• ই-পেপার

লাল কার্ড দেখার কারণ জানতে চেয়ে হতবাক তিনি

চোটের ধাক্কায় আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দলে বড় পরিবর্তন

ক্রীড়া ডেস্ক
চোটের ধাক্কায় আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দলে বড় পরিবর্তন
বিশ্বকাপ প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে মেসি বাহিনী। ছবি : রয়টার্স

ডান পায়ের সোলিয়াস পেশির চোটে পড়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন ডিফেন্ডার লিওনার্দো বালেরদি। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন। বালেরদির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আলবিসেলেস্তেদের ২৬ সদস্যের দলে ডাক পেয়েছেন ডিফেন্ডার মার্কোস সেনেসি।

বিশ্বকাপের লড়াই শুরুর আগেই চোটের ধাক্কা খেল আর্জেন্টিনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় বালেরদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করে আর্জেন্টিনা দল জানায়, ‘ডিফেন্ডার লিওনার্দো বালেরদি ডান পায়ের সোলিয়াস পেশিতে আঘাত পেয়েছেন। যার ফলে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে তার থাকা সম্ভব হচ্ছে না। বালেরদি, দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠো!’

আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি বিশ্বকাপ স্কোয়াডের শেষ সদস্য নির্বাচনের জন্য গত মঙ্গলবার আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচকে বেছে নিয়েছিলেন। ম্যাচ শেষে স্ক্যালোনি বলেছিলেন, ‘আজকের পরীক্ষাটি আমাকে সন্তুষ্ট করেছে এবং দলের ঘাটতি নিয়ে আমার অনেক দ্বিধা দূর হয়েছে। বালেরদির বদলি খেলোয়াড় ঘোষণা করতে হয়তো আরো এক বা দুই দিন সময় নিতে পারি।’ 

ইতালীয় বংশোদ্ভূত হওয়ার কারণে মার্কোস সেনেসির সামনে সুযোগ ছিল আজ্জুরিদের হয়ে খেলার। তবে তিনি সেই সুযোগ প্রত্যাখ্যান করে আর্জেন্টিনার হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলার সিদ্ধান্ত নেন। ২০২২ ফিনালিসিমার আগে প্রথমবার জাতীয় দলের ডাক পাওয়া এই ডিফেন্ডার এস্তোনিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে অভিষেক করেন। গত ১০ অক্টোবর ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ৯০ মিনিট খেলা ছাড়াও, গত ২৭ মার্চ মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে লা বোমবোনেরায় আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারেও বড় খবর পেয়েছেন সেনেসি। আগামী ১ জুলাই বোর্নমাউথের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব টটেনহাম হটস্পারে ফ্রি ট্রান্সফারে যোগ দেবেন। এর ফলে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সতীর্থ ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর ক্লাব সতীর্থ হিসেবেও দেখা যাবে তাকে।

মার্কোস সেনেসি বর্তমানে মিসৌরির কানসাস সিটিতে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার পথে আছেন। আর্জেন্টিনার গ্রুপ পর্বে প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে আর্জেন্টিনা।

বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি ব্রিতো আর নেই

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি ব্রিতো আর নেই
১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের ডিফেন্ডার ব্রিতো মারা গেছেন। ছবি : সংগৃহীত

ব্রাজিল ফুটবলের সোনালি প্রজন্মের অন্যতম সদস্য ও ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী দলের ডিফেন্ডার ব্রিতো আর নেই। ৮৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ব্রাজিলের এই কিংবদন্তি ফুটবলার।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) ব্রিতোর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি সামির সাউদ শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘ব্রিতো আমাদের ছেড়ে গেছেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার হিসেবে। ১৯৭০ বিশ্বকাপে আমাদের তৃতীয় শিরোপা জয়ে তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার লড়াকু মানসিকতা ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করবে।’

১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন ব্রিতো। সেই দলের আরেক ডিফেন্ডার উইলসন পিয়াজা ছিলেন কৌশলী ফুটবলের জন্য পরিচিত, আর ব্রিতো খ্যাতি পেয়েছিলেন তার শক্তিমত্তা, দৃঢ়তা ও কঠোর রক্ষণভাগের নেতৃত্বের জন্য।

মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপে পেলে, জর্জিনহো, টোস্টাও, রিভেলিনোদের নিয়ে গড়া ব্রাজিল দলকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা বিশ্বকাপজয়ী দল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন ব্রিতো।

জাতীয় দলের জার্সিতে তিনি ৬১টি ম্যাচ খেলেছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নিজের কঠিন ও নির্ভরযোগ্য রক্ষণভাগের জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন।

