিড রায়া ও হোয়ান গার্সিয়ার মতো নির্ভরযোগ্য বিকল্প থাকায় স্বস্তিতে রয়েছে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।