প্রত্যাবর্তনে বিশ্বকাপ শুরু দ. কোরিয়ার

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রত্যাবর্তনে বিশ্বকাপ শুরু দ. কোরিয়ার
ছবি : রয়টার্স

ম্যাচের প্রথমার্ধ জুড়ে কেবলই সুযোগ নষ্টের মহড়া। বিরতির পর উল্টো গোল হজম করে স্তব্ধ হয়ে পড়া। চরম নাটকীয়তায় মোড়ানো ম্যাচে এমন খাদের কিনারা থেকেই রূপকথার মতো ঘুরে দাঁড়াল দক্ষিণ কোরিয়া। হুয়াং ইন-বমের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স আর বদলি নামা ওহ হিয়ুন-গিউর শেষ মুহূর্তের ম্যাজিকে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত জয় দিয়ে খাতা খুলল এশিয়ান পরাশক্তিরা।

মেক্সিকোর গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘এ’ গ্রুপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

ম্যাচের শুরু থেকেই চেকেদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে দক্ষিণ কোরিয়া। ম্যাচের ১২ মিনিটেই লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পান অধিনায়ক সন হিউং-মিন। তবে জে-সুংয়ের বাড়ানো নিখুঁত পাসটি ডি-বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন টটেনহামের এই তারকা। এর ঠিক দুই মিনিট পর বক্সের বাইরে থেকে জে-সুংয়ের নেওয়া বুলেট গতির শট দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন চেক গোলরক্ষক মাতেই কোভার।

৩৮ মিনিটে আবারও একক নৈপুণ্যে চেকেদের রক্ষণভাগে কাঁপুনি ধরান সন। দুই ডিফেন্ডারকে ছিটকে ফেলে বাম পায়ের কোণাকুণি শট নিলেও তা পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগটি হাতছাড়া করে কোরিয়া। সতীর্থ লি কাং-ইনের সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু-ওয়ান পাসিংয়ে গোলপোস্টের একদম সামনে বল পেয়েও শেষ মুহূর্তে ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান সন। ফলে নিশ্চিত গোলবঞ্চিত হয়ে হতাশায় প্রথমার্ধ শেষ করে কোরিয়া।

বিরতির পর ফিরে আবারও আক্রমণে ধার বাড়ায় কোরিয়া। চেক রক্ষণভাগে বল পেয়ে ভেতরে ঢুকে এক দারুণ নিচু শট নেন হুয়াং। প্রথম দফায় ঝাঁপিয়ে পড়ে শটটি রুখে দেন চেকেদের দেয়াল হয়ে ওঠা কোভার। ফিরতি বলে লি কাং-ইন শট নিলেও দ্বিতীয় দফায় তা আটকে দেন এই চেক গোলকিপার। ৫৬ মিনিটে আবারও সনের বিপজ্জনক শট নিজের শরীর দিয়ে ব্লক করে কোরিয়াকে গোলবঞ্চিত করেন কোভার।

ম্যাচের ৫৯ মিনিটে আকস্মিক গোলে স্তব্ধ হয়ে যায় কোরিয়ান শিবির। ডান প্রান্ত থেকে ভ্লাদিমির সুফালের লং থ্রো-ইনে শূন্যে লাফিয়ে হেডে কোরিয়ার জাল কাঁপান চেক অধিনায়ক লাদিস্লাভ ক্রেইচি।

পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি এশিয়ান পরাশক্তিরা। মাত্র ৮ মিনিটের মাথায়, খেলার ৬৭ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরায় কোরিয়া। চেকেদের ডি-বক্সে বল পান ফেইনুর্দ মিডফিল্ডার হুয়াং ইন-বম। তাকে রুখতে প্রতিপক্ষের গোলকিপার মাতেই কোভার দ্রুত পজিশন ছেড়ে সামনে ছুটে এলে ঠান্ডা মাথায় তার মাথার ওপর দিয়ে আলতো চিপে বল জালে জড়িয়ে দেন এই কোরিয়ান তারকা।

৭৭ মিনিটে অল্পের জন্য রক্ষা পায় দক্ষিণ কোরিয়া। ফ্রি-কিক থেকে তমাস সৌচেক কোরিয়ার জালে বল পাঠালেও লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলায় উল্লাস মাটি হয় চেকেদের।

এর ঠিক তিন মিনিট পর, ৮০ মিনিটে আসে কোরিয়ার সেই কাঙ্ক্ষিত জয়সূচক গোল। মাঝমাঠ থেকে বাতাসে ভাসানো এক নিখুঁত পাস খুঁজে নেয় ডান প্রান্তে থাকা হুয়াং ইন-বমকে। বক্সে তার চমৎকার কাট-ব্যাক থেকে আলতো ছোঁয়ায় বল জালে জড়ান বদলি নামা ওহ হিয়ুন-গিউ।

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে সমতায় ফেরার সহজ সুযোগ হাতছাড়া করে চেক প্রজাতন্ত্র। সাদিলেকের দুর্বল শট কোরিয়ান গোলরক্ষক সহজেই লুফে নিলে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ কোরিয়া। 
 

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গেয়েছেন ‘নকল’ শাকিরা!

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গেয়েছেন ‘নকল’ শাকিরা!

অবশেষে মাঠে গড়াল ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পর্দা উঠেছে ফুটবলের এই মহাযজ্ঞের। 

তবে উদ্বোধনী ম্যাচের চেয়েও এখন বিশ্বজুড়ে বড় আলোচনা—উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করা পপ সম্রাজ্ঞী শাকিরাকে নিয়ে! ভক্তদের একাংশের দাবি, মাঠ মাতানো সেই শাকিরা আসলে ‘আসল’ শাকিরা ছিলেনই না, বরং তার জায়গায় পারফর্ম করেছে কোনো ‘বডি ডাবল’ বা ক্লোন!

এবারের বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সং ‘দাই দাই’ (এগিয়ে চলো)। নাইজেরিয়ান তারকা বার্না বয়ের সঙ্গে এই গানেই গলা মিলিয়েছেন ৪৯ বছর বয়সী কলম্বিয়ান সেনসেশন। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্স ছাপিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন ঝড় বইছে শাকিরার চেহারা নিয়ে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাকিরাকে দেখা যায় সম্পূর্ণ নতুন লুকে। পরনে ছিল হলুদ পোশাক, সাদা শর্টস আর প্ল্যাটফর্ম স্নিকার্স। তবে সবচেয়ে বড় চমক ছিল তার চুলে। চিরচেনা সোনালি (ব্লন্ড) চুল বদলে তিনি হাজির হন হালকা স্ট্রবেরি রেড কালারে। চোখে ছিল বিশাল বড় কালো সানগ্লাস, যা তার পুরো মুখাবয়বকে অনেকটাই আড়াল করে রেখেছিল। আর এই লুকই জন্ম দিয়েছে যত রহস্যের।

শাকিরার এই রূপবদল কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তার কোটি ভক্ত। সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্যের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। এক ক্ষুব্ধ ভক্ত লিখেছেন, ‘উনি কি সত্যিই শাকিরা? আমার তো কোনোভাবেই শাকিরা মনে হচ্ছে না। আমি কি ভুল দেখছি?’

স্প্যানিশ ভাষায় আরেকজন সরাসরি লিখেছেন, ‘আমাকে বলবেন না যে আমি একাই ভাবছি এটা শাকিরার বডি ডাবল!’ রসিকতা করে অন্য একজন লিখেছেন, ‘বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওরা শাকিরার মতো দেখতে কাকে নিয়ে এলো?’ 

ভক্তদের দাবি, শাকিরার চোখের চাউনি ও শারীরিক ভাষার সঙ্গে এই পারফরমারের কোনো মিল ছিল না। এটি নিশ্চিতভাবেই তার কোনো রূপধারী বা ইমপার্সনেটর।

বিতর্ক একপাশে সরিয়ে রাখলে, এই গানটি শাকিরার জীবনের জন্য এক বড় বার্তা। সাবেক ফুটবলার জেরার্ড পিকের সঙ্গে তুমুল আলোচিত ও তিক্ত বিচ্ছেদের পর এটাই তার প্রথম বড় বৈশ্বিক পারফরম্যান্স। ‘দাই দাই’ গানের লিরিক্সেও রয়েছে সেই ক্ষত কাটিয়ে ওঠার গল্প। গানটির একটি লাইন হলো—‘যা তোমাকে একবার ভেঙেছে, তা-ই তোমাকে শক্তিশালী করেছে।’

এই গান প্রসঙ্গে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আবেগঘন কণ্ঠে শাকিরা বলেছিলেন, ‘জীবন আমাকে যতটা শক্তিশালী প্রমাণ করেছে, আমি সবসময় নিজেকে তার চেয়েও ভঙ্গুর বা দুর্বল ভেবেছিলাম। জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতার পেছনেই একটা শিক্ষা থাকে। আমাদের সেই শিক্ষার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত, এমনকি যারা আপনাকে ক্ষতবিক্ষত করে চলে গেছে তাদের প্রতিও। কারণ তারা আমাদের আরো উন্নত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।’